০৭:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লক্ষ্মীপুর ভবানীগঞ্জের আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি হালিম মাষ্টার বহু অপকর্মের পরেও বুক পুলিয়ে চলছে এলাকায়।

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০২:৩৬:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৩৫৩ বার

লক্ষ্মীপুর সংবাদদাতা, কবির হোসেন রাকিবঃ

লক্ষ্ণীপুর সদর উপজেলার ভবনীগঞ্জ গ্রামের মৃত আব্দুল মতলবের পুত্র আব্দুল হালিম মাষ্টারের বিরুদ্ধে অসহায় নিরীহ মানুষকে মামলা দিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ পুরানো। কমলনগরের জাঙ্গালিয়ার তারই পরোচানায় ও সাজানো হাত্যা মামলায় ভুক্তভোগী অসহায় পরিবার থেকে ১০ লক্ষ টাকা দাবি করে। টাকা না দেওয়ায় ঐ পরিবারের সবার বিরুদ্ধে তারই পরোচনায় সৃষ্ট ঘটনায় মামলা করে ঐ অসহায় পরিবারকে সর্বসান্ত করে দেয়। এ ঘটনার ১নং বিবাদী মোঃ জায়েদ হোসেন জানান, আমার স্ত্রীর সামান্য মানুষিক সমস্যা ছিল। এ সমস্যাকে পুজি করে সে আমার স্ত্রীকে পরোচনা দেয় তার নিজ গায়ে আগুন লাগি দিতে। তার কথা মতো আমার স্ত্রী নিজ গায়ে আগুন দরিয়ে দেয় এবং সে ঢাকার একটি হাসপাতালে মার যায়। ঐ ঘটনায় সে আমার থেকে ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে, আমি না দিতে পারায় সে বাদী হয়ে আমার পুরো পরিবারকে বিবাদী করে হত্যা মামলা দায়ের করে। ঐ মামলা মিথ্যা ও মানোয়াট বলে আদালত আমাদের বেখুছুল খালাস দেয়। এদিকে আরও জানা যায়, এলাকায় বিভিন্ন সময় সে বিভিন্ন অপকর্ম করে বেড়াতো। তারই ছেলে নাইমুল ইসলাম রুবেল ০৪ আগস্ট লক্ষ্ণীপুরের ছাত্র-জনতার উপর গুলিবর্ষণ করে। সরে জমিনে পরিদর্শনে গেলে সাবেক আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল হালিম মাষ্টারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে আপন ভাইদের মারধরসহ নানাবিধ অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগও পাওয়া যায়। এ অনিয়মের কারণে ভবানীগঞ্জ বাজারে তার বিরুদ্ধে ২০০৯ সালে জুতা এবং ২০১০ সালে চৌরাস্তা বাজারে ঝাড়ু মিছলও হয়। এমনকি ভবানীগঞ্জ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাতি থাকার সুভাতে লক্ষ লক্ষ টাকার নিয়োগ বানিজ্য করেছে বলে জানা যায।

জনপ্রিয় সংবাদ

দিঘলিয়ায় মানব পাচার প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান

লক্ষ্মীপুর ভবানীগঞ্জের আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি হালিম মাষ্টার বহু অপকর্মের পরেও বুক পুলিয়ে চলছে এলাকায়।

আপডেট টাইম : ০২:৩৬:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫

লক্ষ্মীপুর সংবাদদাতা, কবির হোসেন রাকিবঃ

লক্ষ্ণীপুর সদর উপজেলার ভবনীগঞ্জ গ্রামের মৃত আব্দুল মতলবের পুত্র আব্দুল হালিম মাষ্টারের বিরুদ্ধে অসহায় নিরীহ মানুষকে মামলা দিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ পুরানো। কমলনগরের জাঙ্গালিয়ার তারই পরোচানায় ও সাজানো হাত্যা মামলায় ভুক্তভোগী অসহায় পরিবার থেকে ১০ লক্ষ টাকা দাবি করে। টাকা না দেওয়ায় ঐ পরিবারের সবার বিরুদ্ধে তারই পরোচনায় সৃষ্ট ঘটনায় মামলা করে ঐ অসহায় পরিবারকে সর্বসান্ত করে দেয়। এ ঘটনার ১নং বিবাদী মোঃ জায়েদ হোসেন জানান, আমার স্ত্রীর সামান্য মানুষিক সমস্যা ছিল। এ সমস্যাকে পুজি করে সে আমার স্ত্রীকে পরোচনা দেয় তার নিজ গায়ে আগুন লাগি দিতে। তার কথা মতো আমার স্ত্রী নিজ গায়ে আগুন দরিয়ে দেয় এবং সে ঢাকার একটি হাসপাতালে মার যায়। ঐ ঘটনায় সে আমার থেকে ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে, আমি না দিতে পারায় সে বাদী হয়ে আমার পুরো পরিবারকে বিবাদী করে হত্যা মামলা দায়ের করে। ঐ মামলা মিথ্যা ও মানোয়াট বলে আদালত আমাদের বেখুছুল খালাস দেয়। এদিকে আরও জানা যায়, এলাকায় বিভিন্ন সময় সে বিভিন্ন অপকর্ম করে বেড়াতো। তারই ছেলে নাইমুল ইসলাম রুবেল ০৪ আগস্ট লক্ষ্ণীপুরের ছাত্র-জনতার উপর গুলিবর্ষণ করে। সরে জমিনে পরিদর্শনে গেলে সাবেক আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল হালিম মাষ্টারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে আপন ভাইদের মারধরসহ নানাবিধ অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগও পাওয়া যায়। এ অনিয়মের কারণে ভবানীগঞ্জ বাজারে তার বিরুদ্ধে ২০০৯ সালে জুতা এবং ২০১০ সালে চৌরাস্তা বাজারে ঝাড়ু মিছলও হয়। এমনকি ভবানীগঞ্জ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাতি থাকার সুভাতে লক্ষ লক্ষ টাকার নিয়োগ বানিজ্য করেছে বলে জানা যায।