১০:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সহ সকল বীর শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন-ওলামা দল

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৬:৪৪:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
  • ১২১ বার

মোঃ বেল্লাল হোসাইন নাঈম, স্টাফ রিপোর্টার ঃ

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীরবিক্রম সহ ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন এবং শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন নোয়াখালী জেলা ওলামা দলের যুগ্ম আহবায়ক মাওঃ শরাফত উল্যাহ ও জেলা ওলামা দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মাওঃ কাজী শাহজাহান মাসুদ ।

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে চাটখিল উপজেলা জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের আহ্বায়ক প্রার্থী আলহাজ্ব মাওঃ শরাফত উল্যাহ ও উপজেলা ওলামাদলের সদস্য সচিব প্রার্থী মাওঃ কাজী শাহজাহান মাসুদ
যৌথ শুভেচ্ছা বার্তায় বলেন, ১৯৭১ সালের এ দিনে বাংলাদেশের মানুষ ঔপনিবেশিক স্বৈরশাসনের গ্লানি থেকে মুক্তির জন্য সশস্ত্র সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল।

তারা আরো বলেন, পাকহানাদার বাহিনী ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চের কালরাতে রাজারবাগ পুলিশ লাইনেই প্রথম গণহত্যা শুরু হয়েছিল এবং এখান থেকেই স্বাধীনতার ঘোষণার প্রেক্ষাপট তৈরি হয়। তিনি উল্লেখ করেন, তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান এই গণহত্যার খবর পেয়েই চট্টগ্রামে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন এবং পরবর্তীতে ২৬শে মার্চ চট্টগ্রাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করে বিশ্বের সমর্থন কামনা করেন। একেই বাংলাদেশের স্বাধীনতার ‘প্রকৃত ইতিহাস’ বলে অভিহিত করেন। শহিদদের ত্যাগের কথা স্মরণ করেন।

তারা আরো বলেন বাংলাদেশের ইতিহাসে ২৬ মার্চ এক অনন্য, অনিবার্য এবং অনিবার্যভাবে আবেগঘন দিন। এই দিনটি কেবল একটি রাষ্ট্রের জন্মলগ্নের সূচনাই নয়, বরং একটি জাতির আত্মপরিচয়, আত্মমর্যাদা ও অস্তিত্ব রক্ষার চূড়ান্ত সংকল্পের বহিঃপ্রকাশ। একই দিনে যেমন উচ্চারিত হয়েছিল স্বাধীনতার ঘোষণা, তেমনি শুরু হয়েছিল ইতিহাসের অন্যতম নির্মম গণহত্যা—যা বাঙালির চেতনায় চিরকাল একসঙ্গে গৌরব ও বেদনার প্রতীক হয়ে থাকবে।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী ‘অপারেশন সার্চলাইট’-এর নামে নিরস্ত্র বাঙালির ওপর চালায় সুপরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞ। ঢাকার রাস্তাঘাট, আবাসিক এলাকা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান—সবখানেই নেমে আসে অমানবিক ধ্বংসযজ্ঞ। এরই ধারাবাহিকতায় ২৬ মার্চের প্রভাতে জাতির স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা রূপ নেয় স্পষ্ট ঘোষণায়।

চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন। তার কণ্ঠে উচ্চারিত আহ্বান ছিল স্পষ্ট, দৃঢ় এবং প্রতিরোধমুখী—দেশের মানুষকে যা কিছু আছে তাই নিয়ে দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ডাক। এই ঘোষণা ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলসের ওয়্যারলেসসহ বিভিন্ন মাধ্যমে দ্রুত দেশের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে পড়ে এবং যুদ্ধের মানসিক প্রস্তুতিকে ত্বরান্বিত করে।

এই ঘোষণার প্রতিধ্বনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও পৌঁছে যায়। বিদেশি গণমাধ্যম, বিশেষ করে ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড লোশাক তার প্রতিবেদনে এই ঘোষণার বিষয়টি তুলে ধরেন। যদিও সম্প্রচারের প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা ছিল, তবুও এটি বিশ্ববাসীর কাছে বাঙালির সংগ্রামের বার্তা পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

অন্যদিকে, ২৫ মার্চের রাত থেকে শুরু হওয়া হত্যাযজ্ঞ ২৬ মার্চে আরও ভয়াবহ রূপ নেয়। রাজধানীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা পরিণত হয় হত্যার মঞ্চে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সাধারণ কর্মচারীদের নির্বিচারে হত্যা করা হয়; আবাসিক হলগুলোতে, বিশেষ করে রোকেয়া হলে চালানো হয় বর্বর নির্যাতন। একইসঙ্গে রাজারবাগ পুলিশ লাইনস এবং পিলখানায় বাঙালি সদস্যরা প্রতিরোধ গড়ে তুললেও ভারী অস্ত্রের মুখে বহু সাহসী যোদ্ধা শহীদ হন।

চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে স্থানীয় জনতা, ইপিআর সদস্য ও পুলিশ বাহিনী সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ শুরু করে। এই প্রতিরোধ ছিল অসংগঠিত কিন্তু অদম্য। সাধারণ মানুষ, কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র—সবাই এক কাতারে দাঁড়িয়ে অস্ত্রধারী বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধে নেমে আসে। এই দিনেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে—এটি আর কেবল রাজনৈতিক আন্দোলন নয়, এটি একটি পূর্ণাঙ্গ মুক্তিযুদ্ধের সূচনা।

স্বাধীনতার এই দিন আমাদের মনে করিয়ে দেয়—যে জাতি তার ইতিহাস স্মরণ রাখে, সে জাতিই ভবিষ্যৎ নির্মাণে সক্ষম হয়। তাই ২৬ মার্চ চিরকাল বাঙালির হৃদয়ে গৌরব, শোক ও প্রেরণার এক অবিচ্ছেদ্য অধ্যায় হয়ে থাকবে।

আজকের এই মহান স্বাধীনতা দিবসে আমরা সশ্রদ্ধচিত্ত্বে স্মরণ করি স্বাধীনতার ঘোষক, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমকে।
মহান এই দিনে চাটখিলের সকল মানুষের প্রতি আমার আহবান-আসুন,-দলমত নির্বিশেষে ইস্পাতদৃঢ় ঐক্যের মাধ্যমে উপজেলার সন্ত্রাস চাঁদাবাজ ও মাদক মুক্ত আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে আমরা ঐক্যবদ্ধ হই।

উপজেলা জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের আহ্বায়ক প্রার্থী আলহাজ্ব মাওঃ শরাফত উল্যাহ ও উপজেলা ওলামা দলের সদস্য সচিব প্রার্থী মাওঃ কাজী শাহজাহান মাসুদ যৌথ বার্তা বলেন, লাখো শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের স্বাধীনতার সুরক্ষা ও গণতন্ত্রের পতাকাকে সমুন্নত রাখতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে নিহত সকল শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা ও তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন ।

জনপ্রিয় সংবাদ

পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সহ সকল বীর শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন-ওলামা দল

আপডেট টাইম : ০৬:৪৪:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

মোঃ বেল্লাল হোসাইন নাঈম, স্টাফ রিপোর্টার ঃ

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীরবিক্রম সহ ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন এবং শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন নোয়াখালী জেলা ওলামা দলের যুগ্ম আহবায়ক মাওঃ শরাফত উল্যাহ ও জেলা ওলামা দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মাওঃ কাজী শাহজাহান মাসুদ ।

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে চাটখিল উপজেলা জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের আহ্বায়ক প্রার্থী আলহাজ্ব মাওঃ শরাফত উল্যাহ ও উপজেলা ওলামাদলের সদস্য সচিব প্রার্থী মাওঃ কাজী শাহজাহান মাসুদ
যৌথ শুভেচ্ছা বার্তায় বলেন, ১৯৭১ সালের এ দিনে বাংলাদেশের মানুষ ঔপনিবেশিক স্বৈরশাসনের গ্লানি থেকে মুক্তির জন্য সশস্ত্র সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল।

তারা আরো বলেন, পাকহানাদার বাহিনী ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চের কালরাতে রাজারবাগ পুলিশ লাইনেই প্রথম গণহত্যা শুরু হয়েছিল এবং এখান থেকেই স্বাধীনতার ঘোষণার প্রেক্ষাপট তৈরি হয়। তিনি উল্লেখ করেন, তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান এই গণহত্যার খবর পেয়েই চট্টগ্রামে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন এবং পরবর্তীতে ২৬শে মার্চ চট্টগ্রাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করে বিশ্বের সমর্থন কামনা করেন। একেই বাংলাদেশের স্বাধীনতার ‘প্রকৃত ইতিহাস’ বলে অভিহিত করেন। শহিদদের ত্যাগের কথা স্মরণ করেন।

