০৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ খালেদা জিয়ার

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত গণহত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আদালতের কার্যক্রম বিভিন্ন গণমাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচারিত হয়েছে। বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া টিভিতে তা দেখেছেন। রায়ে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। আশা করছেন আদালতের রায় বাস্তবায়ন হবে। বিগত ১৭ বছর সরকার যে গুম, খুন করেছেন তার শিকার পরিবারগুলোর আত্মা শান্তি পাবে। সোমবার দেশ রূপান্তরকে এসব কথা জানিয়েছেন বিএনপির এক জ্যেষ্ঠ নেতা।

তিনি বলেন, ‘ম্যাডাম (খালেদা জিয়া) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায় টিভিতে দেখেছেন এবং স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। জুলাই বিপ্লবে শহীদদের মামলায় শহীদরা ন্যায়বিচার পেয়েছেন। আদালতের রায়ে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা হয়েছে। তার সঙ্গে এতোদিন যে অন্যায় করা হয়েছে তার বিচার তিনি মহান আল্লাহ ওপর ছেড়ে দিয়েছেন।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপি চেয়ারপারসনের একান্ত সহকারী এবিএম আব্দুস সাত্তার দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আমি এখনও ম্যাডামের বাসায় যাইনি। তবে টেলিভিশনে যেহেতু লাইভ সম্প্রচার হয়েছে নিশ্চয়ই চেয়ারপারসন তা দেখেছেন।’

এর আগে গতকাল বেলা ২টা ৫০ মিনিটে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা করেন।

ট্রাইব্যুনালের বাকি সদস্যরা হলেন, বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। রায় ঘোষণার সময় জনাকীর্ণ আদালতে আইনজীবীরা ছাড়াও জুলাই অগাস্টে নিহতদের কয়েকজনের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ খালেদা জিয়ার

আপডেট টাইম : ১২:২২:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত গণহত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আদালতের কার্যক্রম বিভিন্ন গণমাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচারিত হয়েছে। বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া টিভিতে তা দেখেছেন। রায়ে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। আশা করছেন আদালতের রায় বাস্তবায়ন হবে। বিগত ১৭ বছর সরকার যে গুম, খুন করেছেন তার শিকার পরিবারগুলোর আত্মা শান্তি পাবে। সোমবার দেশ রূপান্তরকে এসব কথা জানিয়েছেন বিএনপির এক জ্যেষ্ঠ নেতা।

তিনি বলেন, ‘ম্যাডাম (খালেদা জিয়া) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায় টিভিতে দেখেছেন এবং স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। জুলাই বিপ্লবে শহীদদের মামলায় শহীদরা ন্যায়বিচার পেয়েছেন। আদালতের রায়ে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা হয়েছে। তার সঙ্গে এতোদিন যে অন্যায় করা হয়েছে তার বিচার তিনি মহান আল্লাহ ওপর ছেড়ে দিয়েছেন।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপি চেয়ারপারসনের একান্ত সহকারী এবিএম আব্দুস সাত্তার দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আমি এখনও ম্যাডামের বাসায় যাইনি। তবে টেলিভিশনে যেহেতু লাইভ সম্প্রচার হয়েছে নিশ্চয়ই চেয়ারপারসন তা দেখেছেন।’

এর আগে গতকাল বেলা ২টা ৫০ মিনিটে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা করেন।

ট্রাইব্যুনালের বাকি সদস্যরা হলেন, বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। রায় ঘোষণার সময় জনাকীর্ণ আদালতে আইনজীবীরা ছাড়াও জুলাই অগাস্টে নিহতদের কয়েকজনের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।