০৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জকসু নির্বাচন অনলাইন জরিপে এজিএস পদে এগিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী তামজিদ ইমাম অর্নব

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:২৪:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
  • ৬২ বার

জবি প্রতিনিধি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনের সরাসরি ভোটের আগে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে অনলাইন জরিপ। এতে এজিএস (সহ-সাধারণ সম্পাদক) পদে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস মিলেছে। অনলাইন জরিপে চমক হিসেবে এগিয়ে আছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী তামজিদ ইমাম অর্নব।

জবিরিইউ (জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটি)-এর পরিচালিত ২৪ ঘণ্টার অনলাইন জরিপে অংশ নেন মোট ১ হাজার ২৮ জন ভোটার। জরিপের ফলাফলে দেখা যায়, স্বতন্ত্র প্রার্থী তামজিদ ইমাম অর্নব ৩৮.২২ শতাংশ ভোট পেয়ে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছেন।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেলের মাসুদ রানা পেয়েছেন ৩০.৪৫ শতাংশ ভোট, যা অর্নবের তুলনায় মাত্র ৮ শতাংশ কম। ফলে দুজনের মধ্যেই মূল লড়াইটি গড়ে উঠছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

এ ছাড়া ছাত্রদল সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’ প্যানেলের বিএম আতিকুর রহমান তানজিল পেয়েছেন ১৩.৫২ শতাংশ ভোট এবং ছাত্রশক্তি সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান’ প্যানেলের মো. শাহিন মিয়া পেয়েছেন ১০.০১ শতাংশ ভোট। ‘মাওলানা ভাসানী ব্রিগেড’-এর মো. শামসুল আলম মারুফ পেয়েছেন ৩.৪০ শতাংশ ভোট।

২০১৭–১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তামজিদ ইমাম অর্নব প্যানেলের বাইরে থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। ক্যাম্পাসে একজন জনপ্রিয় মুখ হিসেবে পরিচিত অর্নব ইতোমধ্যেই পরিবেশ উন্নয়নসহ শিক্ষার্থীবান্ধব নানা কার্যক্রমে যুক্ত থেকেছেন।

এজিএস পদে প্রার্থী হওয়া প্রসঙ্গে তামজিদ ইমাম অর্নব বলেন, “জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সবসময় নানা সংকটের মধ্যেও নিজেদের কণ্ঠস্বর তুলে ধরার চেষ্টা করেছে। আমি এমন একটি পরিবেশ গড়তে চাই, যেখানে শিক্ষার্থীর মতামতই হবে সবচেয়ে মূল্যবান। কোনো দলীয় চাপ নয়, কোনো বাহিরের প্রভাব নয়—শুধু শিক্ষার্থীর স্বার্থই হবে প্রধান।”

বিশ্লেষকদের মতে, আসন্ন জকসু নির্বাচনে এজিএস পদে এবার তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা যেতে পারে। প্রতিটি প্যানেলই এই পদে প্রভাবশালী ও পরিচিত প্রার্থীদের মনোনয়ন দিয়েছে। যদিও জরিপে কিছু প্রার্থী পিছিয়ে রয়েছেন, তবে শেষ মুহূর্তে ভোটের হিসাব বদলে যাওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

জনপ্রিয় সংবাদ

দিঘলিয়ায় মানব পাচার প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান

জকসু নির্বাচন অনলাইন জরিপে এজিএস পদে এগিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী তামজিদ ইমাম অর্নব

আপডেট টাইম : ১২:২৪:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

জবি প্রতিনিধি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনের সরাসরি ভোটের আগে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে অনলাইন জরিপ। এতে এজিএস (সহ-সাধারণ সম্পাদক) পদে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস মিলেছে। অনলাইন জরিপে চমক হিসেবে এগিয়ে আছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী তামজিদ ইমাম অর্নব।

জবিরিইউ (জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটি)-এর পরিচালিত ২৪ ঘণ্টার অনলাইন জরিপে অংশ নেন মোট ১ হাজার ২৮ জন ভোটার। জরিপের ফলাফলে দেখা যায়, স্বতন্ত্র প্রার্থী তামজিদ ইমাম অর্নব ৩৮.২২ শতাংশ ভোট পেয়ে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছেন।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেলের মাসুদ রানা পেয়েছেন ৩০.৪৫ শতাংশ ভোট, যা অর্নবের তুলনায় মাত্র ৮ শতাংশ কম। ফলে দুজনের মধ্যেই মূল লড়াইটি গড়ে উঠছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

এ ছাড়া ছাত্রদল সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’ প্যানেলের বিএম আতিকুর রহমান তানজিল পেয়েছেন ১৩.৫২ শতাংশ ভোট এবং ছাত্রশক্তি সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান’ প্যানেলের মো. শাহিন মিয়া পেয়েছেন ১০.০১ শতাংশ ভোট। ‘মাওলানা ভাসানী ব্রিগেড’-এর মো. শামসুল আলম মারুফ পেয়েছেন ৩.৪০ শতাংশ ভোট।

২০১৭–১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তামজিদ ইমাম অর্নব প্যানেলের বাইরে থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। ক্যাম্পাসে একজন জনপ্রিয় মুখ হিসেবে পরিচিত অর্নব ইতোমধ্যেই পরিবেশ উন্নয়নসহ শিক্ষার্থীবান্ধব নানা কার্যক্রমে যুক্ত থেকেছেন।

এজিএস পদে প্রার্থী হওয়া প্রসঙ্গে তামজিদ ইমাম অর্নব বলেন, “জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সবসময় নানা সংকটের মধ্যেও নিজেদের কণ্ঠস্বর তুলে ধরার চেষ্টা করেছে। আমি এমন একটি পরিবেশ গড়তে চাই, যেখানে শিক্ষার্থীর মতামতই হবে সবচেয়ে মূল্যবান। কোনো দলীয় চাপ নয়, কোনো বাহিরের প্রভাব নয়—শুধু শিক্ষার্থীর স্বার্থই হবে প্রধান।”

বিশ্লেষকদের মতে, আসন্ন জকসু নির্বাচনে এজিএস পদে এবার তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা যেতে পারে। প্রতিটি প্যানেলই এই পদে প্রভাবশালী ও পরিচিত প্রার্থীদের মনোনয়ন দিয়েছে। যদিও জরিপে কিছু প্রার্থী পিছিয়ে রয়েছেন, তবে শেষ মুহূর্তে ভোটের হিসাব বদলে যাওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।