সমাজে তথাকথিত ‘প্রভাবশালী’ ও ‘বড় মাপের’ ব্যক্তিদের দ্বারা সংবাদকর্মীদের প্রতি ক্রমাগত অবমাননাকর আচরণ এবং পেশাগত অমর্যাদার ঘটনায় গভীর দুঃখ ও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে। বুধবার এক বিশেষ বিবৃতিতে এই সংকীর্ণ মানসিকতার তীব্র নিন্দা জানিয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রতি সরাসরি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়।
বিবৃতিতে অত্যন্ত কঠোর ভাষায় বলা হয়, “কলমের শক্তিকে অবজ্ঞা করবেন না; যদি করেন, তবে কলমের সেই তেজ দেখার জন্য প্রস্তুত থাকুন।” যারা নিজেদের ক্ষমতা আর পদ-পদবির দাপটে সংবাদকর্মীদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করছেন,তাদের মনে রাখা উচিত—একটি কলমের কালি যখন সত্যের পক্ষে কথা বলে, তখন বড় বড় সিংহাসনও কেঁপে ওঠে।
সাংবাদিকরা কারও দাস নয়।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয় যে,সাংবাদিকরা কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর তোষামোদকারী বা দাস নন। তারা জাতির বিবেক এবং সত্যের পাহারাদার।যারা কলমের শক্তিকে অবজ্ঞা করেন,তারা মূলত নিজেদের অন্ধকার দিকগুলো প্রকাশিত হওয়ার ভয়ে সত্যকেই ভয় পান। সংবাদকর্মীদের ছোট করে দেখার এই মানসিকতা কেবল ব্যক্তিগত সংকীর্ণতাই প্রকাশ করে না, বরং এটি গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রতিও চরম অসম্মান।
প্রভাবশালীদের উদ্দেশ্য করে বিবৃতিতে বলা হয়, “সময় থাকতে নিজেদের অবস্থান ও ভাষা সংযত করুন। ইতিহাস সাক্ষী—অহংকারের পতন অনিবার্য।অনেক প্রতাপশালী ব্যক্তি কালের গর্ভে হারিয়ে গেছেন,কিন্তু সত্যের জয় আর কলমের কালি কখনো শুকিয়ে যায়নি।সত্য ও কলম চিরকাল অমলিন থাকবে।”
পরিশেষে,সমাজের সকল স্তরের সংবাদকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থেকে এ ধরণের অপশক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর এবং পেশাগত মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখার আহ্বান জানানো হয়।
বিবেক বনাম দম্ভের যোগফলে- ক্ষমতা ক্ষণস্থায়ী,কিন্তু সত্য চিরস্থায়ী।
সম্মান দিতে না জানলে সম্মান পাওয়ার আশা করবেন না।
একটি তলোয়ারের চেয়ে কলম অনেক বেশি শক্তিশালী,যা অন্ধকারের বুক চিরে আলো আনে।
গণমাধ্যম কর্মী-
এম মনিরুল ইসলাম।
ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি 



















