১০:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পারিবারিক কলহের জেরে গৃহবধূর আত্মহত্যা: ‎লাশ উদ্দার করেন পুলিশ।

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০২:৪০:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬
  • ৪৪ বার

মোঃ ইকবাল মোরশেদ::- স্টাফ রিপোর্টার।

কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রামে উপজেলা এলাকায় প্রেমের বিয়ের ৫ মাসের মাথায় জীবন দিলেন মিতু আক্তার(২৫) নামে এক নারী। নিহত মিতু মুরাদনগর উপজেলার গোয়াশাল গ্রামের কবির হোসেন এর মেয়ে । সোমবার (৬ই জুলাই) দুপুরে উপজেলার উজিরপুর ইউনিয়নের সামুকসার গ্রামের ভাড়া বাসার দরজা ভেঙ্গে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় স্বামী আনোয়ার হোসেন পালিয়ে গেছেন । আনোয়ার একই ইউনিয়নের সমেশপুর গ্রামের মোঃ ফরিদ উদ্দিনের ছেলে।

‎তথ্যটি নিশ্চিত করে থানার এসআই লিটন চাকমা তিনি বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থল যাই তখন দরজা ভেঙ্গে নারীর মরদেহ উদ্ধার করি।
প্রাথমিক সুরতহাল তৈরী করে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হবে। প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা বলে মনে হচ্ছে।

‎মিতুর ভাই নিহাদ জানায়, স্থানীয় একটি বিস্কুট কারখানায় কাজের সুবাধে আব্বাসহ আমরা চৌদ্দগ্রামের সামুকসার এলাকায় দুই বছর বসবাস করছিলাম। গত জুন মাসে আমরা এখান থেকে মুরাদনগর চলে যাই। এখানে থাকাকালীন স্থানীয় আনোয়ারের সাথে আমার বোনের প্রেমের সম্পর্ক হয়। এরপর তারা বিয়ে করে। বোনের বিয়ের পর বোন জামাইয়ের পরিবারের সাথে আমাদের পরিবারের মনোমালিন্য সৃষ্টি হলে আমরা এখান থেকে চলে যাই। আজকে (সোমবার) দুপুরে বোনের মৃত্যুর খবর পাই।

বাসার মালিক সামুকসার গ্রামেরমোঃ নজির আহম্মেদ বলেন, আনোয়ার মিয়া তার স্ত্রীকে নিয়ে গত মাসে আমার বাসায় ভাড়ায় উঠে। গত রাতে আমি নাইট ডিউটি করে বাসায় এসে ঘুমিয়ে পড়ি। সকাল সাড়ে আটটার দিকে ভাড়াটিয়া আনোয়ার এসে আমাকে ডাকাডাকি করে বলে তার বউ দরজা খুলছেনা। এরপর খবর দিলে পুলিশ এসে দরজা ভেঙ্গে মেঝেতে পড়া অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

পারিবারিক কলহের জেরে গৃহবধূর আত্মহত্যা: ‎লাশ উদ্দার করেন পুলিশ।

আপডেট টাইম : ০২:৪০:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

মোঃ ইকবাল মোরশেদ::- স্টাফ রিপোর্টার।

কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রামে উপজেলা এলাকায় প্রেমের বিয়ের ৫ মাসের মাথায় জীবন দিলেন মিতু আক্তার(২৫) নামে এক নারী। নিহত মিতু মুরাদনগর উপজেলার গোয়াশাল গ্রামের কবির হোসেন এর মেয়ে । সোমবার (৬ই জুলাই) দুপুরে উপজেলার উজিরপুর ইউনিয়নের সামুকসার গ্রামের ভাড়া বাসার দরজা ভেঙ্গে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় স্বামী আনোয়ার হোসেন পালিয়ে গেছেন । আনোয়ার একই ইউনিয়নের সমেশপুর গ্রামের মোঃ ফরিদ উদ্দিনের ছেলে।

‎তথ্যটি নিশ্চিত করে থানার এসআই লিটন চাকমা তিনি বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থল যাই তখন দরজা ভেঙ্গে নারীর মরদেহ উদ্ধার করি।
প্রাথমিক সুরতহাল তৈরী করে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হবে। প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা বলে মনে হচ্ছে।

‎মিতুর ভাই নিহাদ জানায়, স্থানীয় একটি বিস্কুট কারখানায় কাজের সুবাধে আব্বাসহ আমরা চৌদ্দগ্রামের সামুকসার এলাকায় দুই বছর বসবাস করছিলাম। গত জুন মাসে আমরা এখান থেকে মুরাদনগর চলে যাই। এখানে থাকাকালীন স্থানীয় আনোয়ারের সাথে আমার বোনের প্রেমের সম্পর্ক হয়। এরপর তারা বিয়ে করে। বোনের বিয়ের পর বোন জামাইয়ের পরিবারের সাথে আমাদের পরিবারের মনোমালিন্য সৃষ্টি হলে আমরা এখান থেকে চলে যাই। আজকে (সোমবার) দুপুরে বোনের মৃত্যুর খবর পাই।

বাসার মালিক সামুকসার গ্রামেরমোঃ নজির আহম্মেদ বলেন, আনোয়ার মিয়া তার স্ত্রীকে নিয়ে গত মাসে আমার বাসায় ভাড়ায় উঠে। গত রাতে আমি নাইট ডিউটি করে বাসায় এসে ঘুমিয়ে পড়ি। সকাল সাড়ে আটটার দিকে ভাড়াটিয়া আনোয়ার এসে আমাকে ডাকাডাকি করে বলে তার বউ দরজা খুলছেনা। এরপর খবর দিলে পুলিশ এসে দরজা ভেঙ্গে মেঝেতে পড়া অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে।