মোঃরুপল হোসেন, রিপোর্টার পত্নীতলা নওগাঁ।
মহান বিজয় দিবস। নয় মাসব্যাপী রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্যে দিয়ে অর্জিত হয় চূড়ান্ত বিজয়। এটি বাঙালি জাতির জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন ও গৌরবের দিন প্রতি বছরের মতো আজও সারা দেশে নানা আয়োজনের মধ্যে দিয়ে যথাযথ মর্যাদায় উদযাপন করা হচ্ছে বিজয় দিবস।
পত্নীতলায় মহান বিজয় দিবসে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন পত্নীতলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে নজিপুর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে বিজয় দিবসের কর্মসূচি পালনের সূচনা হয়।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পত্নীতলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: আলীমুজ্জামান মিলন। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পত্নীতলা থানার ইনচার্জ (ও সি) মোঃ আসাদুজ্জামান (আসাদ), ডাঃ এস এম খালিদ সাইফুল্লাহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পত্নীতলা নওগাঁ, মোহাম্মদ জুয়েল মিয়া সহকারী কমিশনার ( ভূমি) পত্নীতলা নওগাঁ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সোহরাব হোসেন. উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা রুজিনা পারভীন, উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আশীষ কুমার দেবনাথ, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা প্রহল্লাদ কুন্ডু, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মোরশেদুল আলম, জাতীয় মহিলা সংস্থার সমন্বয়কারী আমিনুল ইসলাম, দি হাঙ্গার প্রজেক্ট’র এলাকা সমন্বয়কারী আসির উদ্দীন,
এর পর পত্নীতলার সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হলে তারা স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। ফুল দিতে আসা মানুষের কারো হাতে ব্যানার, কারো হাতে প্ল্যাকার্ড, আবার কারো হাতে ছিল লাল-সবুজ পতাকা। সবাই যেন মিলেছেন এক মোহনায়।
শহীদ মিনারে ফুল দিতে আসেন বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
দিবসের দ্বিতীয় প্রহর
সকাল ৯টায় নজিপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে শরীর চর্চা প্রদর্শনী ও পুরষ্কার বিতরনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
Reporter Name 



















