০১:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চন্দ্রগঞ্জে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনায় পেশাদার ‘বাশার ডাকাত’সহ তিনজন গ্রেফতার

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:৫৯:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৩৪ বার

মাহমুদুর রহমান মনজু , লক্ষ্মীপুর:

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জের চরশাহী এলাকায় সংঘটিত দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনায় প্রধান তিন আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে লুন্ঠিত মালামাল, একটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র ও নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ বলছে, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে আবুল বাশার ওরফে ‘বাশার ডাকাত’ একজন পেশাদার ডাকাত এবং তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাতে প্রেস রিলিজের মাধ্যমে চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশ এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন: চরশাহী ইউনিয়নের হাকিম মাস্টার বাড়ির সুজা মিয়ার ছেলে বাদশা মিয়া (৩৫), একই ইউনিয়নের ছেলামত উল্ল্যাহ বাড়ির আবুল কাশেমের ছেলে আলা উদ্দিন (৩২) ও নোয়াখালী জেলার ছয়ানী ইউনিয়নের ভবানী জীবনপুর গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে আবুল বাশার (৫০)।

পুলিশ জানায়, গেলো ৮ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) দিবাগত রাতে চন্দ্রগঞ্জ থানার চরশাহী ইউনিয়নের দক্ষিণ পূর্ব তিতারকান্দি এলাকার আরব আলী মোল্লা বাড়িতে ১০/১২ জনের একদল অজ্ঞাতনামা ডাকাত হানা দেয়। তারা বাড়ির লোকজনকে চেতনানাশক কোনো দ্রব্য ব্যবহার করে অচেতন করে নগদ ৬৪ হাজার টাকা, ১১ আনা ওজনের স্বর্ণালংকার এবং ৬টি মোবাইল ফোন লুট করে নিয়ে যায়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ডাকাতির ঘটনায় জড়িত তিন আসামিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এসময় তাদের জিজ্ঞাসাবাদে আসামি আবুল বাশারের দেয়া তথ্য মতে পলাতক আসামি রাসেলের বসতঘর থেকে নগদ ২০ হাজার টাকা এবং জনৈক রণজিৎ কুরির কারিগরি কারখানা থেকে লুন্ঠিত স্বর্ণের গলানো ৬ আনা ৪ রতি ৭ পয়েন্ট ৪ গ্রাম ৯৫ মি.গ্র স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। পরে বাশারের স্বীকারোক্তিতে জায়েদ ওরফে জাহিদ ওরফে জাহেদের (৩২) বসতঘর তল্লাশি করে একটি অবৈধ দেশীয় এলজি বন্দুক এবং নগদ ১ লাখ ৯৮ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। এই অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু হয়েছে।

চন্দ্রগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মোরশেদ আলম জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায় এবং তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে। তিনি বলেন, আসামিরা পেশাদার ডাকাত এবং ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য। অন্যান্য পলাতক আসামিদের শনাক্তপূর্বক গ্রেফতার এবং লুন্ঠিত বাকি মালামাল উদ্ধারের লক্ষ্যে অভিযান অব্যাহত আছে বলেও জানান ওসি।

জনপ্রিয় সংবাদ

পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

চন্দ্রগঞ্জে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনায় পেশাদার ‘বাশার ডাকাত’সহ তিনজন গ্রেফতার

আপডেট টাইম : ০৪:৫৯:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

মাহমুদুর রহমান মনজু , লক্ষ্মীপুর:

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জের চরশাহী এলাকায় সংঘটিত দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনায় প্রধান তিন আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে লুন্ঠিত মালামাল, একটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র ও নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ বলছে, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে আবুল বাশার ওরফে ‘বাশার ডাকাত’ একজন পেশাদার ডাকাত এবং তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাতে প্রেস রিলিজের মাধ্যমে চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশ এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন: চরশাহী ইউনিয়নের হাকিম মাস্টার বাড়ির সুজা মিয়ার ছেলে বাদশা মিয়া (৩৫), একই ইউনিয়নের ছেলামত উল্ল্যাহ বাড়ির আবুল কাশেমের ছেলে আলা উদ্দিন (৩২) ও নোয়াখালী জেলার ছয়ানী ইউনিয়নের ভবানী জীবনপুর গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে আবুল বাশার (৫০)।

পুলিশ জানায়, গেলো ৮ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) দিবাগত রাতে চন্দ্রগঞ্জ থানার চরশাহী ইউনিয়নের দক্ষিণ পূর্ব তিতারকান্দি এলাকার আরব আলী মোল্লা বাড়িতে ১০/১২ জনের একদল অজ্ঞাতনামা ডাকাত হানা দেয়। তারা বাড়ির লোকজনকে চেতনানাশক কোনো দ্রব্য ব্যবহার করে অচেতন করে নগদ ৬৪ হাজার টাকা, ১১ আনা ওজনের স্বর্ণালংকার এবং ৬টি মোবাইল ফোন লুট করে নিয়ে যায়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ডাকাতির ঘটনায় জড়িত তিন আসামিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এসময় তাদের জিজ্ঞাসাবাদে আসামি আবুল বাশারের দেয়া তথ্য মতে পলাতক আসামি রাসেলের বসতঘর থেকে নগদ ২০ হাজার টাকা এবং জনৈক রণজিৎ কুরির কারিগরি কারখানা থেকে লুন্ঠিত স্বর্ণের গলানো ৬ আনা ৪ রতি ৭ পয়েন্ট ৪ গ্রাম ৯৫ মি.গ্র স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। পরে বাশারের স্বীকারোক্তিতে জায়েদ ওরফে জাহিদ ওরফে জাহেদের (৩২) বসতঘর তল্লাশি করে একটি অবৈধ দেশীয় এলজি বন্দুক এবং নগদ ১ লাখ ৯৮ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। এই অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু হয়েছে।

চন্দ্রগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মোরশেদ আলম জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায় এবং তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে। তিনি বলেন, আসামিরা পেশাদার ডাকাত এবং ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য। অন্যান্য পলাতক আসামিদের শনাক্তপূর্বক গ্রেফতার এবং লুন্ঠিত বাকি মালামাল উদ্ধারের লক্ষ্যে অভিযান অব্যাহত আছে বলেও জানান ওসি।