০৬:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী আজ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৪০:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫
  • ৫১ বার

সাহেদ আলী,সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :

ভাষা আন্দোলনের অগ্নিপুরুষ,জাতীয় নেতা ও সলঙ্গা বিদ্রোহের মহানায়ক মওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী আজ (২৭ নভেম্বর)।
১৯০০ সালের ২৭ নভেম্বর সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার তারুটিয়া গ্রামে এক পীর বংশে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। পিতার নাম শাহ সৈয়দ আবু ইসহাক ও মাতা আজিজুন্নেছা। শৈশব থেকেই তিনি ছিলেন ন্যায়ের পক্ষে আপসহীন এক সংগ্রামী মানুষ।
১৯২২ সালের ২৭ জানুয়ারি তর্কবাগীশের নেতৃত্বে সলঙ্গা হাটে ব্রিটিশবিরোধী বিলেতি পণ্য বর্জন আন্দোলন অনুষ্ঠিত হয়। ওই আন্দোলনে ব্রিটিশ পুলিশ নির্মম গুলিবর্ষণ করলে প্রায় সাড়ে চার হাজার মানুষ হতাহত হন, যা ইতিহাসে ‘সলঙ্গা হত্যাকাণ্ড’ নামে পরিচিত।
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনেও তিনি ছিলেন প্রথম সারির নেতা। ১৯৫৫ সালের ১২ আগস্ট পাকিস্তানের গণপরিষদে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে প্রথম বাংলা ভাষায় বক্তব্য দিয়ে ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন তিনি।
১৯৫৬ সাল থেকে ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত তর্কবাগীশ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। শুধু দলীয় রাজনীতি নয়-কৃষক আন্দোলন, খেলাফত আন্দোলন, তেভাগা আন্দোলনসহ দেশের গণতান্ত্রিক ও মুক্তির সংগ্রামের প্রতিটি পর্যায়ে তিনি সামনের কাতারে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন আজীবন।
এই মহান নেতার জন্মবার্ষিকীতে তাঁর স্মৃতি বিজড়িত সলঙ্গা থানাকে উপজেলা ও পৌরসভায় উন্নীত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় প্রায় চার লক্ষাধিক মানুষ। তাঁদের একটাই প্রত্যাশা- জাতীয় এই বরেণ্য নেতার স্মৃতি যেন আরও মর্যাদার সঙ্গে লালিত হয় এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে পৌঁছে যায়।

জনপ্রিয় সংবাদ

দিঘলিয়ায় মানব পাচার প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান

মওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী আজ

আপডেট টাইম : ১১:৪০:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫

সাহেদ আলী,সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :

ভাষা আন্দোলনের অগ্নিপুরুষ,জাতীয় নেতা ও সলঙ্গা বিদ্রোহের মহানায়ক মওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী আজ (২৭ নভেম্বর)।
১৯০০ সালের ২৭ নভেম্বর সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার তারুটিয়া গ্রামে এক পীর বংশে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। পিতার নাম শাহ সৈয়দ আবু ইসহাক ও মাতা আজিজুন্নেছা। শৈশব থেকেই তিনি ছিলেন ন্যায়ের পক্ষে আপসহীন এক সংগ্রামী মানুষ।
১৯২২ সালের ২৭ জানুয়ারি তর্কবাগীশের নেতৃত্বে সলঙ্গা হাটে ব্রিটিশবিরোধী বিলেতি পণ্য বর্জন আন্দোলন অনুষ্ঠিত হয়। ওই আন্দোলনে ব্রিটিশ পুলিশ নির্মম গুলিবর্ষণ করলে প্রায় সাড়ে চার হাজার মানুষ হতাহত হন, যা ইতিহাসে ‘সলঙ্গা হত্যাকাণ্ড’ নামে পরিচিত।
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনেও তিনি ছিলেন প্রথম সারির নেতা। ১৯৫৫ সালের ১২ আগস্ট পাকিস্তানের গণপরিষদে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে প্রথম বাংলা ভাষায় বক্তব্য দিয়ে ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন তিনি।
১৯৫৬ সাল থেকে ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত তর্কবাগীশ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। শুধু দলীয় রাজনীতি নয়-কৃষক আন্দোলন, খেলাফত আন্দোলন, তেভাগা আন্দোলনসহ দেশের গণতান্ত্রিক ও মুক্তির সংগ্রামের প্রতিটি পর্যায়ে তিনি সামনের কাতারে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন আজীবন।
এই মহান নেতার জন্মবার্ষিকীতে তাঁর স্মৃতি বিজড়িত সলঙ্গা থানাকে উপজেলা ও পৌরসভায় উন্নীত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় প্রায় চার লক্ষাধিক মানুষ। তাঁদের একটাই প্রত্যাশা- জাতীয় এই বরেণ্য নেতার স্মৃতি যেন আরও মর্যাদার সঙ্গে লালিত হয় এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে পৌঁছে যায়।