০৮:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বাস্থ্য মন্ত্রীর সঙ্গে ডেন্টাল নেতৃবৃন্দের সৌজন্যে সাক্ষাৎ

দেশের দন্তস্বাস্থ্য খাতে সমন্বিত অগ্রযাত্রার প্রত্যাশা নিয়ে নবগঠিত সরকারের শীর্ষ স্বাস্থ্য নেতৃত্বের সঙ্গে ২৫ ফেব্রুয়ারি ২৬ সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে বাংলাদেশ ডেন্টাল পরিষদ–এর নেতৃবৃন্দ।

স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ থেকে উত্তীর্ণ ৪ বছর মেয়াদি (পূর্বে ৩ বছর) ডেন্টাল ডিপ্লোমাধারীদের প্রতিনিধিত্বকারী এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধিত এ সংগঠনের একটি প্রতিনিধি দল স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সর্দার মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত–এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
সংগঠনের মহাসচিব লায়ন মুহাম্মদ কামাল হোসেনের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যরা এ বৈঠকে অংশ নেন। এ সময় নবনিযুক্ত মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভিনন্দন জানানো হয়। একই সঙ্গে দেশের স্বাস্থ্যখাতের টেকসই উন্নয়ন ও দন্তস্বাস্থ্য সেবার সম্প্রসারণে কার্যকর নীতিগত সহায়তার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।
নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো দন্তস্বাস্থ্য। দীর্ঘদিন ধরে প্রশিক্ষিত ডেন্টাল ডিপ্লোমাধারীরা গ্রাম-গঞ্জ থেকে শুরু করে শহরাঞ্চল পর্যন্ত সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সাশ্রয়ী ও মানসম্মত দন্তচিকিৎসা পৌঁছে দিয়ে আসছেন। ভবিষ্যতেও তারা আরও দক্ষতা, প্রযুক্তিনির্ভর সেবা ও পেশাগত দায়বদ্ধতার মাধ্যমে এ খাতে কার্যকর অবদান রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
বৈঠকে দন্তস্বাস্থ্য সেবার মানোন্নয়ন, জনসচেতনতা বৃদ্ধি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং ডেন্টাল ডিপ্লোমাধারীদের পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়। নেতৃবৃন্দ আশাবাদ ব্যক্ত করেন, সরকারের সুদূরপ্রসারী ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড় করাবে।
মহাসচিব লায়ন মুহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, “রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে জনগণের কল্যাণে গৃহীত প্রতিটি ইতিবাচক সিদ্ধান্ত দেশের স্বাস্থ্যখাতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। আমরা আশা করি, নবগঠিত সরকারের নেতৃত্বে দন্তস্বাস্থ্য খাত আরও সমৃদ্ধ ও গতিশীল হয়ে উঠবে।”
সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাৎকে দেশের দন্তস্বাস্থ্য সেবার মানোন্নয়ন ও সমন্বিত উন্নয়নের পথে একটি আশাব্যঞ্জক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

স্বাস্থ্য মন্ত্রীর সঙ্গে ডেন্টাল নেতৃবৃন্দের সৌজন্যে সাক্ষাৎ

আপডেট টাইম : ০৪:৫৮:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দেশের দন্তস্বাস্থ্য খাতে সমন্বিত অগ্রযাত্রার প্রত্যাশা নিয়ে নবগঠিত সরকারের শীর্ষ স্বাস্থ্য নেতৃত্বের সঙ্গে ২৫ ফেব্রুয়ারি ২৬ সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে বাংলাদেশ ডেন্টাল পরিষদ–এর নেতৃবৃন্দ।

স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ থেকে উত্তীর্ণ ৪ বছর মেয়াদি (পূর্বে ৩ বছর) ডেন্টাল ডিপ্লোমাধারীদের প্রতিনিধিত্বকারী এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধিত এ সংগঠনের একটি প্রতিনিধি দল স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সর্দার মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত–এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
সংগঠনের মহাসচিব লায়ন মুহাম্মদ কামাল হোসেনের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যরা এ বৈঠকে অংশ নেন। এ সময় নবনিযুক্ত মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভিনন্দন জানানো হয়। একই সঙ্গে দেশের স্বাস্থ্যখাতের টেকসই উন্নয়ন ও দন্তস্বাস্থ্য সেবার সম্প্রসারণে কার্যকর নীতিগত সহায়তার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।
নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো দন্তস্বাস্থ্য। দীর্ঘদিন ধরে প্রশিক্ষিত ডেন্টাল ডিপ্লোমাধারীরা গ্রাম-গঞ্জ থেকে শুরু করে শহরাঞ্চল পর্যন্ত সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সাশ্রয়ী ও মানসম্মত দন্তচিকিৎসা পৌঁছে দিয়ে আসছেন। ভবিষ্যতেও তারা আরও দক্ষতা, প্রযুক্তিনির্ভর সেবা ও পেশাগত দায়বদ্ধতার মাধ্যমে এ খাতে কার্যকর অবদান রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
বৈঠকে দন্তস্বাস্থ্য সেবার মানোন্নয়ন, জনসচেতনতা বৃদ্ধি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং ডেন্টাল ডিপ্লোমাধারীদের পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়। নেতৃবৃন্দ আশাবাদ ব্যক্ত করেন, সরকারের সুদূরপ্রসারী ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড় করাবে।
মহাসচিব লায়ন মুহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, “রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে জনগণের কল্যাণে গৃহীত প্রতিটি ইতিবাচক সিদ্ধান্ত দেশের স্বাস্থ্যখাতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। আমরা আশা করি, নবগঠিত সরকারের নেতৃত্বে দন্তস্বাস্থ্য খাত আরও সমৃদ্ধ ও গতিশীল হয়ে উঠবে।”
সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাৎকে দেশের দন্তস্বাস্থ্য সেবার মানোন্নয়ন ও সমন্বিত উন্নয়নের পথে একটি আশাব্যঞ্জক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।