১২:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দিঘলিয়ায় মানব পাচার প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান

খুলনার দিঘলিয়ায় মানব পাচার প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সরকারি-বেসরকারি সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান জানানো হয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলা মানব পাচার প্রতিরোধ কমিটি (সিটিসি)-এর সদস্যদের নিয়ে কারিতাস বাংলাদেশ, খুলনা অঞ্চলের উদ্যোগে একটি অ্যাডভোকেসি সভায় এ আহ্বান জানানো হয়।

সুইজারল্যান্ড সরকারের সহযোগিতায় এবং উইনরক ইন্টারন্যাশনালের কারিগরি সহায়তায় বাস্তবায়িত ‘আশ্বাস: মানব পাচার হতে উদ্ধারপ্রাপ্ত নারী ও পুরুষদের জন্য’ প্রকল্পের আওতায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুজন দাশ গুপ্ত।
বক্তারা বলেন, মানব পাচার একটি সংঘবদ্ধ আন্তর্জাতিক অপরাধ। এ অপরাধ প্রতিরোধে জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন, শিক্ষক, গণমাধ্যম, ধর্মীয় নেতা এবং সচেতন নাগরিকদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। বিশেষ করে নিরাপদ অভিবাসন, দালাল চক্রের প্রতারণা ও মানব পাচারের ঝুঁকি সম্পর্কে যুবসমাজকে সচেতন করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও সুজন দাশ গুপ্ত বলেন, সন্দেহজনক দালাল চক্রের তথ্য পেলে দ্রুত প্রশাসনকে জানাতে হবে। একই সঙ্গে মানব পাচার প্রতিরোধে স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

দিঘলিয়ায় মানব পাচার প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান

দিঘলিয়ায় মানব পাচার প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান

আপডেট টাইম : ০৪:৩১:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

খুলনার দিঘলিয়ায় মানব পাচার প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সরকারি-বেসরকারি সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান জানানো হয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলা মানব পাচার প্রতিরোধ কমিটি (সিটিসি)-এর সদস্যদের নিয়ে কারিতাস বাংলাদেশ, খুলনা অঞ্চলের উদ্যোগে একটি অ্যাডভোকেসি সভায় এ আহ্বান জানানো হয়।

সুইজারল্যান্ড সরকারের সহযোগিতায় এবং উইনরক ইন্টারন্যাশনালের কারিগরি সহায়তায় বাস্তবায়িত ‘আশ্বাস: মানব পাচার হতে উদ্ধারপ্রাপ্ত নারী ও পুরুষদের জন্য’ প্রকল্পের আওতায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুজন দাশ গুপ্ত।
বক্তারা বলেন, মানব পাচার একটি সংঘবদ্ধ আন্তর্জাতিক অপরাধ। এ অপরাধ প্রতিরোধে জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন, শিক্ষক, গণমাধ্যম, ধর্মীয় নেতা এবং সচেতন নাগরিকদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। বিশেষ করে নিরাপদ অভিবাসন, দালাল চক্রের প্রতারণা ও মানব পাচারের ঝুঁকি সম্পর্কে যুবসমাজকে সচেতন করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও সুজন দাশ গুপ্ত বলেন, সন্দেহজনক দালাল চক্রের তথ্য পেলে দ্রুত প্রশাসনকে জানাতে হবে। একই সঙ্গে মানব পাচার প্রতিরোধে স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।