১০:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সলঙ্গায় নদীতে মিললো গরু ব্যবসায়ীর লাশ

সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় ফুলজোড় নদী থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় আব্দুল লতিফ খতিব (৩৫) নামের এক গরু ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত আব্দুল লতিফ সলঙ্গা থানার নলকা ইউনিয়নের চর ফরিদপুর গ্রামের আমিনুল ইসলামের ছেলে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়,খতিব দীর্ঘদিন ধরে গরু ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। গত রবিবার রাতে সে নিখোঁজ হয়। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পায় নি।আজ বুধবার ভোরে স্থানীয়রা সাহেবগঞ্জের ফুলজোড় নদীতে একটি লাশ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে সলঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করেন।

সলঙ্গা থানার ওসি (তদন্ত) মনোজিৎ কুমার নন্দী জানান,প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে,তাকে হত্যা করে নদীতে ফেলে দেয়া হয়েছে।লাশটি হাত-পা বাঁধা অবস্থায় পাওয়া গেছে। তিনি আরও জানান, ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি সিরাজগঞ্জ শহীদ এম.মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে রায়গঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম খান জানান,ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে। ইতোমধ্যে পুলিশের একাধিক দল মাঠে নেমেছে এবং জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

দিঘলিয়ায় মানব পাচার প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান

সলঙ্গায় নদীতে মিললো গরু ব্যবসায়ীর লাশ

আপডেট টাইম : ১১:৩৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫

সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় ফুলজোড় নদী থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় আব্দুল লতিফ খতিব (৩৫) নামের এক গরু ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত আব্দুল লতিফ সলঙ্গা থানার নলকা ইউনিয়নের চর ফরিদপুর গ্রামের আমিনুল ইসলামের ছেলে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়,খতিব দীর্ঘদিন ধরে গরু ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। গত রবিবার রাতে সে নিখোঁজ হয়। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পায় নি।আজ বুধবার ভোরে স্থানীয়রা সাহেবগঞ্জের ফুলজোড় নদীতে একটি লাশ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে সলঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করেন।

সলঙ্গা থানার ওসি (তদন্ত) মনোজিৎ কুমার নন্দী জানান,প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে,তাকে হত্যা করে নদীতে ফেলে দেয়া হয়েছে।লাশটি হাত-পা বাঁধা অবস্থায় পাওয়া গেছে। তিনি আরও জানান, ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি সিরাজগঞ্জ শহীদ এম.মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে রায়গঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম খান জানান,ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে। ইতোমধ্যে পুলিশের একাধিক দল মাঠে নেমেছে এবং জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে।