০৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সলঙ্গার নাইমুড়ী-রুয়াপাড়া মাদ্রাসার তাফসীরুল কোরআন মাহফিল অনুষ্ঠিত

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৩:০৮:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৯৮ বার

সাহেদ আলী,সিরাজগঞ্জ :

দ্বীনি শিক্ষার নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান সলঙ্গার নাইমুড়ী-রুয়াপাড়া কওমিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার উন্নতিকল্পে গতকাল রাতে নাইমুড়ী-রুয়াপাড়া সম্মিলিত কবরস্থান মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে ৩১তম তাফসীরুল কোরআন মাহফিল।
আলহাজ্ব মীর মো. আব্দুল খালেকের সভাপতিত্বে মাহফিলের কার্যক্রম শুরু হয়।এলাকার বিপুল সংখ্যক ধর্মপ্রাণ নারী-পুরুষ এ জালসায় দেশ বরেণ্য বক্তাদের কোরআন ও হাদিসের আলোচনা শুনতে অংশগ্রহণ করেন। মাদ্রাসার উন্নয়নের লক্ষ্যে উপস্থিত মুসল্লিরা নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী দান করেন।
পবিত্র কোরআনের হাফেজ হওয়া শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়,বরং একটি পরিবার,একটি সমাজ ও একটি জাতির জন্য গৌরবের বিষয়। যারা কোরআন মুখস্থ করেন,তারা কোরআনের জীবন্ত ধারক ও বাহক। তাদের মাধ্যমে কোরআন প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে সুরক্ষিত থাকে। তাই হাফেজদের সম্মান করা মানেই কোরআনের সম্মান করা।
এ মাহফিলে মাদ্রাসার ৭ জন পূর্ণ হাফেজকে সম্মানী পাগড়ী প্রদান করা হয়।পাগড়ী বিতরণ অনুষ্ঠানে হাফেজদের সম্মানিত পিতাগণ উপস্থিত ছিলেন।সন্তানদের এই সাফল্য দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন পিতারা। সন্তান হাফেজ হওয়ায় শুধু পিতা মাতাই খুশি নন,উপস্থিত ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা সবাই খুসি ও আনন্দিত।
সম্মানিত পাগড়ীপ্রাপ্ত হাফেজরা হলেন- নাইমুড়ী দক্ষিণপাড়ার ইসমাইল হোসেনের ছেলে নাঈম হাসান,নাইমুড়ী মধ্যপাড়ার নজরুল ইসলামের ছেলে কাউছার ইসলাম,নাইমুড়ী মধ্যপাড়ার খলিল তালুকদারের ছেলে সুমন তালুকদার,নাইমুড়ী মধ্যপাড়ার রহিম আলীর ছেলে মেরাজ হোসেন,
রুয়াপাড়া গ্রামের সুলতান মাহমুদের ছেলে বিদ্যুৎ,
তেলকুপি গ্রামের মনসুর আলীর ছেলে আজিজুল ইসলাম এবং নাইমুড়ী উত্তরপাড়ার জহুরুল ইসলামের ছেলে আরাফাত হোসেন।
মাদ্রাসার মুহতামিম জাহিদুল ইসলাম বলেন,
আলহামদুলিল্লাহ,এবার আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে ৭ জন ছাত্রকে পাগড়ী দিতে পেরে আমরা ভীষণ খুশি। ছাত্ররা অনেক পরিশ্রম করেছে। তারা আজ মহান আল্লাহর পবিত্র কোরআনের ৩০ পারা হাফেজ হয়েছে।এটি যেমন তাদের জন্য গর্বের,তেমনি আমাদের শিক্ষকদের জন্যও গর্বের। হাফেজ হওয়ার পর তা ধরে রাখাই সবচেয়ে কঠিন। নিয়মিত অধ্যয়ন ও আমল অব্যাহত রাখতে হবে।
তিনি আরও বলেন,হাফেজদের দায়িত্ব শুধু মুখস্থ করা নয়,বরং কোরআনের শিক্ষা বাস্তব জীবনে প্রতিফলন ঘটানো। তারা যেন সমাজে নৈতিকতা,সততা ও মানবিকতার আলো ছড়িয়ে দিতে পারে- এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
মাহফিলে সম্মানিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,সহ-সভাপতি আব্দুল মান্নান তালুকদার, অত্র মাদ্রাসা কমিটি সদস্যদের মধ্যে মো. আতিকুর রহমান সাজন তালুকদার,আঞ্জু খন্দকার,সাইদুর রহমান,আতিকুর রহমান,হাফেজ মাওলানা আরিফুল ইসলাম,আব্দুল আলিম,তুষার তালুকদার,হৃদয়, নাজমুল হক,মোরসালিনসহ দুই গ্রামের অন্যান্য সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ।

