০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মুকুলে আশার আলো, ফলনে ভাটা—লক্ষ্মীপুরে আমচাষিদের শঙ্কা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:২৮:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
  • ১০৭ বার

মাহমুদুর রহমান মনজু
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি।
লক্ষ্মীপুর জেলাজুড়ে চলতি মৌসুমে আম গাছে প্রচুর মুকুল দেখা গেলেও প্রত্যাশিত ফলন না হওয়ায় চাষিদের মধ্যে হতাশা ও দুশ্চিন্তা বাড়ছে। মৌসুমের শুরুতে কালবৈশাখী ঝড়ের আশঙ্কা এবং বিরূপ আবহাওয়ার প্রভাবে অনেক স্থানে মুকুল ঝরে পড়েছে।
সদর উপজেলা, রায়পুর, রামগঞ্জ, রামগতি ও কমলনগরের বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, অধিকাংশ গাছে মুকুলের প্রাচুর্য থাকলেও ফলের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম। অনেক গাছে মুকুল ঝরে পড়েছে, আবার কোথাও গুটি অবস্থাতেই ফল নষ্ট হয়ে গেছে।
স্থানীয় চাষিদের মতে, মৌসুমের শুরুতে আবহাওয়ার অস্থিরতা, হঠাৎ ঝড়ো হাওয়া এবং তাপমাত্রার ওঠানামার কারণে মুকুলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ফলে গাছে মুকুল থাকলেও শেষ পর্যন্ত ফলন আশানুরূপ হয়নি।
তবে এর মধ্যেও কিছু ব্যতিক্রম দেখা গেছে। সদর উপজেলার কয়েকটি এলাকায় সঠিক পরিচর্যা ও অনুকূল পরিবেশের কারণে এ বছর তুলনামূলক ভালো ফলন হয়েছে। কোথাও কোথাও গাছে গাছে প্রচুর আম ধরেছে, যা কিছুটা স্বস্তি ফিরিয়েছে চাষিদের মাঝে।
কৃষি সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, মুকুল থেকে ফল হওয়ার জন্য স্থিতিশীল আবহাওয়া অত্যন্ত জরুরি। ঝড়, অতিরিক্ত তাপমাত্রা কিংবা অপ্রত্যাশিত বৃষ্টিপাত মুকুল ঝরে যাওয়ার প্রধান কারণ। তাই ভবিষ্যতে ফলন বাড়াতে সময়মতো পরিচর্যা ও আবহাওয়া উপযোগী ব্যবস্থাপনার ওপর জোর দেওয়া প্রয়োজন।
এদিকে, প্রত্যাশিত ফলন না হওয়ায় জেলার অনেক আমচাষি আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন। এ পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তার দাবি জানিয়েছেন তারা।

জনপ্রিয় সংবাদ

পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

মুকুলে আশার আলো, ফলনে ভাটা—লক্ষ্মীপুরে আমচাষিদের শঙ্কা

আপডেট টাইম : ০৫:২৮:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

মাহমুদুর রহমান মনজু
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি।
লক্ষ্মীপুর জেলাজুড়ে চলতি মৌসুমে আম গাছে প্রচুর মুকুল দেখা গেলেও প্রত্যাশিত ফলন না হওয়ায় চাষিদের মধ্যে হতাশা ও দুশ্চিন্তা বাড়ছে। মৌসুমের শুরুতে কালবৈশাখী ঝড়ের আশঙ্কা এবং বিরূপ আবহাওয়ার প্রভাবে অনেক স্থানে মুকুল ঝরে পড়েছে।
সদর উপজেলা, রায়পুর, রামগঞ্জ, রামগতি ও কমলনগরের বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, অধিকাংশ গাছে মুকুলের প্রাচুর্য থাকলেও ফলের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম। অনেক গাছে মুকুল ঝরে পড়েছে, আবার কোথাও গুটি অবস্থাতেই ফল নষ্ট হয়ে গেছে।
স্থানীয় চাষিদের মতে, মৌসুমের শুরুতে আবহাওয়ার অস্থিরতা, হঠাৎ ঝড়ো হাওয়া এবং তাপমাত্রার ওঠানামার কারণে মুকুলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ফলে গাছে মুকুল থাকলেও শেষ পর্যন্ত ফলন আশানুরূপ হয়নি।
তবে এর মধ্যেও কিছু ব্যতিক্রম দেখা গেছে। সদর উপজেলার কয়েকটি এলাকায় সঠিক পরিচর্যা ও অনুকূল পরিবেশের কারণে এ বছর তুলনামূলক ভালো ফলন হয়েছে। কোথাও কোথাও গাছে গাছে প্রচুর আম ধরেছে, যা কিছুটা স্বস্তি ফিরিয়েছে চাষিদের মাঝে।
কৃষি সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, মুকুল থেকে ফল হওয়ার জন্য স্থিতিশীল আবহাওয়া অত্যন্ত জরুরি। ঝড়, অতিরিক্ত তাপমাত্রা কিংবা অপ্রত্যাশিত বৃষ্টিপাত মুকুল ঝরে যাওয়ার প্রধান কারণ। তাই ভবিষ্যতে ফলন বাড়াতে সময়মতো পরিচর্যা ও আবহাওয়া উপযোগী ব্যবস্থাপনার ওপর জোর দেওয়া প্রয়োজন।
এদিকে, প্রত্যাশিত ফলন না হওয়ায় জেলার অনেক আমচাষি আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন। এ পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তার দাবি জানিয়েছেন তারা।