০৭:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লক্ষ্মীপুরে মাদ্রাসা শিক্ষককে মারধর ও আড়াই লাখ টাকা লুটের অভিযোগ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৮:৩৫:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৬৭ বার

মাহমুদুর রহমান মনজু, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধিঃ

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে মো. ফারুক হোসেন (৪৫) নামে এক মাদ্রাসা শিক্ষককে মারধর ও আড়াই লাখ টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী ফারুক হোসেন চরশাহী ইউনিয়নের হাজী কালা মিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার আইসিটি বিভাগের শিক্ষক।
ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় চন্দ্রগঞ্জ বাজারের শাহীন হোটেলের সামনে। ঘটনার পর স্থানীয়দের সহায়তায় গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার হলেও থানায় গিয়ে মামলা করতে বাধার মুখে পড়েন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্তরা হলেন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের দেওপাড়া নুরুল হক হাজী বাড়ির আবদুল কুদ্দুসের ছেলে আসিক এবং চরশাহী ইউনিয়নের নুরুল্লাহপুর মোল্লা বাড়ির নুরুল আমিনের ছেলে আবদুল্লাহ আল মামুন শিপন।
ভুক্তভোগী শিক্ষক ফারুক হোসেন জানান, তিনি ঘটনার সময় চন্দ্রগঞ্জ বাজার থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। এসময় তার কাছে নগদ আড়াই লাখ টাকা ছিল। আগে থেকেই ওঁৎ পেতে থাকা আসিক ও শিপনসহ কয়েকজন মিলে মাদ্রাসার সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের কথা উল্লেখ করে তার ওপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে তাকে বেদম মারধর করে টেনেহেঁচড়ে শিপনের এক আত্মীয়ের কনফেকশনারি দোকানে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়। হামলার সুযোগে তার কাছে থাকা নগদ আড়াই লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয় হামলাকারীরা।
তিনি আরও বলেন, তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে পাঠান।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তিন থেকে চারজনের একটি সংঘবদ্ধ চক্র একজন ব্যক্তিকে টানাহেঁচড়া করছিল। ভয়ে কেউ প্রথমে এগিয়ে যেতে না পারলেও লোকজনের উপস্থিতি বাড়লে হামলাকারীরা সটকে পড়ে। পরে আহত ব্যক্তিকে সিএনজি যোগে হাসপাতালে পাঠানো হয় এবং থানায় অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, তিনি চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা করতে গেলে ওসি মামলা গ্রহণ কিংবা তাৎক্ষণিক কোনো ব্যবস্থা নেননি।
এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হলেও তাদের কাউকে পাওয়া যায়নি।
চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদ আলম বলেন, “এ ঘটনায় একটি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

জনপ্রিয় সংবাদ

দিঘলিয়ায় মানব পাচার প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান

লক্ষ্মীপুরে মাদ্রাসা শিক্ষককে মারধর ও আড়াই লাখ টাকা লুটের অভিযোগ

আপডেট টাইম : ০৮:৩৫:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫

মাহমুদুর রহমান মনজু, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধিঃ

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে মো. ফারুক হোসেন (৪৫) নামে এক মাদ্রাসা শিক্ষককে মারধর ও আড়াই লাখ টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী ফারুক হোসেন চরশাহী ইউনিয়নের হাজী কালা মিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার আইসিটি বিভাগের শিক্ষক।
ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় চন্দ্রগঞ্জ বাজারের শাহীন হোটেলের সামনে। ঘটনার পর স্থানীয়দের সহায়তায় গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার হলেও থানায় গিয়ে মামলা করতে বাধার মুখে পড়েন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্তরা হলেন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের দেওপাড়া নুরুল হক হাজী বাড়ির আবদুল কুদ্দুসের ছেলে আসিক এবং চরশাহী ইউনিয়নের নুরুল্লাহপুর মোল্লা বাড়ির নুরুল আমিনের ছেলে আবদুল্লাহ আল মামুন শিপন।
ভুক্তভোগী শিক্ষক ফারুক হোসেন জানান, তিনি ঘটনার সময় চন্দ্রগঞ্জ বাজার থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। এসময় তার কাছে নগদ আড়াই লাখ টাকা ছিল। আগে থেকেই ওঁৎ পেতে থাকা আসিক ও শিপনসহ কয়েকজন মিলে মাদ্রাসার সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের কথা উল্লেখ করে তার ওপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে তাকে বেদম মারধর করে টেনেহেঁচড়ে শিপনের এক আত্মীয়ের কনফেকশনারি দোকানে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়। হামলার সুযোগে তার কাছে থাকা নগদ আড়াই লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয় হামলাকারীরা।
তিনি আরও বলেন, তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে পাঠান।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তিন থেকে চারজনের একটি সংঘবদ্ধ চক্র একজন ব্যক্তিকে টানাহেঁচড়া করছিল। ভয়ে কেউ প্রথমে এগিয়ে যেতে না পারলেও লোকজনের উপস্থিতি বাড়লে হামলাকারীরা সটকে পড়ে। পরে আহত ব্যক্তিকে সিএনজি যোগে হাসপাতালে পাঠানো হয় এবং থানায় অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, তিনি চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা করতে গেলে ওসি মামলা গ্রহণ কিংবা তাৎক্ষণিক কোনো ব্যবস্থা নেননি।
এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হলেও তাদের কাউকে পাওয়া যায়নি।
চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদ আলম বলেন, “এ ঘটনায় একটি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”