দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার ৩ নম্বর খানপুর ইউনিয়নের দিঘলচাঁদ গ্রামের লালঘাট–আশুড়ার বিলের ওপর নির্মিত প্রায় ২১০ ফুট দীর্ঘ বাঁশের সাঁকোটি ভারী বৃষ্টির পানির প্রবল স্রোতে ভেসে যাওয়ায় প্রায় ১৫টি গ্রামের মানুষের চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। এতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েন স্কুলগামী শিক্ষার্থী, কৃষক, শ্রমিক, ব্যবসায়ী এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজে যাতায়াতকারী সাধারণ মানুষ।
এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নেন বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. তানজিনা খাতুন। তিনি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেন, যাতে এলাকাবাসীর পারাপারে দীর্ঘস্থায়ী দুর্ভোগ সৃষ্টি না হয়।
ইউএনওর তাৎক্ষণিক নির্দেশনায় খানপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান চিত্তরঞ্জন পাহান-এর তত্ত্বাবধানে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁশের সাঁকোটি পুনর্নির্মাণের কাজ দ্রুত শুরু হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, প্রশাসনের এমন দ্রুত ও কার্যকর উদ্যোগে তারা স্বস্তি ফিরে পেয়েছেন এবং সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
স্থানীয়দের মতে, সাঁকোটি চালু হলে ধানজুড়ি মিশন স্কুলের শিক্ষার্থীসহ আশপাশের প্রায় ১৫টি গ্রামের মানুষের স্বাভাবিক চলাচল পুনরায় নিশ্চিত হবে। পাশাপাশি কৃষিপণ্য পরিবহন, কর্মজীবী মানুষের যাতায়াত এবং দৈনন্দিন জীবনযাত্রাও স্বাভাবিক হয়ে উঠবে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. তানজিনা খাতুন বলেন, “জনদুর্ভোগ লাঘব করাই আমাদের অগ্রাধিকার। মানুষের চলাচলে যাতে কোনো ধরনের বিঘ্ন না ঘটে, সে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।”
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, প্রশাসনের এই মানবিক ও সময়োপযোগী উদ্যোগের মাধ্যমে খুব দ্রুত সাঁকোর নির্মাণকাজ সম্পন্ন হবে এবং দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটবে।
মোঃ ইব্রাহিম মিঞা, দিনাজপুর প্রতিনিধি 


















