১০:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেরপুরের চেল্লাখালী নদীর ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক মিজ্ ফরিদা ইয়াসমিন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:১৯:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
  • ৫৫ বার

মাহফুজুর রহমান সাইমন শেরপুর :

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার গোল্লারপাড় এলাকায় চেল্লাখালী নদীর ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত নালিতাবাড়ী-গাজীরখামার (শেরপুর) সড়ক পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক মিজ্ ফরিদা ইয়াসমিন।

আজ শনিবার পরিদর্শনকালে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত স্থান ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুদীপ্ত চৌধুরী, নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল মালেক, এলজিইডির উপসহকারী প্রকৌশলী, কলসপাড় ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ।

পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক জানান, ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রায় ৫০০টি জিওব্যাগ ফেলে জরুরি কাজ শুরু করবে। পাশাপাশি নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করতে সংযোগ খাল খনন, বন্ধ হয়ে থাকা কালভার্ট খুলে দেওয়াসহ প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

তিনি আরও নির্দেশনা প্রদান করেন যে, ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক রক্ষায় আপদকালীন ব্যবস্থা দ্রুত বাস্তবায়নের পাশাপাশি মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে সড়কটির টেকসই সংস্কার ও পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে যাতে ভবিষ্যতে নদীভাঙনের কারণে জনদুর্ভোগ কমিয়ে নিরাপদ ও টেকসই যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা যায়।

জনপ্রিয় সংবাদ

পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

শেরপুরের চেল্লাখালী নদীর ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক মিজ্ ফরিদা ইয়াসমিন

আপডেট টাইম : ০৪:১৯:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

মাহফুজুর রহমান সাইমন শেরপুর :

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার গোল্লারপাড় এলাকায় চেল্লাখালী নদীর ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত নালিতাবাড়ী-গাজীরখামার (শেরপুর) সড়ক পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক মিজ্ ফরিদা ইয়াসমিন।

আজ শনিবার পরিদর্শনকালে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত স্থান ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুদীপ্ত চৌধুরী, নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল মালেক, এলজিইডির উপসহকারী প্রকৌশলী, কলসপাড় ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ।

পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক জানান, ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রায় ৫০০টি জিওব্যাগ ফেলে জরুরি কাজ শুরু করবে। পাশাপাশি নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করতে সংযোগ খাল খনন, বন্ধ হয়ে থাকা কালভার্ট খুলে দেওয়াসহ প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

তিনি আরও নির্দেশনা প্রদান করেন যে, ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক রক্ষায় আপদকালীন ব্যবস্থা দ্রুত বাস্তবায়নের পাশাপাশি মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে সড়কটির টেকসই সংস্কার ও পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে যাতে ভবিষ্যতে নদীভাঙনের কারণে জনদুর্ভোগ কমিয়ে নিরাপদ ও টেকসই যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা যায়।