১০:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাঘাটায় কৃষকদের জন্য ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৫২:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
  • ১৪ বার

সাইফুল ইসলাম তুহিন, স্টাফ রিপোর্টার ঃ

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় পরিবেশবান্ধব কৃষি সম্প্রসারণ এবং মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে কৃষকদের নিয়ে ভার্মি কম্পোস্ট (কেঁচো সার) উৎপাদন ও ব্যবহার বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) উপজেলার বোনারপাড়া এলাকায় আয়োজিত এ প্রশিক্ষণে বিভিন্ন গ্রামের কৃষক-কৃষাণীরা অংশগ্রহণ করেন।

প্রশিক্ষণে বক্তারা বলেন, অতিরিক্ত রাসায়নিক সারের ব্যবহারে মাটির স্বাভাবিক উর্বরতা ও জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে জৈব পদ্ধতিতে উৎপাদিত ভার্মি কম্পোস্ট কৃষির জন্য একটি কার্যকর ও টেকসই সমাধান। গৃহস্থালির জৈব বর্জ্য, গবাদিপশুর গোবর ও অন্যান্য জৈব উপাদান ব্যবহার করে সহজেই এ সার উৎপাদন করা সম্ভব, যা ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং মাটির গুণগত মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন সাঘাটা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আশরাফুল ইসলাম এবং উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. হাসানুর রহমান। তারা হাতে-কলমে ভার্মি কম্পোস্ট তৈরির বিভিন্ন ধাপ, কেঁচো ব্যবস্থাপনা, সার সংরক্ষণ এবং মাঠপর্যায়ে এর ব্যবহার সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এলাকা ব্যবস্থাপক (দাবি) মো. জিয়াউর রহমান, এলাকা ব্যবস্থাপক (দাবি) মো. ছানোয়ার হোসেন, শাখা ব্যবস্থাপক মো. নাজিমুদ্দিন এবং সহকারী শাখা ব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কৃষি ও বীমা ইউনিট সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. গোলাম সাকলাইন। এছাড়াও ব্র্যাকের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচির মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা, কৃষি উদ্যোক্তা এবং স্থানীয় উপকারভোগীরা অংশগ্রহণ করেন।

বক্তারা আরও বলেন, ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদন শুধু কৃষি উৎপাদন ব্যয় কমায় না, বরং এটি গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জন্য একটি সম্ভাবনাময় ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা কার্যক্রম হিসেবেও গড়ে উঠতে পারে। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কৃষকরা নিজ নিজ এলাকায় এ প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিলে পরিবেশবান্ধব কৃষি চর্চা আরও বিস্তৃত হবে এবং নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীরা ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদনের কৌশল সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং নিজেদের খামার ও কৃষিজমিতে এ পদ্ধতি প্রয়োগের আগ্রহ ব্যক্ত করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

সাঘাটায় কৃষকদের জন্য ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

আপডেট টাইম : ১২:৫২:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

সাইফুল ইসলাম তুহিন, স্টাফ রিপোর্টার ঃ

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় পরিবেশবান্ধব কৃষি সম্প্রসারণ এবং মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে কৃষকদের নিয়ে ভার্মি কম্পোস্ট (কেঁচো সার) উৎপাদন ও ব্যবহার বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) উপজেলার বোনারপাড়া এলাকায় আয়োজিত এ প্রশিক্ষণে বিভিন্ন গ্রামের কৃষক-কৃষাণীরা অংশগ্রহণ করেন।

প্রশিক্ষণে বক্তারা বলেন, অতিরিক্ত রাসায়নিক সারের ব্যবহারে মাটির স্বাভাবিক উর্বরতা ও জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে জৈব পদ্ধতিতে উৎপাদিত ভার্মি কম্পোস্ট কৃষির জন্য একটি কার্যকর ও টেকসই সমাধান। গৃহস্থালির জৈব বর্জ্য, গবাদিপশুর গোবর ও অন্যান্য জৈব উপাদান ব্যবহার করে সহজেই এ সার উৎপাদন করা সম্ভব, যা ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং মাটির গুণগত মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন সাঘাটা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আশরাফুল ইসলাম এবং উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. হাসানুর রহমান। তারা হাতে-কলমে ভার্মি কম্পোস্ট তৈরির বিভিন্ন ধাপ, কেঁচো ব্যবস্থাপনা, সার সংরক্ষণ এবং মাঠপর্যায়ে এর ব্যবহার সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এলাকা ব্যবস্থাপক (দাবি) মো. জিয়াউর রহমান, এলাকা ব্যবস্থাপক (দাবি) মো. ছানোয়ার হোসেন, শাখা ব্যবস্থাপক মো. নাজিমুদ্দিন এবং সহকারী শাখা ব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কৃষি ও বীমা ইউনিট সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. গোলাম সাকলাইন। এছাড়াও ব্র্যাকের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচির মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা, কৃষি উদ্যোক্তা এবং স্থানীয় উপকারভোগীরা অংশগ্রহণ করেন।

বক্তারা আরও বলেন, ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদন শুধু কৃষি উৎপাদন ব্যয় কমায় না, বরং এটি গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জন্য একটি সম্ভাবনাময় ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা কার্যক্রম হিসেবেও গড়ে উঠতে পারে। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কৃষকরা নিজ নিজ এলাকায় এ প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিলে পরিবেশবান্ধব কৃষি চর্চা আরও বিস্তৃত হবে এবং নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীরা ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদনের কৌশল সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং নিজেদের খামার ও কৃষিজমিতে এ পদ্ধতি প্রয়োগের আগ্রহ ব্যক্ত করেন।