০১:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নালিতাবাড়ীতে ‘ফাতেমা রাণী মা মারীয়ার তীর্থ উৎসব’ উদযাপন উপলক্ষে ব্রিফিং প্যারেড অনুষ্ঠিত

শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী থানাধীন বারোমারী সাধু লিওর খ্রিস্টান ধর্মপল্লীতে দুই দিনব্যাপী ‘ফাতেমা রাণী মা মারীয়ার তীর্থোৎসব-২০২৫’ উদযাপন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ সংক্রান্ত ব্রিফিং প্যারডে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বারোমারী মিশন চত্বরে তীর্থোৎসবে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণে ডিউটিতে নিয়োজিত হওয়ার পূর্বে দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার-ফোর্সদের ব্রিফিং প্রদান করেন শেরপুর জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব মোঃ আমিনুল ইসলাম।

পুলিশ সুপার মহোদয় তাঁর বক্তব্যে, ‘প্রতি বছরের ন্যায় এবারও দু’দিন ব্যাপী এই মিশনে তীর্থ উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। আমাদের মূল লক্ষ্য—এই মহৎ আয়োজনের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। আমরা পালাক্রমে ডিউটি করে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা বলয় বজায় রাখব। আমি চাই, আমাদের পেশাদারিত্ব এবং আন্তরিকতা এমন একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করুক, যাতে মিশন কর্তৃপক্ষ বলেন—’অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে এবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও পুলিশের আচরণ ছিল সর্বোত্তম’।

তিনি, প্রত্যেকেই নিজ নিজ ডিউটি পয়েন্টে সতর্কতা ও শতভাগ পেশাদারিত্ব বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করা এবং কোনো সন্দেহজনক ব্যক্তি, কার্যকলাপ বা বস্তু নজরে এলে দ্রুত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করাসহ প্রটোকল অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করেন।

শেরপুর জেলা শহর থেকে প্রায় ৩২ কিলোমিটার উত্তরে নালিতাবাড়ী উপজেলা ও ভারতের মেঘালয় রাজ্যের সীমান্ত ঘেষা নৈসর্গিক পাহাড়ি পরিবেশের উপত্যকায় বারোমারী মিশন চত্বরে হলো ফাতেমা রাণীর তীর্থস্থল।

বারোমারী খ্রিস্টান ধর্মপল্লী ১৯৯৭ সালে পর্তুগালের ফাতেমা নগরের আদলে ও অনুকরণে এ তীর্থস্থল স্থাপন করা হয়। স্থাপনের পর থেকেই প্রতিবছর এখানে তীর্থোৎসব পালিত হয়ে আসছে। এই তীর্থোৎসবকে কেন্দ্র করে দেশ-বিদেশের হাজারো ভক্তের আগমনে প্রতি বছর অক্টোবর মাসের শেষ সপ্তাহের বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার অন্য রকম রূপ নেয় পাহাড়ি এই জনপদ।

ব্রিফিংয়ে শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) জনাব মোঃ মিজানুর রহমান ভূঁঞা; অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) জনাব নাসরিন আক্তার; ময়মনসিংহ ২ এপিবিএন এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব শুভাশীষ ধর, সহকারী পুলিশ সুপার (নালিতাবাড়ী সার্কেল) জনাব আফসান-আল-আলম, নালিতাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ সোহেল রানা; ওসি, ডিবি জনাব মোঃ রেজাউল ইসলাম খান-সহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ ও এপিবিএনের বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

নালিতাবাড়ীতে ‘ফাতেমা রাণী মা মারীয়ার তীর্থ উৎসব’ উদযাপন উপলক্ষে ব্রিফিং প্যারেড অনুষ্ঠিত

আপডেট টাইম : ০২:৪৪:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫

শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী থানাধীন বারোমারী সাধু লিওর খ্রিস্টান ধর্মপল্লীতে দুই দিনব্যাপী ‘ফাতেমা রাণী মা মারীয়ার তীর্থোৎসব-২০২৫’ উদযাপন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ সংক্রান্ত ব্রিফিং প্যারডে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বারোমারী মিশন চত্বরে তীর্থোৎসবে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণে ডিউটিতে নিয়োজিত হওয়ার পূর্বে দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার-ফোর্সদের ব্রিফিং প্রদান করেন শেরপুর জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব মোঃ আমিনুল ইসলাম।

পুলিশ সুপার মহোদয় তাঁর বক্তব্যে, ‘প্রতি বছরের ন্যায় এবারও দু’দিন ব্যাপী এই মিশনে তীর্থ উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। আমাদের মূল লক্ষ্য—এই মহৎ আয়োজনের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। আমরা পালাক্রমে ডিউটি করে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা বলয় বজায় রাখব। আমি চাই, আমাদের পেশাদারিত্ব এবং আন্তরিকতা এমন একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করুক, যাতে মিশন কর্তৃপক্ষ বলেন—’অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে এবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও পুলিশের আচরণ ছিল সর্বোত্তম’।

তিনি, প্রত্যেকেই নিজ নিজ ডিউটি পয়েন্টে সতর্কতা ও শতভাগ পেশাদারিত্ব বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করা এবং কোনো সন্দেহজনক ব্যক্তি, কার্যকলাপ বা বস্তু নজরে এলে দ্রুত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করাসহ প্রটোকল অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করেন।

শেরপুর জেলা শহর থেকে প্রায় ৩২ কিলোমিটার উত্তরে নালিতাবাড়ী উপজেলা ও ভারতের মেঘালয় রাজ্যের সীমান্ত ঘেষা নৈসর্গিক পাহাড়ি পরিবেশের উপত্যকায় বারোমারী মিশন চত্বরে হলো ফাতেমা রাণীর তীর্থস্থল।

বারোমারী খ্রিস্টান ধর্মপল্লী ১৯৯৭ সালে পর্তুগালের ফাতেমা নগরের আদলে ও অনুকরণে এ তীর্থস্থল স্থাপন করা হয়। স্থাপনের পর থেকেই প্রতিবছর এখানে তীর্থোৎসব পালিত হয়ে আসছে। এই তীর্থোৎসবকে কেন্দ্র করে দেশ-বিদেশের হাজারো ভক্তের আগমনে প্রতি বছর অক্টোবর মাসের শেষ সপ্তাহের বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার অন্য রকম রূপ নেয় পাহাড়ি এই জনপদ।

ব্রিফিংয়ে শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) জনাব মোঃ মিজানুর রহমান ভূঁঞা; অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) জনাব নাসরিন আক্তার; ময়মনসিংহ ২ এপিবিএন এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব শুভাশীষ ধর, সহকারী পুলিশ সুপার (নালিতাবাড়ী সার্কেল) জনাব আফসান-আল-আলম, নালিতাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ সোহেল রানা; ওসি, ডিবি জনাব মোঃ রেজাউল ইসলাম খান-সহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ ও এপিবিএনের বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।