০৭:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাতিয়ায় অংক না পারায় ছাত্রীকে পিটিয়ে আহত,অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে

নোয়াখালীর হাতিয়ায় অংক না পারায় ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে নির্মমভাবে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে চরচেঙ্গা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে। গুরুতর আ*হত অবস্থায় ওই ছাত্রীকে হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে মাদ্রাসার গণিত ক্লাসে। পরদিন শুক্রবার বিকেলে ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা থানায় লিখিত অ*ভিযোগ দায়ের করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ক্লাস চলাকালে অংক না পারায় শিক্ষক রেজাউল করিম ক্ষিপ্ত হয়ে ওই ছাত্রীকে মা*রধর করেন। এতে সে জ্ঞান হারিয়ে ক্লাসেই অচেতন হয়ে পড়ে। পরে সহপাঠীরা তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় এক পল্লী চিকিৎসকের কাছে নিলে প্রাথমিক চিকিৎসার পর অবস্থার অবনতি ঘটে। পরবর্তীতে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

ছাত্রীর মা অভিযোগ করে বলেন, “আমার মেয়ে অংক না পারায় শিক্ষক ক্ষিপ্ত হয়ে পিঠে আঘাত করেন, এতে তার মেরুদণ্ডে গুরুতর চোট লাগে। এখনো সে ঠিকমতো কথা বলতে পারে না।”

হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক বিমান চন্দ্র আশ্চর্য জানান, “শরীরের কোনো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে গুরুতর আ*ঘাত পাওয়ায় সে হঠাৎ হঠাৎ জ্ঞান হারাচ্ছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে হাতিয়ার বাইরে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।”

এদিকে ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বচ্ছ ভূমিসেবা নিশ্চিতের আহ্বান এমপি মান্নানের

হাতিয়ায় অংক না পারায় ছাত্রীকে পিটিয়ে আহত,অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে

আপডেট টাইম : ০৬:১৬:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫

নোয়াখালীর হাতিয়ায় অংক না পারায় ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে নির্মমভাবে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে চরচেঙ্গা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে। গুরুতর আ*হত অবস্থায় ওই ছাত্রীকে হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে মাদ্রাসার গণিত ক্লাসে। পরদিন শুক্রবার বিকেলে ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা থানায় লিখিত অ*ভিযোগ দায়ের করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ক্লাস চলাকালে অংক না পারায় শিক্ষক রেজাউল করিম ক্ষিপ্ত হয়ে ওই ছাত্রীকে মা*রধর করেন। এতে সে জ্ঞান হারিয়ে ক্লাসেই অচেতন হয়ে পড়ে। পরে সহপাঠীরা তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় এক পল্লী চিকিৎসকের কাছে নিলে প্রাথমিক চিকিৎসার পর অবস্থার অবনতি ঘটে। পরবর্তীতে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

ছাত্রীর মা অভিযোগ করে বলেন, “আমার মেয়ে অংক না পারায় শিক্ষক ক্ষিপ্ত হয়ে পিঠে আঘাত করেন, এতে তার মেরুদণ্ডে গুরুতর চোট লাগে। এখনো সে ঠিকমতো কথা বলতে পারে না।”

হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক বিমান চন্দ্র আশ্চর্য জানান, “শরীরের কোনো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে গুরুতর আ*ঘাত পাওয়ায় সে হঠাৎ হঠাৎ জ্ঞান হারাচ্ছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে হাতিয়ার বাইরে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।”

এদিকে ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।