১২:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে স্থায়ী সেনাক্যাম্প ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের দাবি জেএসডির

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০১:০৮:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১০৮ বার

মাহমুদুর রহমান মনজু, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি ঃ

লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি–কমলনগর) আসনের রামগতির দক্ষিণাঞ্চলের মেঘনা উপকূলীয় চর এলাকায় নির্বাচনকালীন স্থায়ী সেনাক্যাম্প স্থাপন ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের দাবি জানিয়েছে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি)। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে লক্ষ্মীপুর প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরেন জেএসডির মুখপাত্র ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ বেলায়েত হোসেন বেলাল।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী জলদস্যু ও স্থলদস্যুদের একত্রিত করে একটি সন্ত্রাসী বাহিনী গঠন করেছেন, যা নির্বাচনি পরিবেশকে মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে ফেলছে।
বেলায়েত হোসেন জানান, লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের চরাঞ্চলগুলোতে প্রায় লক্ষাধিক ভোটার রয়েছে। এসব এলাকায় হাতিয়া ও বয়ারচরের জলদস্যু এবং স্থলদস্যুদের সমন্বয়ে গঠিত একটি অস্ত্রধারী চক্র সক্রিয় রয়েছে। তাদের মাধ্যমে ভোটকেন্দ্র দখল, ব্যালট পেপার ও ভোটের বাক্স লুটের পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ পরিস্থিতিতে রামগতির দক্ষিণাঞ্চলের চর রমিজ, বড়খেরী ও চরগাজী ইউনিয়নে স্থায়ী সেনাক্যাম্প স্থাপন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং অস্ত্রধারীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান তিনি। বিএনপির প্রার্থীর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী বাহিনী গঠনের অভিযোগ তুলে বেলায়েত হোসেন বলেন, বিএনপির প্রার্থী আশরাফ উদ্দিন নিজান বয়ারচরের ডাকাতদের নিয়ে চরে বৈঠক করেছেন এবং হাতিয়ার ডাকাতদের ভাড়া করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। চরের চিহ্নিত দস্যুদের একত্রিত করে প্রচারণা চালানো হচ্ছে এবং বয়ারচরের চিহ্নিত ফরিদ ডাকাতকে সঙ্গে নিয়ে প্রকাশ্যে অস্ত্রের মহড়া দেওয়া হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। এতে ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং তারা ভোটকেন্দ্রে যেতে ভয় পাচ্ছেন।
তিনি আরও জানান, এসব অভিযোগ লিখিতভাবে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বেলায়েত হোসেন বেলাল আরও বলেন, গত ৮ জানুয়ারি রামদয়াল বাজারে জেএসডির নেতাকর্মীদের ওপর পরিকল্পিত হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। অস্ত্রধারীরা প্রকাশ্যে অস্ত্রের মহড়া দিলেও এখন পর্যন্ত কোনো অস্ত্র উদ্ধার হয়নি। এমনকি পুলিশের লুট হওয়া অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। এতে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিয়ে জনমনে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
তিনি দ্রুত অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও সংশ্লিষ্ট সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের মাধ্যমে সুষ্ঠু নির্বাচনি পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেএসডি জেলা সভাপতি অধ্যাপক মনছুরুল হক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক নিয়াজুল ইসলামসহ দলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

জনপ্রিয় সংবাদ

পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে স্থায়ী সেনাক্যাম্প ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের দাবি জেএসডির

আপডেট টাইম : ০১:০৮:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মাহমুদুর রহমান মনজু, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি ঃ

লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি–কমলনগর) আসনের রামগতির দক্ষিণাঞ্চলের মেঘনা উপকূলীয় চর এলাকায় নির্বাচনকালীন স্থায়ী সেনাক্যাম্প স্থাপন ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের দাবি জানিয়েছে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি)। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে লক্ষ্মীপুর প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরেন জেএসডির মুখপাত্র ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ বেলায়েত হোসেন বেলাল।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী জলদস্যু ও স্থলদস্যুদের একত্রিত করে একটি সন্ত্রাসী বাহিনী গঠন করেছেন, যা নির্বাচনি পরিবেশকে মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে ফেলছে।
বেলায়েত হোসেন জানান, লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের চরাঞ্চলগুলোতে প্রায় লক্ষাধিক ভোটার রয়েছে। এসব এলাকায় হাতিয়া ও বয়ারচরের জলদস্যু এবং স্থলদস্যুদের সমন্বয়ে গঠিত একটি অস্ত্রধারী চক্র সক্রিয় রয়েছে। তাদের মাধ্যমে ভোটকেন্দ্র দখল, ব্যালট পেপার ও ভোটের বাক্স লুটের পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ পরিস্থিতিতে রামগতির দক্ষিণাঞ্চলের চর রমিজ, বড়খেরী ও চরগাজী ইউনিয়নে স্থায়ী সেনাক্যাম্প স্থাপন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং অস্ত্রধারীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান তিনি। বিএনপির প্রার্থীর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী বাহিনী গঠনের অভিযোগ তুলে বেলায়েত হোসেন বলেন, বিএনপির প্রার্থী আশরাফ উদ্দিন নিজান বয়ারচরের ডাকাতদের নিয়ে চরে বৈঠক করেছেন এবং হাতিয়ার ডাকাতদের ভাড়া করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। চরের চিহ্নিত দস্যুদের একত্রিত করে প্রচারণা চালানো হচ্ছে এবং বয়ারচরের চিহ্নিত ফরিদ ডাকাতকে সঙ্গে নিয়ে প্রকাশ্যে অস্ত্রের মহড়া দেওয়া হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। এতে ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং তারা ভোটকেন্দ্রে যেতে ভয় পাচ্ছেন।
তিনি আরও জানান, এসব অভিযোগ লিখিতভাবে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বেলায়েত হোসেন বেলাল আরও বলেন, গত ৮ জানুয়ারি রামদয়াল বাজারে জেএসডির নেতাকর্মীদের ওপর পরিকল্পিত হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। অস্ত্রধারীরা প্রকাশ্যে অস্ত্রের মহড়া দিলেও এখন পর্যন্ত কোনো অস্ত্র উদ্ধার হয়নি। এমনকি পুলিশের লুট হওয়া অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। এতে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিয়ে জনমনে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
তিনি দ্রুত অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও সংশ্লিষ্ট সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের মাধ্যমে সুষ্ঠু নির্বাচনি পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেএসডি জেলা সভাপতি অধ্যাপক মনছুরুল হক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক নিয়াজুল ইসলামসহ দলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।