০৭:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এক মাসে ইউটিউবার মোজাহের ভাই সেজে প্রতারণার ফাঁদ।সক্রিয় চার জন স্ক্যামার,টার্গেট হাজারো মানুষের অর্থ হাতানো।

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৩:২৯:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ৯২ বার

ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি।

দক্ষিণ অঞ্চল হিসেবে পরিচিত খুলনা বিভাগ,অন্যতম জেলা সাতক্ষীরার শ্যামনগরে সাংবাদিকের সাথে ইউটিউবার মোজাহের ভাই সেজে প্রতারণার অপচেষ্টা করা হয়েছে। জনসচেতনতা বাড়াতে সঠিক তথ্য জনসমক্ষে উপস্থাপন করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি।
প্রাপ্ত অভিযোগে প্রকাশ, ভুক্তভোগী মনিরুল ইসলাম একজন গণমাধ্যম কর্মী। সাংবাদিকদের নেট অথবা ইমেইল ছাড়া কাজ করা মুশকিল।ফেসবুকে মানবতার ফেরিওয়ালা ভালোবাসার মোজাহের ভাইয়ের ভিডিও সহযোগিতা দেখে,ওই সাংবাদিক তার নির্দেশনা মত ইমো নাম্বারে যোগাযোগ করেন। জানা যায়,গত এক মাসে পর পর চার জন মোজাহেদ ভাইয়ের নাম সামনে এসেছে। এদের চার জনের স্ক্রিনশট সংরক্ষিত রয়েছে।মোজাহের ভাই সাহায্য কেন্দ্র অন্যটি মোজাহের ভাই আজ ১৬ই এপ্রিল বিকাল ৪:০০ টায় যে মোজাহের ভাইয়ের সাথে কথা হয়েছে তিনি সাংবাদিক কে ৮০ হাজার টাকা সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন।ঢাকা মিরপুর থেকে “জনকল্যাণ ব্যাংক”নামক হেড অফিস থেকে এই নম্বর থেকে ০১৯০২ ৬৩৩৮২২ ফোন দিয়ে চার হাজার পাঁচশত টাকা দাবি করা হয়।পরক্ষণেই আজকের মোজাহের ভাইকে জানানো মাত্রই তিনি আশ্বস্ত করেন।যোগাযোগের চেষ্টা করছেন ৯ঃ৪৫ মিনিট পর্যন্ত ঢাকা মিরপুরে অবস্থিত ভুয়া জনকল্যাণ ব্যাংক খোলা থাকে বললেন। আরও বললেন এখন টাকা বিকাশে ঢুকলে তো উত্তোলন করতে পারবেন না। আগামীকাল আমি বিষয়টি দেখছি উক্ত সাংবাদিক অভিযোগ করেন,সহযোগিতার কথা বলে আমার জাতীয় পরিচয় পত্রের কপি নিয়েছেন। বিকাশ নম্বর নিয়েছেন।ভিকটিম আরো জানান,আমি খুবই দুশ্চিন্তায় রয়েছি।চার পাঁচ জনের সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র আমার আইডি ব্যবহার করে, ক্রাইম করতে পারে।যেকোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের আশঙ্কা করছি। পারিবারিক অসচ্ছলতা থাকায়, অনলাইনে ঋণ নেয়ার জন্যেও কয়েকটি ব্যাংক ঠিকানায় ন্যাশনাল কার্ড জমা দিয়েছেন। মানুষ সময় এবং পরিস্থিতির শিকার।সব মিলিয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক।দুইজন মোজাহের ভাইয়ের ইমো নম্বর অন্য দুইজনের নম্বর স্কিনশটে রয়েছে।নমিনি হিসেবে স্ত্রীর জাতীয় পরিচয় পত্রের কপি ও দেয়া হয়েছে।
০১৮০৬ ৮৯ ৮০ ৩৫
০১৮৬৫ ৮৬ ৭৪ ০৮
একজনকে সনাক্ত করতে পারলে সঙ্ঘবদ্ধ চক্র আর অপরাধ করার সুযোগ পাবে না। আইনের আওতায় আনা সহজ হবে ধারণা জেলা বাসির।

