১০:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‎নোয়াখালীতে মাদক ব্যবসায়ীর হামলায় শিক্ষার্থী নিহত, আহত ৩

‎নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার দেবীসিংহপুর গ্রামে মাদক ব্যবসায়ীদের হামলায় আরাফাত হোসেন (১৫) নামের এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে দুই কিশোরসহ তিনজন। বুধবার রাত সোয়া ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

‎আরাফাত পার্শ্ববর্তী বেগমগঞ্জ উপজেলার হাজীপুর গ্রামের মোঃ শাহজাহানের ছেলে। পৌর হাজীপুর উচ্চবিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র ছিল সে। সেনবাগে নানাবাড়িতে বেড়াতে এসেছিল আরাফাত।

‎নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিহত আরাফাতের স্বজনেরা অভিযোগ করেন, সেনবাগের নবীপুর এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী হারুন সহ তাঁর সাঙ্গ পাঙ্গরা আরাফাতের নানাবাড়ির উঠান ও চলাচলের পথ ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা করে আসছিল। পাশেই বসানো হতো মাদকের আসর।

‎অভিযোগে স্বজনেরা বলেন, কয়েক দিন আগে আরাফাতের মামা সহ ওই বাড়ির বাসিন্দারা হারুন ও তাঁর লোকজনকে মাদক ব্যবসা না করার জন্য অনুরোধ জানান। কিন্তু অনুরোধ উপেক্ষা করে হারুন ও তাঁর সহযোগীরা বুধবার রাতে একই জায়গায় মাদকের আসর বসান। এ সময় আরাফাতের নানার বাড়ির লোকজন ধাওয়া করলে মাদকসেবীরা পালিয়ে যান।

‎স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পালিয়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর হারুনের নেতৃত্বে তাঁর লোকজন আরাফাতের নানার বাড়িতে হামলা চালান। তাঁরা এ সময় আরাফাত সহ তিনজনকে কুপিয়ে আহত করেন। গুরুতর আহত আরাফাতকে নোয়াখালীর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে রাত পৌনে ১১টার দিকে সে মারা যায়।

‎এ ঘটনায় অভিযুক্ত হারুন নিজেও আহত হন। পরে সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে গেলে পুলিশ সেখান থেকে তাঁকে আটক করেছে। জড়িত অন্যদের আটক করতে অভিযান চালাচ্ছে সেনবাগ থানা পুলিশ।

‎নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন বলেন, মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় এ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। পুলিশ প্রধান অভিযুক্তকে আটক করেছে। জড়িত অন্যদেরও আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

‎নোয়াখালীতে মাদক ব্যবসায়ীর হামলায় শিক্ষার্থী নিহত, আহত ৩

আপডেট টাইম : ০২:০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

‎নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার দেবীসিংহপুর গ্রামে মাদক ব্যবসায়ীদের হামলায় আরাফাত হোসেন (১৫) নামের এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে দুই কিশোরসহ তিনজন। বুধবার রাত সোয়া ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

‎আরাফাত পার্শ্ববর্তী বেগমগঞ্জ উপজেলার হাজীপুর গ্রামের মোঃ শাহজাহানের ছেলে। পৌর হাজীপুর উচ্চবিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র ছিল সে। সেনবাগে নানাবাড়িতে বেড়াতে এসেছিল আরাফাত।

‎নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিহত আরাফাতের স্বজনেরা অভিযোগ করেন, সেনবাগের নবীপুর এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী হারুন সহ তাঁর সাঙ্গ পাঙ্গরা আরাফাতের নানাবাড়ির উঠান ও চলাচলের পথ ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা করে আসছিল। পাশেই বসানো হতো মাদকের আসর।

‎অভিযোগে স্বজনেরা বলেন, কয়েক দিন আগে আরাফাতের মামা সহ ওই বাড়ির বাসিন্দারা হারুন ও তাঁর লোকজনকে মাদক ব্যবসা না করার জন্য অনুরোধ জানান। কিন্তু অনুরোধ উপেক্ষা করে হারুন ও তাঁর সহযোগীরা বুধবার রাতে একই জায়গায় মাদকের আসর বসান। এ সময় আরাফাতের নানার বাড়ির লোকজন ধাওয়া করলে মাদকসেবীরা পালিয়ে যান।

‎স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পালিয়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর হারুনের নেতৃত্বে তাঁর লোকজন আরাফাতের নানার বাড়িতে হামলা চালান। তাঁরা এ সময় আরাফাত সহ তিনজনকে কুপিয়ে আহত করেন। গুরুতর আহত আরাফাতকে নোয়াখালীর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে রাত পৌনে ১১টার দিকে সে মারা যায়।

‎এ ঘটনায় অভিযুক্ত হারুন নিজেও আহত হন। পরে সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে গেলে পুলিশ সেখান থেকে তাঁকে আটক করেছে। জড়িত অন্যদের আটক করতে অভিযান চালাচ্ছে সেনবাগ থানা পুলিশ।

‎নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন বলেন, মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় এ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। পুলিশ প্রধান অভিযুক্তকে আটক করেছে। জড়িত অন্যদেরও আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।