০৯:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সন্ধ্যার লক্ষ্মীপুর: কোর্ট চত্বরে পাখির কলতানে মুগ্ধ প্রাণ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:০৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৩৯ বার

লক্ষ্মীপুর, সংবাদদাতা কবির হোসেন রাকিব ঃ

 

লক্ষ্মীপুর
দিনশেষে যখন সূর্য পশ্চিম আকাশে হেলে পড়ে, ঠিক তখনই লক্ষ্মীপুর জেলা কোর্ট ও কাচারি এলাকায় শুরু হয় এক অভূতপূর্ব প্রাকৃতিক সুরের মূর্ছনা। হাজার হাজার পাখির কিচিমিচি শব্দে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা, যা পথচারী ও স্থানীয়দের মনে এনে দেয় এক পশলা প্রশান্তি।
প্রকৃতির এক অনন্য আবাহন
প্রতিদিন সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসার সাথে সাথেই কোর্ট বিল্ডিং সংলগ্ন গাছগুলোতে আশ্রয় নিতে শুরু করে ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি। সারাদিনের ব্যস্ততা শেষে ঘরে ফেরা এই পাখিদের সম্মিলিত কোলাহল যেন কোনো নিপুণ শিল্পীর সাজানো সুর। যান্ত্রিক এই শহরে যেখানে ইট-পাথরের দেয়াল আমাদের ঘিরে ধরে, সেখানে কাচারি সামনের এই দৃশ্য জীবনকে নতুন করে ভালোবাসতে শেখায়।
মুগ্ধ পথচারী ও দর্শনার্থী
কোর্ট এলাকায় আসা সাধারণ মানুষ ও আইনজীবীদের মতে, এই পাখির ডাক শুধু শব্দ নয়, বরং এটি মনের ক্লান্তি দূর করার এক মহৌষধ। স্থানীয় এক পথচারী বলেন, “সারাদিনের হাড়ভাঙা খাটুনির পর যখন এই পথ দিয়ে যাই, পাখিদের কিচিমিচি শব্দে মনটা ভরে যায়। মনে হয় প্রকৃতি আমাদের অভ্যর্থনা জানাচ্ছে।”
জীবন যখন সুন্দর
লক্ষ্মীপুরের এই ব্যস্ততম প্রশাসনিক এলাকায় প্রকৃতির এমন সহাবস্থান বিরল। স্থানীয়রা মনে করেন, এই পাখিগুলো আমাদের পরিবেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাদের কলতান যেমন পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে, তেমনি আমাদের যান্ত্রিক জীবনে এনে দেয় স্নিগ্ধতা ও সজীবতা।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রকৃতির এই দান আমাদের সম্পদ। কোর্ট চত্বরের এই মনোরম পরিবেশ বজায় রাখতে আমাদের সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

সন্ধ্যার লক্ষ্মীপুর: কোর্ট চত্বরে পাখির কলতানে মুগ্ধ প্রাণ

আপডেট টাইম : ০৯:০৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

লক্ষ্মীপুর, সংবাদদাতা কবির হোসেন রাকিব ঃ

 

লক্ষ্মীপুর
দিনশেষে যখন সূর্য পশ্চিম আকাশে হেলে পড়ে, ঠিক তখনই লক্ষ্মীপুর জেলা কোর্ট ও কাচারি এলাকায় শুরু হয় এক অভূতপূর্ব প্রাকৃতিক সুরের মূর্ছনা। হাজার হাজার পাখির কিচিমিচি শব্দে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা, যা পথচারী ও স্থানীয়দের মনে এনে দেয় এক পশলা প্রশান্তি।
প্রকৃতির এক অনন্য আবাহন
প্রতিদিন সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসার সাথে সাথেই কোর্ট বিল্ডিং সংলগ্ন গাছগুলোতে আশ্রয় নিতে শুরু করে ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি। সারাদিনের ব্যস্ততা শেষে ঘরে ফেরা এই পাখিদের সম্মিলিত কোলাহল যেন কোনো নিপুণ শিল্পীর সাজানো সুর। যান্ত্রিক এই শহরে যেখানে ইট-পাথরের দেয়াল আমাদের ঘিরে ধরে, সেখানে কাচারি সামনের এই দৃশ্য জীবনকে নতুন করে ভালোবাসতে শেখায়।
মুগ্ধ পথচারী ও দর্শনার্থী
কোর্ট এলাকায় আসা সাধারণ মানুষ ও আইনজীবীদের মতে, এই পাখির ডাক শুধু শব্দ নয়, বরং এটি মনের ক্লান্তি দূর করার এক মহৌষধ। স্থানীয় এক পথচারী বলেন, “সারাদিনের হাড়ভাঙা খাটুনির পর যখন এই পথ দিয়ে যাই, পাখিদের কিচিমিচি শব্দে মনটা ভরে যায়। মনে হয় প্রকৃতি আমাদের অভ্যর্থনা জানাচ্ছে।”
জীবন যখন সুন্দর
লক্ষ্মীপুরের এই ব্যস্ততম প্রশাসনিক এলাকায় প্রকৃতির এমন সহাবস্থান বিরল। স্থানীয়রা মনে করেন, এই পাখিগুলো আমাদের পরিবেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাদের কলতান যেমন পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে, তেমনি আমাদের যান্ত্রিক জীবনে এনে দেয় স্নিগ্ধতা ও সজীবতা।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রকৃতির এই দান আমাদের সম্পদ। কোর্ট চত্বরের এই মনোরম পরিবেশ বজায় রাখতে আমাদের সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।