০৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কমলনগরে অসঙ্গতি রেখে কৃষকের কাছ থেকে আমন ধান সংগ্রহের অভিযোগ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:০৭:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৬২ বার

কবির হোসেন রাকিব (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে চলতি মৌসুমে কৃষকের তালিকায় অসঙ্গতি রেখে আমন ধান সংগ্রহের অভিযোগ উঠেছে। আর এমন অনৈতিক কাজের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ উপজেলা কয়েক জন উপসহকারীদের বিরুদ্ধে। তালিকা অসঙ্গতি রেখে খাদ্যবিভাগের কাছে কৃষকের নামে তালিকা জমা দেয়া হয়। এসব তালিকায় প্রকৃত কৃষকের নামের হদিছ নেই। বাদ পড়ার আশঙ্কায় প্রকৃত কৃষকদের মাঝে নানা সমালোচনা সৃষ্টি হয়।
সূত্রে জানা যায়, কমলনগর খাদ্য বিভাগে চলতি বছরে প্রায় ১৭০ মে.টন ধান সংগ্রহ করার কথা। শুরুতেই ধানসংগ্রহতে বিভিন্ন অনিয়ম দেখা গেছে। কৃষি উপসহকারীরা একটি সুবিধা দেখিয়ে কর্মকর্তার কাছ থেকে ফরওয়ার্ডিং করে নেয়। তারা আবার স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সাথে গোপন আতাঁত করে প্রস্তুতকৃত তালিকা খাদ্য বিভাগে জমা দেয়। ফলে প্রকৃত কৃষকরা হতাশায় থাকেন। এতে উপসহকারী কৃষি ও জনপ্রতিনিধিরা মিলেমিশে লুটপাট চালাচ্ছেন। এদিকে কৃষকদের অভিযোগ খাদ্যবিভাগের কর্মচারীরা প্রতিমণ ধান থেকে অতিরিক্ত আরো ৫-৬ কেজি বাড়তি নিচ্ছেন। ফলে প্রকৃত কৃষকরা মুখ ফিরিয়ে নিচেছন। উপসহকারী কৃষি ও জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করে সরকারী বিধি ভঙ্গ করে খাদ্যগুদামে ধান দেয়ার অভিযোগ অতি পুরনো। উপসহকারীরা নিরপক্ষ তালিকা না করে নিজেরাই সরকারী ধান সংগ্রহ বিধি ভঙ্গ করে কৃষকের নাম ভেঙ্গে তারা ধান দিচ্ছেন। যাহা ধান থেকে চাল সংগ্রহে মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে। ফলে সরকারের কাঙ্খিত আমন ধান সংগ্রহে অপুরনীয় ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। যাহা পরবর্তীতে ভোক্তারা পঁচা ও দুর্গন্ধযুক্ত চাল পাচ্ছে। এদিকে খাদ্যগুদাম কর্মকর্তাদের তদারকি নিয়েও কৃষকদের মনে নানা প্রশ্ন তৈরী হয়। জানা গেছে, খাদ্যগুদামের কর্মচারীরা কাবিখা, ভিজিডি, টিসিবি ও রেশম কার্ডের ডিলার থেকে আর্থিকসহ নানা সুবিধা নেয়ার অভিযোগ রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

দিঘলিয়ায় মানব পাচার প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান

কমলনগরে অসঙ্গতি রেখে কৃষকের কাছ থেকে আমন ধান সংগ্রহের অভিযোগ

আপডেট টাইম : ১২:০৭:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫

কবির হোসেন রাকিব (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে চলতি মৌসুমে কৃষকের তালিকায় অসঙ্গতি রেখে আমন ধান সংগ্রহের অভিযোগ উঠেছে। আর এমন অনৈতিক কাজের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ উপজেলা কয়েক জন উপসহকারীদের বিরুদ্ধে। তালিকা অসঙ্গতি রেখে খাদ্যবিভাগের কাছে কৃষকের নামে তালিকা জমা দেয়া হয়। এসব তালিকায় প্রকৃত কৃষকের নামের হদিছ নেই। বাদ পড়ার আশঙ্কায় প্রকৃত কৃষকদের মাঝে নানা সমালোচনা সৃষ্টি হয়।
সূত্রে জানা যায়, কমলনগর খাদ্য বিভাগে চলতি বছরে প্রায় ১৭০ মে.টন ধান সংগ্রহ করার কথা। শুরুতেই ধানসংগ্রহতে বিভিন্ন অনিয়ম দেখা গেছে। কৃষি উপসহকারীরা একটি সুবিধা দেখিয়ে কর্মকর্তার কাছ থেকে ফরওয়ার্ডিং করে নেয়। তারা আবার স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সাথে গোপন আতাঁত করে প্রস্তুতকৃত তালিকা খাদ্য বিভাগে জমা দেয়। ফলে প্রকৃত কৃষকরা হতাশায় থাকেন। এতে উপসহকারী কৃষি ও জনপ্রতিনিধিরা মিলেমিশে লুটপাট চালাচ্ছেন। এদিকে কৃষকদের অভিযোগ খাদ্যবিভাগের কর্মচারীরা প্রতিমণ ধান থেকে অতিরিক্ত আরো ৫-৬ কেজি বাড়তি নিচ্ছেন। ফলে প্রকৃত কৃষকরা মুখ ফিরিয়ে নিচেছন। উপসহকারী কৃষি ও জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করে সরকারী বিধি ভঙ্গ করে খাদ্যগুদামে ধান দেয়ার অভিযোগ অতি পুরনো। উপসহকারীরা নিরপক্ষ তালিকা না করে নিজেরাই সরকারী ধান সংগ্রহ বিধি ভঙ্গ করে কৃষকের নাম ভেঙ্গে তারা ধান দিচ্ছেন। যাহা ধান থেকে চাল সংগ্রহে মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে। ফলে সরকারের কাঙ্খিত আমন ধান সংগ্রহে অপুরনীয় ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। যাহা পরবর্তীতে ভোক্তারা পঁচা ও দুর্গন্ধযুক্ত চাল পাচ্ছে। এদিকে খাদ্যগুদাম কর্মকর্তাদের তদারকি নিয়েও কৃষকদের মনে নানা প্রশ্ন তৈরী হয়। জানা গেছে, খাদ্যগুদামের কর্মচারীরা কাবিখা, ভিজিডি, টিসিবি ও রেশম কার্ডের ডিলার থেকে আর্থিকসহ নানা সুবিধা নেয়ার অভিযোগ রয়েছে।