০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লাকসামে বিয়ের প্রলোভনে যুবতীকে ধর্ষণের অভিযোগ প্রেমিকসহ চার জনের বিরুদ্ধে মামলা

কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলায় বিয়ের প্রলোভনে এক যুবতীকে ধর্ষণের অভিযোগে

প্রেমিকসহ চার জনের বিরুদ্ধে লাকসাম মামলা হয়।
জানাযায় কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলার উত্তরদা ইউনিয়নের ঠেঙ্গারপাড় গ্রামের মৃত গাজীউল হক এর ছেলে মোঃ সোহেল রানার বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক যুবতীকে ধর্ষণের অভিযোগে প্রেমিকসহ চার জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ২০ বছর বয়সী এক যুবতীকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে গত ১৭ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে ভুক্তভোগী নিজেই বাদী হয়ে কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলাটি দায়ের করেন। আদালতের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বাদীর মেডিকেল পরীক্ষা-নিরীক্ষাসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, লাকসাম বাজারে প্রধান আসামির একটি কসমেটিক্স দোকানে যাতায়াতের সূত্র ধরে বাদীর সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা মজুমদার বাদীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন। পরবর্তীতে সেসব ছবি ও ভিডিও দেখিয়ে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়।
ভুক্তভোগী আরও উল্লেখ করেন, ধর্ষণের ফলে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে আসামি সোহেল রানা তার অজান্তে ঔষধ সেবন করিয়ে গর্ভপাত ঘটান। বিষয়টি নিয়ে সামাজিকভাবে সালিশ দরবার বসলে আসামিপক্ষ বিবাহ করবে বলে স্বীকার করলেও পরবর্তীতে তা বাস্তবায়ন না করে আত্মগোপন করেন। পরে বিয়ের প্রতিশ্রুতি অস্বীকার করলে বাধ্য হয়ে তিনি আইনের আশ্রয় নেন।
মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা মজুমদারের পাশাপাশি তার মা রানী বেগম এবং একই বাড়ির রাজ্জাক মজুমদারের ছেলে মোঃ সায়েদুল হক, আমিনুল হকের ছেলে মোঃ রনি ও সামছুল হকের ছেলে মোঃ শহীদ সহ মোট পাঁচজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সোহেল রানা মজুমদার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল, এর বাইরে কিছুই নয়। আমার মান-সম্মান ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।”

জনপ্রিয় সংবাদ

পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

লাকসামে বিয়ের প্রলোভনে যুবতীকে ধর্ষণের অভিযোগ প্রেমিকসহ চার জনের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট টাইম : ১২:০৮:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলায় বিয়ের প্রলোভনে এক যুবতীকে ধর্ষণের অভিযোগে

প্রেমিকসহ চার জনের বিরুদ্ধে লাকসাম মামলা হয়।
জানাযায় কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলার উত্তরদা ইউনিয়নের ঠেঙ্গারপাড় গ্রামের মৃত গাজীউল হক এর ছেলে মোঃ সোহেল রানার বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক যুবতীকে ধর্ষণের অভিযোগে প্রেমিকসহ চার জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ২০ বছর বয়সী এক যুবতীকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে গত ১৭ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে ভুক্তভোগী নিজেই বাদী হয়ে কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলাটি দায়ের করেন। আদালতের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বাদীর মেডিকেল পরীক্ষা-নিরীক্ষাসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, লাকসাম বাজারে প্রধান আসামির একটি কসমেটিক্স দোকানে যাতায়াতের সূত্র ধরে বাদীর সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা মজুমদার বাদীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন। পরবর্তীতে সেসব ছবি ও ভিডিও দেখিয়ে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়।
ভুক্তভোগী আরও উল্লেখ করেন, ধর্ষণের ফলে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে আসামি সোহেল রানা তার অজান্তে ঔষধ সেবন করিয়ে গর্ভপাত ঘটান। বিষয়টি নিয়ে সামাজিকভাবে সালিশ দরবার বসলে আসামিপক্ষ বিবাহ করবে বলে স্বীকার করলেও পরবর্তীতে তা বাস্তবায়ন না করে আত্মগোপন করেন। পরে বিয়ের প্রতিশ্রুতি অস্বীকার করলে বাধ্য হয়ে তিনি আইনের আশ্রয় নেন।
মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা মজুমদারের পাশাপাশি তার মা রানী বেগম এবং একই বাড়ির রাজ্জাক মজুমদারের ছেলে মোঃ সায়েদুল হক, আমিনুল হকের ছেলে মোঃ রনি ও সামছুল হকের ছেলে মোঃ শহীদ সহ মোট পাঁচজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সোহেল রানা মজুমদার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল, এর বাইরে কিছুই নয়। আমার মান-সম্মান ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।”