০৭:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এশিয়া এডটেক সামিট-জাপানে সিলভার এওয়ার্ড পেলো স্কুল অব এক্সিলেন্স

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:০০:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৬৬ বার

নিজস্ব প্রতিবেদক

অনলাইনভিত্তিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্কুল অব এক্সিলেন্স মর্যাদাপূর্ণ ৬ষ্ঠ এশিয়া এডটেক সামিট জাপানে ‘কমিউনিকেশন থ্রো সাস্টেইনেবল ইনোভেশন’ ক্যাটাগরিতে সিলভার এওয়ার্ড অর্জন করেছে। ২০২২ সালে প্রতিষ্ঠার পর অল্প সময়ের মধ্যেই প্রতিষ্ঠানটির এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন শিক্ষাক্ষেত্রে তাদের ধারাবাহিক উদ্ভাবনী কাজেরই প্রমাণ।

শুরু থেকেই সেবাকে অগ্রাধিকার দিয়ে দেশের শহর থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের কাছে অনলাইনের মাধ্যমে শিক্ষা পৌঁছে দিচ্ছে স্কুল অব এক্সিলেন্স অভিজ্ঞ, দক্ষ ও আন্তরিক মেন্টরদের সমন্বয়ে একাডেমিক এবং ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিতে শিক্ষার্থীদের সরাসরি ক্লাসরুমের মতো অভিজ্ঞতা দেওয়ার চেষ্টা করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি।

২০২২ সালের নভেম্বরে পাঁচজন স্বপ্নবান শিক্ষকের হাত ধরে সূচনা হয় স্কুল অব এক্সিলেন্সের। দীর্ঘদিনের হাজারো শিক্ষার্থীকে পড়ানোর অভিজ্ঞতাকে ভিত্তি করে শুরু থেকেই অনলাইন শিক্ষায় ভিন্নধর্মী ও মানসম্মত উদ্যোগ নেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে তারা। ভাইরাল হওয়ার প্রবণতাকে পাশ কাটিয়ে, মানসম্মত অনলাইন শিক্ষা মডেল তৈরিই ছিল তাদের প্রধান লক্ষ্য।

আন্তর্জাতিক এই অর্জনে স্কুল অব এক্সিলেন্স তার পরিশ্রমী শিক্ষার্থী, সহমর্মী অভিভাবক, শুভানুধ্যায়ী এবং প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে সম্পৃক্ত সকল শিক্ষককে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে। ভবিষ্যতে আরও নতুন ফিচার, উদ্ভাবন এবং মানসম্মত সেবার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

উল্লেখ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম সমন্বয়ক, এনসিপি নেতা এবং ইংরেজি শিক্ষক হাসনাত আব্দুল্লাহ এই প্রতিষ্ঠানের একজন ডিরেক্টর ও মেন্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

দিঘলিয়ায় মানব পাচার প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান

এশিয়া এডটেক সামিট-জাপানে সিলভার এওয়ার্ড পেলো স্কুল অব এক্সিলেন্স

আপডেট টাইম : ০৪:০০:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক

অনলাইনভিত্তিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্কুল অব এক্সিলেন্স মর্যাদাপূর্ণ ৬ষ্ঠ এশিয়া এডটেক সামিট জাপানে ‘কমিউনিকেশন থ্রো সাস্টেইনেবল ইনোভেশন’ ক্যাটাগরিতে সিলভার এওয়ার্ড অর্জন করেছে। ২০২২ সালে প্রতিষ্ঠার পর অল্প সময়ের মধ্যেই প্রতিষ্ঠানটির এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন শিক্ষাক্ষেত্রে তাদের ধারাবাহিক উদ্ভাবনী কাজেরই প্রমাণ।

শুরু থেকেই সেবাকে অগ্রাধিকার দিয়ে দেশের শহর থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের কাছে অনলাইনের মাধ্যমে শিক্ষা পৌঁছে দিচ্ছে স্কুল অব এক্সিলেন্স অভিজ্ঞ, দক্ষ ও আন্তরিক মেন্টরদের সমন্বয়ে একাডেমিক এবং ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিতে শিক্ষার্থীদের সরাসরি ক্লাসরুমের মতো অভিজ্ঞতা দেওয়ার চেষ্টা করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি।

২০২২ সালের নভেম্বরে পাঁচজন স্বপ্নবান শিক্ষকের হাত ধরে সূচনা হয় স্কুল অব এক্সিলেন্সের। দীর্ঘদিনের হাজারো শিক্ষার্থীকে পড়ানোর অভিজ্ঞতাকে ভিত্তি করে শুরু থেকেই অনলাইন শিক্ষায় ভিন্নধর্মী ও মানসম্মত উদ্যোগ নেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে তারা। ভাইরাল হওয়ার প্রবণতাকে পাশ কাটিয়ে, মানসম্মত অনলাইন শিক্ষা মডেল তৈরিই ছিল তাদের প্রধান লক্ষ্য।

আন্তর্জাতিক এই অর্জনে স্কুল অব এক্সিলেন্স তার পরিশ্রমী শিক্ষার্থী, সহমর্মী অভিভাবক, শুভানুধ্যায়ী এবং প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে সম্পৃক্ত সকল শিক্ষককে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে। ভবিষ্যতে আরও নতুন ফিচার, উদ্ভাবন এবং মানসম্মত সেবার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

উল্লেখ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম সমন্বয়ক, এনসিপি নেতা এবং ইংরেজি শিক্ষক হাসনাত আব্দুল্লাহ এই প্রতিষ্ঠানের একজন ডিরেক্টর ও মেন্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।