জনপ্রিয় সংবাদ

পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

এক মাসে ইউটিউবার মোজাহের ভাই সেজে প্রতারণার ফাঁদ।সক্রিয় চার জন স্ক্যামার,টার্গেট হাজারো মানুষের অর্থ হাতানো।

আপডেট টাইম : ০৩:২৯:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি।

দক্ষিণ অঞ্চল হিসেবে পরিচিত খুলনা বিভাগ,অন্যতম জেলা সাতক্ষীরার শ্যামনগরে সাংবাদিকের সাথে ইউটিউবার মোজাহের ভাই সেজে প্রতারণার অপচেষ্টা করা হয়েছে। জনসচেতনতা বাড়াতে সঠিক তথ্য জনসমক্ষে উপস্থাপন করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি।
প্রাপ্ত অভিযোগে প্রকাশ, ভুক্তভোগী মনিরুল ইসলাম একজন গণমাধ্যম কর্মী। সাংবাদিকদের নেট অথবা ইমেইল ছাড়া কাজ করা মুশকিল।ফেসবুকে মানবতার ফেরিওয়ালা ভালোবাসার মোজাহের ভাইয়ের ভিডিও সহযোগিতা দেখে,ওই সাংবাদিক তার নির্দেশনা মত ইমো নাম্বারে যোগাযোগ করেন। জানা যায়,গত এক মাসে পর পর চার জন মোজাহেদ ভাইয়ের নাম সামনে এসেছে। এদের চার জনের স্ক্রিনশট সংরক্ষিত রয়েছে।মোজাহের ভাই সাহায্য কেন্দ্র অন্যটি মোজাহের ভাই আজ ১৬ই এপ্রিল বিকাল ৪:০০ টায় যে মোজাহের ভাইয়ের সাথে কথা হয়েছে তিনি সাংবাদিক কে ৮০ হাজার টাকা সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন।ঢাকা মিরপুর থেকে “জনকল্যাণ ব্যাংক”নামক হেড অফিস থেকে এই নম্বর থেকে ০১৯০২ ৬৩৩৮২২ ফোন দিয়ে চার হাজার পাঁচশত টাকা দাবি করা হয়।পরক্ষণেই আজকের মোজাহের ভাইকে জানানো মাত্রই তিনি আশ্বস্ত করেন।যোগাযোগের চেষ্টা করছেন ৯ঃ৪৫ মিনিট পর্যন্ত ঢাকা মিরপুরে অবস্থিত ভুয়া জনকল্যাণ ব্যাংক খোলা থাকে বললেন। আরও বললেন এখন টাকা বিকাশে ঢুকলে তো উত্তোলন করতে পারবেন না। আগামীকাল আমি বিষয়টি দেখছি উক্ত সাংবাদিক অভিযোগ করেন,সহযোগিতার কথা বলে আমার জাতীয় পরিচয় পত্রের কপি নিয়েছেন। বিকাশ নম্বর নিয়েছেন।ভিকটিম আরো জানান,আমি খুবই দুশ্চিন্তায় রয়েছি।চার পাঁচ জনের সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র আমার আইডি ব্যবহার করে, ক্রাইম করতে পারে।যেকোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের আশঙ্কা করছি। পারিবারিক অসচ্ছলতা থাকায়, অনলাইনে ঋণ নেয়ার জন্যেও কয়েকটি ব্যাংক ঠিকানায় ন্যাশনাল কার্ড জমা দিয়েছেন। মানুষ সময় এবং পরিস্থিতির শিকার।সব মিলিয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক।দুইজন মোজাহের ভাইয়ের ইমো নম্বর অন্য দুইজনের নম্বর স্কিনশটে রয়েছে।নমিনি হিসেবে স্ত্রীর জাতীয় পরিচয় পত্রের কপি ও দেয়া হয়েছে।
০১৮০৬ ৮৯ ৮০ ৩৫
০১৮৬৫ ৮৬ ৭৪ ০৮
একজনকে সনাক্ত করতে পারলে সঙ্ঘবদ্ধ চক্র আর অপরাধ করার সুযোগ পাবে না। আইনের আওতায় আনা সহজ হবে ধারণা জেলা বাসির।