১১:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে ভেড়িবাঁধের ওপর অবৈধ ভাবে বসানো নাইনটি পাইপ অপসারণ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০১:৫৫:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬
  • ৪৬ বার

সৈয়দ আব্দুস সালাম পান্না, সাতক্ষীরা।

সাতক্ষীরার শ্যামনগর গাবুরায় ভেড়িবাঁধের ওপর অবৈধ ভাবে বসানো লোনা পানি উঠানেোর নাইনটি পাইপ চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে অপসারণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকাল থেকে শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নে মেঘা প্রকল্পের নবনির্মিত ভেড়িবাঁধ রক্ষা ও জনস্বার্থে স্থানীয়দের সহযোগিতায় এ উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বাঁধের ওপর মৎস্যঘের ব্যবসায়ীদের অবৈধভাবে স্থাপিত ক্ষতিকর ‘নাইনটি’ (লবণ পানি নিষ্কাশন ও উত্তোলনের পাইপ) অপসারণ করা হয়।

শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জি. এম. মাছুদুল আলম জানান, উপকূলীয় অঞ্চলের সুরক্ষায় সরকারের মেগা প্রকল্পের আওতায় নির্মিত টেকসই ভেড়িবাঁধের ওপর দিয়ে কিছু মৎস্যঘের মালিক অবৈধভাবে ‘নাইনটি’ পাইপ স্থাপন করে আসছিলেন।

তিনি আর ও বলেন, কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই বাঁধটি চরম ঝুঁকিতে পড়েছিল। নদী ভাঙন ও পরিবেশ বিপর্যয়ের হাত থেকে এলাকাকে রক্ষা করতে এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে ভেড়িবাঁধের ওপর অবৈধ ভাবে বসানো নাইনটি পাইপ অপসারণ

আপডেট টাইম : ০১:৫৫:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

সৈয়দ আব্দুস সালাম পান্না, সাতক্ষীরা।

সাতক্ষীরার শ্যামনগর গাবুরায় ভেড়িবাঁধের ওপর অবৈধ ভাবে বসানো লোনা পানি উঠানেোর নাইনটি পাইপ চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে অপসারণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকাল থেকে শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নে মেঘা প্রকল্পের নবনির্মিত ভেড়িবাঁধ রক্ষা ও জনস্বার্থে স্থানীয়দের সহযোগিতায় এ উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বাঁধের ওপর মৎস্যঘের ব্যবসায়ীদের অবৈধভাবে স্থাপিত ক্ষতিকর ‘নাইনটি’ (লবণ পানি নিষ্কাশন ও উত্তোলনের পাইপ) অপসারণ করা হয়।

শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জি. এম. মাছুদুল আলম জানান, উপকূলীয় অঞ্চলের সুরক্ষায় সরকারের মেগা প্রকল্পের আওতায় নির্মিত টেকসই ভেড়িবাঁধের ওপর দিয়ে কিছু মৎস্যঘের মালিক অবৈধভাবে ‘নাইনটি’ পাইপ স্থাপন করে আসছিলেন।

তিনি আর ও বলেন, কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই বাঁধটি চরম ঝুঁকিতে পড়েছিল। নদী ভাঙন ও পরিবেশ বিপর্যয়ের হাত থেকে এলাকাকে রক্ষা করতে এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।