০৪:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কমলনগরে জেলেদের দেড় মে.টন চালে পচন ॥ ফিরে যাচ্ছে সুফলভোগীরা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৬:১২:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৫৭ বার

কমলনগর প্রতিনিধি, কবির হোসেন রাকিব

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে মানুষের জীবিকার তাগিদের প্রধান খাদ্য ‘চাল’ অখাদ্যে পরিণত হয়েছে।  দরিদ্র ও জেলে মানুষের চালের গুণগত মান বিক্রিত হয়ে পড়ে দুর্গন্ধ ও খাবার অনুপযোগী।  এ দায় কার? এমন প্রশ্ন জনমনে।
পচে যাওয়া চাল এখনও ভালো রয়েছে  বলে দাবি সাহেবেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মো. শকিলের।
স্থানীয়রা জানান, চলতি বছরের অক্টোবর মাসের ভিজিডি ও জেলেদের পুনর্বাসনের চাল  (ভিজিএফ) প্রায় ৪০ থেকে ৫০  বস্তা প্রায় দেড় মে.টন চালে পচে  দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।  ফলে উপকার ভোগীরা চাল গ্রহণে অস্বীকৃতি জানান। এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পঁচা ও খাবার অনুপযোগী চাল নভেম্বর মাসের ভিজিডি নতুন চালে সাথে মিশিয়ে দেয়ার পরিকল্পনা করে। এটা নিয়েও পরিষদের পক্ষ-বিপক্ষের লোকের মধ্যে চলছে তুলকান্ড।
ভুক্তভোগীরা জানান, খাদ্যগুদাম থেকে ভালো চাল রিসিভ করে আমাদের পচা চাল দিচ্ছে। তারা প্রতিটি সুফল ভোগীর বিভিন্ন খুঁটি নাটি ভুল ধরে।  এলাকার সহজ সরল মানুষ সঠিক উত্তর না দিতে পারলে  এচাল রাতে তারা বিভিন্ন ভাবে মিলে মিশে  ভাগভাটোয়ারা করে নেয়। চালে যখন পোকাসহ খাবার অনুপযোগী তখন সুফল ভোগীদের নামে ফোন করে। এচালতো এখন কেউ নিবে না। তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে  বলেন, এ দায় প্রশাসকসহ তার আশপাশের লোকের।
সাহেবেরহাট ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসক ও উপজেলা আইসিটি অফিসার মো. শাকিল জানান,  জেলে ও ভিজিডির প্রকৃত কার্ডধারীদের না পেয়ে চালগুলো পরিষদে জমা। চালের গুণগত মান কিছুটা নষ্ট হয়েছে। কেউ না নিলে আমরা প্রসেসিং করে খাদ্যগুদামে জমা দিবো।

জনপ্রিয় সংবাদ

দিঘলিয়ায় মানব পাচার প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান

কমলনগরে জেলেদের দেড় মে.টন চালে পচন ॥ ফিরে যাচ্ছে সুফলভোগীরা

আপডেট টাইম : ০৬:১২:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

কমলনগর প্রতিনিধি, কবির হোসেন রাকিব

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে মানুষের জীবিকার তাগিদের প্রধান খাদ্য ‘চাল’ অখাদ্যে পরিণত হয়েছে।  দরিদ্র ও জেলে মানুষের চালের গুণগত মান বিক্রিত হয়ে পড়ে দুর্গন্ধ ও খাবার অনুপযোগী।  এ দায় কার? এমন প্রশ্ন জনমনে।
পচে যাওয়া চাল এখনও ভালো রয়েছে  বলে দাবি সাহেবেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মো. শকিলের।
স্থানীয়রা জানান, চলতি বছরের অক্টোবর মাসের ভিজিডি ও জেলেদের পুনর্বাসনের চাল  (ভিজিএফ) প্রায় ৪০ থেকে ৫০  বস্তা প্রায় দেড় মে.টন চালে পচে  দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।  ফলে উপকার ভোগীরা চাল গ্রহণে অস্বীকৃতি জানান। এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পঁচা ও খাবার অনুপযোগী চাল নভেম্বর মাসের ভিজিডি নতুন চালে সাথে মিশিয়ে দেয়ার পরিকল্পনা করে। এটা নিয়েও পরিষদের পক্ষ-বিপক্ষের লোকের মধ্যে চলছে তুলকান্ড।
ভুক্তভোগীরা জানান, খাদ্যগুদাম থেকে ভালো চাল রিসিভ করে আমাদের পচা চাল দিচ্ছে। তারা প্রতিটি সুফল ভোগীর বিভিন্ন খুঁটি নাটি ভুল ধরে।  এলাকার সহজ সরল মানুষ সঠিক উত্তর না দিতে পারলে  এচাল রাতে তারা বিভিন্ন ভাবে মিলে মিশে  ভাগভাটোয়ারা করে নেয়। চালে যখন পোকাসহ খাবার অনুপযোগী তখন সুফল ভোগীদের নামে ফোন করে। এচালতো এখন কেউ নিবে না। তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে  বলেন, এ দায় প্রশাসকসহ তার আশপাশের লোকের।
সাহেবেরহাট ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসক ও উপজেলা আইসিটি অফিসার মো. শাকিল জানান,  জেলে ও ভিজিডির প্রকৃত কার্ডধারীদের না পেয়ে চালগুলো পরিষদে জমা। চালের গুণগত মান কিছুটা নষ্ট হয়েছে। কেউ না নিলে আমরা প্রসেসিং করে খাদ্যগুদামে জমা দিবো।