১০:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অবৈধ বালি উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে ‘মোবাইল কোর্ট’ নয়, বরং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি।

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৬:৫২:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬
  • ২৮ বার

ক্রাইম রিপোর্টার।

​ সম্প্রতি সাতক্ষীরা শ্যামনগরে অবৈধ বালি উত্তোলনকালে ৫ জন অপরাধীকে হাতেনাতে আটক করে শ্যামনগর থানা পুলিশ। বর্তমানে তারা থানা হেফাজতে রয়েছে। এই গ্রেফতারকে আমরা সাধুবাদ জানাই, কিন্তু একইসাথে জনমনে একটি গভীর শঙ্কা ও প্রশ্ন দানা বাঁধছে— এবারও কি সেই ‘মোবাইল কোর্ট’ নামক নাটক মঞ্চস্থ হবে?
​আমরা লক্ষ্য করছি যে, বারবার অপরাধ করার পরেও অপরাধীরা ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সামান্য জরিমানা দিয়ে ছাড়া পেয়ে যাচ্ছে। বালি খেকো সিন্ডিকেটের কাছে এই জরিমানা কোনো শাস্তিই নয়, বরং তাদের কাছে এটি ব্যবসার একটি “সামান্য খরচ” মাত্র! ফলে ছাড়া পেয়ে তারা দ্বিগুণ উৎসাহে আবারও পরিবেশ বিধ্বংসী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়। অপরাধীদের এই বারবার ফিরে আসা এবং আইনের ফাঁক গলে বেরিয়ে যাওয়া দেখতে দেখতে সাধারণ জনগণ আজ ক্লান্ত ও হতাশ।
​মাননীয় জেলা প্রশাসক (সাতক্ষীরা), উপজেলা নির্বাহী অফিসার (শ্যামনগর), এসিল্যান্ড (শ্যামনগর) এবং শ্যামনগর থানা পুলিশ মহোদয়ের নিকট সবিনয় নিবেদন:
​১. আটককৃতদের বিরুদ্ধে শুধুমাত্র ভ্রাম্যমাণ আদালত নয়, বরং বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ অনুযায়ী নিয়মিত মামলা রুজু করে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।
২. তাদের ব্যবহৃত সরঞ্জামাদি ও যান চিরস্থায়ীভাবে বাজেয়াপ্ত করা হোক।
৩. সিন্ডিকেটের নেপথ্যে থাকা গডফাদারদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হোক।
​জনগণ এবার আর কোনো “মিছে মিছে খেলা” দেখতে চায় না। আমরা চাই এমন একটি দৃষ্টান্তমূলক বিচার, যা দেখে ভবিষ্যতে কেউ উপকূলীয় অঞ্চলের প্রকৃতি ও পরিবেশ ধ্বংস করার সাহস না পায়।

জনপ্রিয় সংবাদ

পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

অবৈধ বালি উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে ‘মোবাইল কোর্ট’ নয়, বরং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি।

আপডেট টাইম : ০৬:৫২:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

ক্রাইম রিপোর্টার।

​ সম্প্রতি সাতক্ষীরা শ্যামনগরে অবৈধ বালি উত্তোলনকালে ৫ জন অপরাধীকে হাতেনাতে আটক করে শ্যামনগর থানা পুলিশ। বর্তমানে তারা থানা হেফাজতে রয়েছে। এই গ্রেফতারকে আমরা সাধুবাদ জানাই, কিন্তু একইসাথে জনমনে একটি গভীর শঙ্কা ও প্রশ্ন দানা বাঁধছে— এবারও কি সেই ‘মোবাইল কোর্ট’ নামক নাটক মঞ্চস্থ হবে?
​আমরা লক্ষ্য করছি যে, বারবার অপরাধ করার পরেও অপরাধীরা ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সামান্য জরিমানা দিয়ে ছাড়া পেয়ে যাচ্ছে। বালি খেকো সিন্ডিকেটের কাছে এই জরিমানা কোনো শাস্তিই নয়, বরং তাদের কাছে এটি ব্যবসার একটি “সামান্য খরচ” মাত্র! ফলে ছাড়া পেয়ে তারা দ্বিগুণ উৎসাহে আবারও পরিবেশ বিধ্বংসী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়। অপরাধীদের এই বারবার ফিরে আসা এবং আইনের ফাঁক গলে বেরিয়ে যাওয়া দেখতে দেখতে সাধারণ জনগণ আজ ক্লান্ত ও হতাশ।
​মাননীয় জেলা প্রশাসক (সাতক্ষীরা), উপজেলা নির্বাহী অফিসার (শ্যামনগর), এসিল্যান্ড (শ্যামনগর) এবং শ্যামনগর থানা পুলিশ মহোদয়ের নিকট সবিনয় নিবেদন:
​১. আটককৃতদের বিরুদ্ধে শুধুমাত্র ভ্রাম্যমাণ আদালত নয়, বরং বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ অনুযায়ী নিয়মিত মামলা রুজু করে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।
২. তাদের ব্যবহৃত সরঞ্জামাদি ও যান চিরস্থায়ীভাবে বাজেয়াপ্ত করা হোক।
৩. সিন্ডিকেটের নেপথ্যে থাকা গডফাদারদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হোক।
​জনগণ এবার আর কোনো “মিছে মিছে খেলা” দেখতে চায় না। আমরা চাই এমন একটি দৃষ্টান্তমূলক বিচার, যা দেখে ভবিষ্যতে কেউ উপকূলীয় অঞ্চলের প্রকৃতি ও পরিবেশ ধ্বংস করার সাহস না পায়।