০৭:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বালিয়াকান্দির প্রতিটি রাস্তায় মাটিবাহী টলির দৌরাত্ম্য—দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৪৩:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৭০ বার

মোঃ জাহিদুর রহিম মোল্লা

জেলা প্রতিনিধি রাজবাড়ী

রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার প্রতিটি রাস্তায় এখন চলছে মাটি টানা টলির দাপট। শীতের মৌসুম শুরু হতেই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অবৈধভাবে চলাচলকারী এসব মাটিবাহী টলি আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

স্থানীয়রা জানান, বেশিরভাগ টলিরই নেই দক্ষ ড্রাইভার। নেই কোনো ধরনের অনুমোদন বা নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ফলে প্রতিদিনই বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি। টলির কারণে সৃষ্টি হচ্ছে ধুলা-দূষণ, নেই পলি বা মাটি সামলানোর সঠিক ব্যবস্থা—ফলে পথচারী, স্কুল শিক্ষার্থী ও যানবাহনচালকেরা পড়ছেন চরম ভোগান্তিতে।

এলাকাবাসীর মতে, এসব টলি নিয়ন্ত্রণ করছেন স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি। মাঝে মাঝে মোবাইল কোর্ট অভিযান চালিয়ে জরিমানা করলেও কিছুদিন পর আবার আগের মতোই শুরু হয় তাদের দৌরাত্ম্য।

পথচারীরা অভিযোগ করে বলেন,
“প্রতিদিন এই টলির ধুলোবালি ও শব্দদূষণে আমরা অতিষ্ঠ। রাস্তাঘাট নোংরা হচ্ছে, দুর্ঘটনার ভয় তো আছেই। প্রশাসনের আরও কঠোর নজরদারি দরকার।”

সাধারণ মানুষের দাবি—অবৈধ টলিগুলোর বিরুদ্ধে নিয়মিত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া, রাস্তা রক্ষণাবেক্ষণ এবং পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে স্থায়ী উদ্যোগ গ্রহণ করা।

এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার ( ভূমি ) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এহাসানুল হক শিপন বলেন অবৈধ মাটি কাটা বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। ড্রাইভিং লাইসেন্স এর তদারকি কার্যক্রমও চলমান আছে। দাপ্তরিক দায়িত্ব ও জনবল সীমাবদ্ধতার কারণে আমাদের পক্ষে সার্বক্ষণিক নজরদারি করা দুঃসাধ্য।

উল্লেখ্য, উল্লিখিত অপরাধের ক্ষেত্রে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এবং সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুসারে যেকোনো নাগরিক নিজেও মামলা দায়ের করতে পারেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

দিঘলিয়ায় মানব পাচার প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান

বালিয়াকান্দির প্রতিটি রাস্তায় মাটিবাহী টলির দৌরাত্ম্য—দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ

আপডেট টাইম : ১২:৪৩:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫

মোঃ জাহিদুর রহিম মোল্লা

জেলা প্রতিনিধি রাজবাড়ী

রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার প্রতিটি রাস্তায় এখন চলছে মাটি টানা টলির দাপট। শীতের মৌসুম শুরু হতেই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অবৈধভাবে চলাচলকারী এসব মাটিবাহী টলি আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

স্থানীয়রা জানান, বেশিরভাগ টলিরই নেই দক্ষ ড্রাইভার। নেই কোনো ধরনের অনুমোদন বা নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ফলে প্রতিদিনই বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি। টলির কারণে সৃষ্টি হচ্ছে ধুলা-দূষণ, নেই পলি বা মাটি সামলানোর সঠিক ব্যবস্থা—ফলে পথচারী, স্কুল শিক্ষার্থী ও যানবাহনচালকেরা পড়ছেন চরম ভোগান্তিতে।

এলাকাবাসীর মতে, এসব টলি নিয়ন্ত্রণ করছেন স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি। মাঝে মাঝে মোবাইল কোর্ট অভিযান চালিয়ে জরিমানা করলেও কিছুদিন পর আবার আগের মতোই শুরু হয় তাদের দৌরাত্ম্য।

পথচারীরা অভিযোগ করে বলেন,
“প্রতিদিন এই টলির ধুলোবালি ও শব্দদূষণে আমরা অতিষ্ঠ। রাস্তাঘাট নোংরা হচ্ছে, দুর্ঘটনার ভয় তো আছেই। প্রশাসনের আরও কঠোর নজরদারি দরকার।”

সাধারণ মানুষের দাবি—অবৈধ টলিগুলোর বিরুদ্ধে নিয়মিত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া, রাস্তা রক্ষণাবেক্ষণ এবং পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে স্থায়ী উদ্যোগ গ্রহণ করা।

এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার ( ভূমি ) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এহাসানুল হক শিপন বলেন অবৈধ মাটি কাটা বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। ড্রাইভিং লাইসেন্স এর তদারকি কার্যক্রমও চলমান আছে। দাপ্তরিক দায়িত্ব ও জনবল সীমাবদ্ধতার কারণে আমাদের পক্ষে সার্বক্ষণিক নজরদারি করা দুঃসাধ্য।

উল্লেখ্য, উল্লিখিত অপরাধের ক্ষেত্রে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এবং সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুসারে যেকোনো নাগরিক নিজেও মামলা দায়ের করতে পারেন।