০৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রামগঞ্জে প্রবাসী মিজানকে ঘিরে বিতর্ক: ‘বিদেশে বসেই সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ’ অভিযোগে উত্তাল এলাকা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৮:২৯:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬
  • ১৮৩ বার

মাহমুদুর রহমান মনজু
জেলা প্রতিনিধি, লক্ষ্মীপুর
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলা-এ দুবাই প্রবাসী শামসুল হক মিজানকে ঘিরে একের পর এক বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগে স্থানীয়দের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে চরম বিব্রতকর পরিস্থিতি। এলাকাবাসীর দাবি, তার নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় রয়েছে।
সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা যায়, শামসুল হক মিজান একসময় ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। পরবর্তীতে প্রবাসে অবস্থান করে অর্থের জোরে এলাকায় একটি শক্তিশালী গ্রুপ গড়ে তোলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, এই গ্রুপের সদস্যরা নিয়মিত তার কাছ থেকে আর্থিক ও নানাভাবে সহযোগিতা পেয়ে থাকে।
অভিযোগ রয়েছে, মিজানের নির্দেশে রামগঞ্জ পৌর শহর থেকে শুরু করে বিভিন্ন ইউনিয়নে তার গড়ে তোলা বাহিনী প্রভাব বিস্তার করছে। এসব বাহিনীর বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা এবং এমনকি হত্যাকাণ্ডের মতো গুরুতর অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগীরা।
রামগঞ্জের ইছাপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রহিম জালাল জানান, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর মিজান এলাকায় আর আসেন না। বর্তমানে তিনি প্রবাসে অবস্থান করলেও সেখান থেকেই একটি বড় গ্রুপ নিয়ন্ত্রণ করছেন বলে স্থানীয়দের ধারণা।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে শামসুল হক মিজানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকেও এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে, স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

রামগঞ্জে প্রবাসী মিজানকে ঘিরে বিতর্ক: ‘বিদেশে বসেই সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ’ অভিযোগে উত্তাল এলাকা

আপডেট টাইম : ০৮:২৯:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

মাহমুদুর রহমান মনজু
জেলা প্রতিনিধি, লক্ষ্মীপুর
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলা-এ দুবাই প্রবাসী শামসুল হক মিজানকে ঘিরে একের পর এক বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগে স্থানীয়দের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে চরম বিব্রতকর পরিস্থিতি। এলাকাবাসীর দাবি, তার নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় রয়েছে।
সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা যায়, শামসুল হক মিজান একসময় ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। পরবর্তীতে প্রবাসে অবস্থান করে অর্থের জোরে এলাকায় একটি শক্তিশালী গ্রুপ গড়ে তোলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, এই গ্রুপের সদস্যরা নিয়মিত তার কাছ থেকে আর্থিক ও নানাভাবে সহযোগিতা পেয়ে থাকে।
অভিযোগ রয়েছে, মিজানের নির্দেশে রামগঞ্জ পৌর শহর থেকে শুরু করে বিভিন্ন ইউনিয়নে তার গড়ে তোলা বাহিনী প্রভাব বিস্তার করছে। এসব বাহিনীর বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা এবং এমনকি হত্যাকাণ্ডের মতো গুরুতর অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগীরা।
রামগঞ্জের ইছাপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রহিম জালাল জানান, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর মিজান এলাকায় আর আসেন না। বর্তমানে তিনি প্রবাসে অবস্থান করলেও সেখান থেকেই একটি বড় গ্রুপ নিয়ন্ত্রণ করছেন বলে স্থানীয়দের ধারণা।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে শামসুল হক মিজানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকেও এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে, স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।