জনপ্রিয় সংবাদ

পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

সলঙ্গার নাইমুড়ী-রুয়াপাড়া মাদ্রাসার তাফসীরুল কোরআন মাহফিল অনুষ্ঠিত

আপডেট টাইম : ০৩:০৮:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

সাহেদ আলী,সিরাজগঞ্জ :

দ্বীনি শিক্ষার নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান সলঙ্গার নাইমুড়ী-রুয়াপাড়া কওমিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার উন্নতিকল্পে গতকাল রাতে নাইমুড়ী-রুয়াপাড়া সম্মিলিত কবরস্থান মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে ৩১তম তাফসীরুল কোরআন মাহফিল।
আলহাজ্ব মীর মো. আব্দুল খালেকের সভাপতিত্বে মাহফিলের কার্যক্রম শুরু হয়।এলাকার বিপুল সংখ্যক ধর্মপ্রাণ নারী-পুরুষ এ জালসায় দেশ বরেণ্য বক্তাদের কোরআন ও হাদিসের আলোচনা শুনতে অংশগ্রহণ করেন। মাদ্রাসার উন্নয়নের লক্ষ্যে উপস্থিত মুসল্লিরা নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী দান করেন।
পবিত্র কোরআনের হাফেজ হওয়া শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়,বরং একটি পরিবার,একটি সমাজ ও একটি জাতির জন্য গৌরবের বিষয়। যারা কোরআন মুখস্থ করেন,তারা কোরআনের জীবন্ত ধারক ও বাহক। তাদের মাধ্যমে কোরআন প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে সুরক্ষিত থাকে। তাই হাফেজদের সম্মান করা মানেই কোরআনের সম্মান করা।
এ মাহফিলে মাদ্রাসার ৭ জন পূর্ণ হাফেজকে সম্মানী পাগড়ী প্রদান করা হয়।পাগড়ী বিতরণ অনুষ্ঠানে হাফেজদের সম্মানিত পিতাগণ উপস্থিত ছিলেন।সন্তানদের এই সাফল্য দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন পিতারা। সন্তান হাফেজ হওয়ায় শুধু পিতা মাতাই খুশি নন,উপস্থিত ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা সবাই খুসি ও আনন্দিত।
সম্মানিত পাগড়ীপ্রাপ্ত হাফেজরা হলেন- নাইমুড়ী দক্ষিণপাড়ার ইসমাইল হোসেনের ছেলে নাঈম হাসান,নাইমুড়ী মধ্যপাড়ার নজরুল ইসলামের ছেলে কাউছার ইসলাম,নাইমুড়ী মধ্যপাড়ার খলিল তালুকদারের ছেলে সুমন তালুকদার,নাইমুড়ী মধ্যপাড়ার রহিম আলীর ছেলে মেরাজ হোসেন,
রুয়াপাড়া গ্রামের সুলতান মাহমুদের ছেলে বিদ্যুৎ,
তেলকুপি গ্রামের মনসুর আলীর ছেলে আজিজুল ইসলাম এবং নাইমুড়ী উত্তরপাড়ার জহুরুল ইসলামের ছেলে আরাফাত হোসেন।
মাদ্রাসার মুহতামিম জাহিদুল ইসলাম বলেন,
আলহামদুলিল্লাহ,এবার আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে ৭ জন ছাত্রকে পাগড়ী দিতে পেরে আমরা ভীষণ খুশি। ছাত্ররা অনেক পরিশ্রম করেছে। তারা আজ মহান আল্লাহর পবিত্র কোরআনের ৩০ পারা হাফেজ হয়েছে।এটি যেমন তাদের জন্য গর্বের,তেমনি আমাদের শিক্ষকদের জন্যও গর্বের। হাফেজ হওয়ার পর তা ধরে রাখাই সবচেয়ে কঠিন। নিয়মিত অধ্যয়ন ও আমল অব্যাহত রাখতে হবে।
তিনি আরও বলেন,হাফেজদের দায়িত্ব শুধু মুখস্থ করা নয়,বরং কোরআনের শিক্ষা বাস্তব জীবনে প্রতিফলন ঘটানো। তারা যেন সমাজে নৈতিকতা,সততা ও মানবিকতার আলো ছড়িয়ে দিতে পারে- এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
মাহফিলে সম্মানিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,সহ-সভাপতি আব্দুল মান্নান তালুকদার, অত্র মাদ্রাসা কমিটি সদস্যদের মধ্যে মো. আতিকুর রহমান সাজন তালুকদার,আঞ্জু খন্দকার,সাইদুর রহমান,আতিকুর রহমান,হাফেজ মাওলানা আরিফুল ইসলাম,আব্দুল আলিম,তুষার তালুকদার,হৃদয়, নাজমুল হক,মোরসালিনসহ দুই গ্রামের অন্যান্য সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ।