০৬:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সহকারী পরিচালকের কঠোর হস্তক্ষেপে দালাল ও দুর্নীতিমুক্ত লক্ষ্মীপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:৪৯:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
  • ৪৫ বার

মাহমুদুর রহমান মনজু
লক্ষীপুর প্রতিনিধি:
সহকারী পরিচালক এ কে এম আবু সাঈদের কঠোর পদক্ষেপে লক্ষীপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস এখন দালালমুক্ত ও দুর্নীতিমুক্ত একটি আদর্শ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। সেবাগ্রহীতারা বলছেন, আগে যেখানে পাসপোর্টের বিভিন্ন ধাপে দালালচক্রের দৌরাত্ম্য ছিল প্রকাশ্য, এখন সেখানে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও দ্রুত সেবা নিশ্চিত হওয়ায় সাধারণ মানুষ স্বস্তি ফিরেছে।

অফিস সূত্রে জানা যায়, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সহকারী পরিচালক এ কে এম আবু সাঈদ অফিস চত্বরে দালালদের প্রবেশ কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করেন। প্রতিটি সেবার ধাপে নির্দিষ্ট কাউন্টার ব্যবস্থাপনা, সিসিটিভি মনিটরিং এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির ফলে অনিয়মের সুযোগ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়েছে।

সেবাগ্রহীতারা জানান, এখন অতিরিক্ত টাকা ছাড়াই নির্ধারিত ফি দিয়ে সময়মতো পাসপোর্ট পাওয়া যাচ্ছে। আগে যেখানে ফরম পূরণ থেকে শুরু করে জমা দেওয়া পর্যন্ত দালালদের ওপর নির্ভর করতে হত, এখন অফিস কর্মীরাই প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন।

সহকারী পরিচালক আবু সাঈদ বলেন, “দালালমুক্ত, স্বচ্ছ ও সেবাপ্রদানকারী একটি পাসপোর্ট অফিস গড়ে তোলা আমাদের অঙ্গীকার। সেবাপ্রার্থীর সন্তুষ্টিই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।”

এদিকে স্থানীয়দের দাবি, এ ধরনের উদাহরণ অন্য সরকারি অফিসগুলোতেও অনুসরণ করা হলে সাধারণ মানুষ আরও স্বস্তি পাবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

দিঘলিয়ায় মানব পাচার প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান

সহকারী পরিচালকের কঠোর হস্তক্ষেপে দালাল ও দুর্নীতিমুক্ত লক্ষ্মীপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস

আপডেট টাইম : ০৪:৪৯:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

মাহমুদুর রহমান মনজু
লক্ষীপুর প্রতিনিধি:
সহকারী পরিচালক এ কে এম আবু সাঈদের কঠোর পদক্ষেপে লক্ষীপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস এখন দালালমুক্ত ও দুর্নীতিমুক্ত একটি আদর্শ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। সেবাগ্রহীতারা বলছেন, আগে যেখানে পাসপোর্টের বিভিন্ন ধাপে দালালচক্রের দৌরাত্ম্য ছিল প্রকাশ্য, এখন সেখানে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও দ্রুত সেবা নিশ্চিত হওয়ায় সাধারণ মানুষ স্বস্তি ফিরেছে।

অফিস সূত্রে জানা যায়, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সহকারী পরিচালক এ কে এম আবু সাঈদ অফিস চত্বরে দালালদের প্রবেশ কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করেন। প্রতিটি সেবার ধাপে নির্দিষ্ট কাউন্টার ব্যবস্থাপনা, সিসিটিভি মনিটরিং এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির ফলে অনিয়মের সুযোগ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়েছে।

সেবাগ্রহীতারা জানান, এখন অতিরিক্ত টাকা ছাড়াই নির্ধারিত ফি দিয়ে সময়মতো পাসপোর্ট পাওয়া যাচ্ছে। আগে যেখানে ফরম পূরণ থেকে শুরু করে জমা দেওয়া পর্যন্ত দালালদের ওপর নির্ভর করতে হত, এখন অফিস কর্মীরাই প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন।

সহকারী পরিচালক আবু সাঈদ বলেন, “দালালমুক্ত, স্বচ্ছ ও সেবাপ্রদানকারী একটি পাসপোর্ট অফিস গড়ে তোলা আমাদের অঙ্গীকার। সেবাপ্রার্থীর সন্তুষ্টিই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।”

এদিকে স্থানীয়দের দাবি, এ ধরনের উদাহরণ অন্য সরকারি অফিসগুলোতেও অনুসরণ করা হলে সাধারণ মানুষ আরও স্বস্তি পাবে।