স্টাফ রিপোর্টারঃ
আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে ঢাকা-১৯, সাভার-আশুলিয়া আসনে এনসিপির মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক ও যুবশক্তি ঢাকা জেলা উওর এর আহবায়ক সেজুতি হোসাইন।
তিনি আমাদের অবহিত করেন,জাতীয় নাগরিক পার্টি যুবশক্তির রাজনীতিতে অল্প দিনের পথচলা হলেও জনগনের সাথে কাজ করার অভিজ্ঞতা দীর্ঘদিনের।বিগত দুই বছর এর অধিক সময় আমি ক্যাপিটাল আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার সাথে সদস্য হিসেবে কাজ করছি।আমি খুব কাছ থেকে জনগনের সমস্যাগুলো শুনেছি এবং কাজ করেছি।
দীর্ঘদিনের অগোছালো এই শহরটাকে বসবাসের উপযোগী হিসেবে তৈরী করতে চাই আপনাদের সাথে নিয়ে।
স্থানীয় জনসাধারণের পাশাপাশি বহিরাগত জনগনের বসবাস।আমাদের ময়লা ফেলার জন্য নিদিষ্ট কোন ডাম্পিং স্টেশন নাই।ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক ও নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে ময়লার স্তূপ।জাতীয় সৃতিসৌধ অবস্থিত হওয়ায় বিভিন্ন দেশের প্রধানের আগমনের পথে চোখে পড়ে ময়লা।এতে করে আমাদের সন্মান ক্ষুন্ন হচ্ছে এবং পরিবেশ দূষণের সাথে আশপাশে অবস্থিত জনগনের দেখা দিচ্ছে বিভিন্ন রোগ।একাধিক সরকারি অফিস-বিদ্যালয়-মহাবিদ্যালয়,হাসপাতাল এবং গার্মেন্টস ফ্যাক্টরির অবস্থিত।
নারী ও শ্রমীকের অধিকার নিয়ে কাজ করছি দীর্ঘ দিন। তাদের অধিকার আদায়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করবো।
মাদক – চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অএ এলাকার জনগন এবং প্রশাসনের সয়াহতা নিয়ে নির্মূল করবো।রাত যতই হোক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবো প্রশাসনের সহায়তায়।
ঢাকা ১৯ আসনে অতীতে যারা দায়িত্বে ছিলেন কথার ফুলঝুরিতে জনগনের ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন।কিন্তুু পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করেন নি।
সাভার পৌরসভা এ গ্রেডের হলেও নাগরিক সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত। বৃষ্টি হলেই পৌর এলাকার বিভিন্ন রাস্তা পানি জমে জনগনের চলাচলে অনুপোযোগী হয়ে উঠে।অপরিকল্পিত নগরায়নের জন্যে বিভিন্ন রাস্তা ছোট হওয়ার ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি যেতে পারে না।
বহিরাগত জনগনের লাশ দাফনের জন্য কবরস্থানের ব্যবস্থা করবো।এতে বহিরাগতের ভোগান্তি কমবে।
আমার আরো কিছু মহা পরিকল্পনা রয়েছে।এনসিপি থেকে মনোনয়ন পেয়ে আপনাদের ভোটে জয়যুক্ত হলে সাথে নিয়ে এই শহরটাকে ঢেলে সাজাবো।ঢাকা ১৯ হবে অন্য এলাকার রোলমডেল।
আপনারা সকলেই আমার জন্য দোয়া করবেন, আমি আপনাদের সন্তান।
Reporter Name 



















