১১:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উৎসবের রঙে মুখর ছিল আঙ্গারু জনপদ

প্রায় ২০০ বছরের ঐতিহ্য বহনকারী সলঙ্গা থানার ঐতিহ্যবাহী আঙ্গারু বৈশাখী মেলা আনন্দ-উৎসব আর গ্রামীণ সংস্কৃতির আবহে শেষ হয়েছে। বৈশাখ মাসজুড়ে প্রতি শনিবার অনুষ্ঠিত এ মেলার শেষ দিনে মানুষের ঢল নামে মেলা প্রাঙ্গণে।সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ছিল দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর পরিবেশ।

মেলায় গ্রামীণ ঐতিহ্যের নানা উপকরণ, মাটির খেলনা,বাঁশ ও কাঠের তৈরি সামগ্রী,মিষ্টান্ন,মুড়ি-মুড়কি,জিলাপিসহ বিভিন্ন মুখরোচক খাবারের সমারোহ দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করে। শিশু-কিশোরদের জন্য নাগরদোলা ও বিনোদনের বিভিন্ন আয়োজন ছিল বাড়তি আনন্দের উৎস।
স্থানীয়দের কাছে আঙ্গারু পাঁচপীর মেলা শুধু বিনোদনের কেন্দ্র নয়,এটি সামাজিক সম্প্রীতি ও মিলনমেলারও এক অনন্য উপলক্ষ।প্রতিবছর বৈশাখ এলেই পার্শ্ববর্তী গ্রামের বিবাহিত মেয়েরা বাবার বাড়িতে নাইওর আসেন,আর পুরো এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে উৎসবের আমেজ।
মেলার আয়োজক ও পরিচালনা কমিটির সভাপতি রহিজ উদ্দিন প্রামানিক জানান,“আঙ্গারু মেলার ঐতিহ্য রক্ষায় আমরা জুয়া ও মাদকমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করেছি।সবার সহযোগীতায় শান্তিপূর্ণভাবে বৈশাখের ৪ শনিবার মেলা সম্পন্ন হয়েছে।”
মেলা শেষ হলেও এলাকাবাসীর মনে রয়ে গেছে উৎসবের রঙিন স্মৃতি আর আগামী বছরের অপেক্ষা।

জনপ্রিয় সংবাদ

পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

উৎসবের রঙে মুখর ছিল আঙ্গারু জনপদ

আপডেট টাইম : ০৪:৫২:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

প্রায় ২০০ বছরের ঐতিহ্য বহনকারী সলঙ্গা থানার ঐতিহ্যবাহী আঙ্গারু বৈশাখী মেলা আনন্দ-উৎসব আর গ্রামীণ সংস্কৃতির আবহে শেষ হয়েছে। বৈশাখ মাসজুড়ে প্রতি শনিবার অনুষ্ঠিত এ মেলার শেষ দিনে মানুষের ঢল নামে মেলা প্রাঙ্গণে।সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ছিল দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর পরিবেশ।

মেলায় গ্রামীণ ঐতিহ্যের নানা উপকরণ, মাটির খেলনা,বাঁশ ও কাঠের তৈরি সামগ্রী,মিষ্টান্ন,মুড়ি-মুড়কি,জিলাপিসহ বিভিন্ন মুখরোচক খাবারের সমারোহ দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করে। শিশু-কিশোরদের জন্য নাগরদোলা ও বিনোদনের বিভিন্ন আয়োজন ছিল বাড়তি আনন্দের উৎস।
স্থানীয়দের কাছে আঙ্গারু পাঁচপীর মেলা শুধু বিনোদনের কেন্দ্র নয়,এটি সামাজিক সম্প্রীতি ও মিলনমেলারও এক অনন্য উপলক্ষ।প্রতিবছর বৈশাখ এলেই পার্শ্ববর্তী গ্রামের বিবাহিত মেয়েরা বাবার বাড়িতে নাইওর আসেন,আর পুরো এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে উৎসবের আমেজ।
মেলার আয়োজক ও পরিচালনা কমিটির সভাপতি রহিজ উদ্দিন প্রামানিক জানান,“আঙ্গারু মেলার ঐতিহ্য রক্ষায় আমরা জুয়া ও মাদকমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করেছি।সবার সহযোগীতায় শান্তিপূর্ণভাবে বৈশাখের ৪ শনিবার মেলা সম্পন্ন হয়েছে।”
মেলা শেষ হলেও এলাকাবাসীর মনে রয়ে গেছে উৎসবের রঙিন স্মৃতি আর আগামী বছরের অপেক্ষা।