১০:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আমার জীবনের একজন প্রিয় মানুষ ও শিক্ষক—অ্যাডভোকেট মোঃ রফিকুল ইসলাম

আমার জীবনের খুব প্রিয় একজন মানুষ ও শ্রদ্ধেয় শিক্ষক হলেন অ্যাডভোকেট মোঃ রফিকুল ইসলাম। তিনি দীর্ঘদিন ধরে চাঁদপুর কোর্টে সততা ও সুনামের সাথে আইন পেশায় দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। যদিও তিনি চাঁদপুরের সন্তান নন, তবুও এই জেলার মাটি ও মানুষকে তিনি হৃদয় দিয়ে ভালোবাসেন—সেই ভালোবাসা পাওয়া মানুষদের একজন আমি।

২০০৩–২০০৪ সালের দিকে পুরান বাজার নিতাইগঞ্জে স্যারের বাসায় আমি প্রতিদিন সকালে প্রাইভেট পড়তে যেতাম। স্যার ছিলেন অত্যন্ত স্নেহশীল ও উদার মনের মানুষ। আমার কাছ থেকে প্রাইভেটের বেতন খুবই কম নিতেন, অনেক সময় আবার কোনো টাকাই নিতেন না। একজন শিক্ষকের এমন আন্তরিকতা ও মানবিকতা সত্যিই বিরল।
স্যারের পরিবার ছোট—তিন ভাই ও এক বোন। কিছুদিন আগে তাঁর বাবা ইন্তেকাল করেছেন, মা এখনো বেঁচে আছেন। পরিবারের বড় ছেলে হিসেবে তিনি সবসময় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছেন। জীবনের এক সময় তারা পুরান বাজারে বসবাস করতেন, পরে তিনি নতুন বাজার ব্যাংক কলোনি এলাকায় চলে যান।
আজও স্যারের সেই স্নেহ, শিক্ষা ও মানবিকতা আমার হৃদয়ে অম্লান হয়ে আছে। জীবনে এমন একজন শিক্ষক পাওয়া সত্যিই আমার জন্য গর্বের ও সৌভাগ্যের বিষয়।
আল্লাহ স্যারকে সুস্থ ও দীর্ঘায়ু দান করুন।

জনপ্রিয় সংবাদ

পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

আমার জীবনের একজন প্রিয় মানুষ ও শিক্ষক—অ্যাডভোকেট মোঃ রফিকুল ইসলাম

আপডেট টাইম : ০৯:২৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

আমার জীবনের খুব প্রিয় একজন মানুষ ও শ্রদ্ধেয় শিক্ষক হলেন অ্যাডভোকেট মোঃ রফিকুল ইসলাম। তিনি দীর্ঘদিন ধরে চাঁদপুর কোর্টে সততা ও সুনামের সাথে আইন পেশায় দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। যদিও তিনি চাঁদপুরের সন্তান নন, তবুও এই জেলার মাটি ও মানুষকে তিনি হৃদয় দিয়ে ভালোবাসেন—সেই ভালোবাসা পাওয়া মানুষদের একজন আমি।

২০০৩–২০০৪ সালের দিকে পুরান বাজার নিতাইগঞ্জে স্যারের বাসায় আমি প্রতিদিন সকালে প্রাইভেট পড়তে যেতাম। স্যার ছিলেন অত্যন্ত স্নেহশীল ও উদার মনের মানুষ। আমার কাছ থেকে প্রাইভেটের বেতন খুবই কম নিতেন, অনেক সময় আবার কোনো টাকাই নিতেন না। একজন শিক্ষকের এমন আন্তরিকতা ও মানবিকতা সত্যিই বিরল।
স্যারের পরিবার ছোট—তিন ভাই ও এক বোন। কিছুদিন আগে তাঁর বাবা ইন্তেকাল করেছেন, মা এখনো বেঁচে আছেন। পরিবারের বড় ছেলে হিসেবে তিনি সবসময় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছেন। জীবনের এক সময় তারা পুরান বাজারে বসবাস করতেন, পরে তিনি নতুন বাজার ব্যাংক কলোনি এলাকায় চলে যান।
আজও স্যারের সেই স্নেহ, শিক্ষা ও মানবিকতা আমার হৃদয়ে অম্লান হয়ে আছে। জীবনে এমন একজন শিক্ষক পাওয়া সত্যিই আমার জন্য গর্বের ও সৌভাগ্যের বিষয়।
আল্লাহ স্যারকে সুস্থ ও দীর্ঘায়ু দান করুন।