তারা আরো বলেন বাংলাদেশের ইতিহাসে ২৬ মার্চ এক অনন্য, অনিবার্য এবং অনিবার্যভাবে আবেগঘন দিন। এই দিনটি কেবল একটি রাষ্ট্রের জন্মলগ্নের সূচনাই নয়, বরং একটি জাতির আত্মপরিচয়, আত্মমর্যাদা ও অস্তিত্ব রক্ষার চূড়ান্ত সংকল্পের বহিঃপ্রকাশ। একই দিনে যেমন উচ্চারিত হয়েছিল স্বাধীনতার ঘোষণা, তেমনি শুরু হয়েছিল ইতিহাসের অন্যতম নির্মম গণহত্যা—যা বাঙালির চেতনায় চিরকাল একসঙ্গে গৌরব ও বেদনার প্রতীক হয়ে থাকবে।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী ‘অপারেশন সার্চলাইট’-এর নামে নিরস্ত্র বাঙালির ওপর চালায় সুপরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞ। ঢাকার রাস্তাঘাট, আবাসিক এলাকা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান—সবখানেই নেমে আসে অমানবিক ধ্বংসযজ্ঞ। এরই ধারাবাহিকতায় ২৬ মার্চের প্রভাতে জাতির স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা রূপ নেয় স্পষ্ট ঘোষণায়।

চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন। তার কণ্ঠে উচ্চারিত আহ্বান ছিল স্পষ্ট, দৃঢ় এবং প্রতিরোধমুখী—দেশের মানুষকে যা কিছু আছে তাই নিয়ে দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ডাক। এই ঘোষণা ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলসের ওয়্যারলেসসহ বিভিন্ন মাধ্যমে দ্রুত দেশের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে পড়ে এবং যুদ্ধের মানসিক প্রস্তুতিকে ত্বরান্বিত করে।

এই ঘোষণার প্রতিধ্বনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও পৌঁছে যায়। বিদেশি গণমাধ্যম, বিশেষ করে ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড লোশাক তার প্রতিবেদনে এই ঘোষণার বিষয়টি তুলে ধরেন। যদিও সম্প্রচারের প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা ছিল, তবুও এটি বিশ্ববাসীর কাছে বাঙালির সংগ্রামের বার্তা পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

অন্যদিকে, ২৫ মার্চের রাত থেকে শুরু হওয়া হত্যাযজ্ঞ ২৬ মার্চে আরও ভয়াবহ রূপ নেয়। রাজধানীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা পরিণত হয় হত্যার মঞ্চে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সাধারণ কর্মচারীদের নির্বিচারে হত্যা করা হয়; আবাসিক হলগুলোতে, বিশেষ করে রোকেয়া হলে চালানো হয় বর্বর নির্যাতন। একইসঙ্গে রাজারবাগ পুলিশ লাইনস এবং পিলখানায় বাঙালি সদস্যরা প্রতিরোধ গড়ে তুললেও ভারী অস্ত্রের মুখে বহু সাহসী যোদ্ধা শহীদ হন।

চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে স্থানীয় জনতা, ইপিআর সদস্য ও পুলিশ বাহিনী সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ শুরু করে। এই প্রতিরোধ ছিল অসংগঠিত কিন্তু অদম্য। সাধারণ মানুষ, কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র—সবাই এক কাতারে দাঁড়িয়ে অস্ত্রধারী বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধে নেমে আসে। এই দিনেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে—এটি আর কেবল রাজনৈতিক আন্দোলন নয়, এটি একটি পূর্ণাঙ্গ মুক্তিযুদ্ধের সূচনা।

স্বাধীনতার এই দিন আমাদের মনে করিয়ে দেয়—যে জাতি তার ইতিহাস স্মরণ রাখে, সে জাতিই ভবিষ্যৎ নির্মাণে সক্ষম হয়। তাই ২৬ মার্চ চিরকাল বাঙালির হৃদয়ে গৌরব, শোক ও প্রেরণার এক অবিচ্ছেদ্য অধ্যায় হয়ে থাকবে।

আজকের এই মহান স্বাধীনতা দিবসে আমরা সশ্রদ্ধচিত্ত্বে স্মরণ করি স্বাধীনতার ঘোষক, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমকে।
মহান এই দিনে চাটখিলের সকল মানুষের প্রতি আমার আহবান-আসুন,-দলমত নির্বিশেষে ইস্পাতদৃঢ় ঐক্যের মাধ্যমে উপজেলার সন্ত্রাস চাঁদাবাজ ও মাদক মুক্ত আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে আমরা ঐক্যবদ্ধ হই।

উপজেলা জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের আহ্বায়ক প্রার্থী আলহাজ্ব মাওঃ শরাফত উল্যাহ ও উপজেলা ওলামা দলের সদস্য সচিব প্রার্থী মাওঃ কাজী শাহজাহান মাসুদ যৌথ বার্তা বলেন, লাখো শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের স্বাধীনতার সুরক্ষা ও গণতন্ত্রের পতাকাকে সমুন্নত রাখতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে নিহত সকল শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা ও তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন ।