০৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ চান আমতলীর ‘স্বপ্নছোঁয়া’ সংগঠনের তরুণরা ইউএনও’র কাছে লিখিত আবেদন, মানবিক কাজের প্রশংসা

বরগুনার আমতলী উপজেলার মানবিক ও সামাজিক সংগঠন ‘স্বপ্নছোঁয়া স্বেচ্ছাসেবী যুব সংগঠন’ এবার দেশের সর্বোচ্চ পর্যায়ে সাধারণ মানুষের কথা পৌঁছে দিতে ব্যতিক্রমী এক উদ্যোগ নিয়েছে। দীর্ঘ তিন বছরের মানবিক কর্মকাণ্ডের অভিজ্ঞতা এবং প্রান্তিক মানুষের সুখ-দুঃখের বাস্তব চিত্র সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরতে সরকারের প্রধানের সাথে সাক্ষাতের অনুমতি চেয়ে আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ জাফর আরিফ চৌধুরীর কাছে লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন সংগঠনটির তরুণ সদস্যরা।

রবিবার দুপুরে ইউএনও কার্যালয়ে আবেদনপত্র জমা দেওয়ার সময় সংগঠনের কেন্দ্রীয় ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দসহ সাধারণ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, ‘স্বপ্নছোঁয়া স্বেচ্ছাসেবী যুব সংগঠন’-এর সদস্যরা নিজেদের হাত খরচের টাকা বাঁচিয়ে গত তিন বছর ধরে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করে আসছেন।

সংগঠনটির উল্লেখযোগ্য কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে—

অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের সহযোগিতা,

শীতার্তদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ,

অর্থাভাবে চিকিৎসাবঞ্চিত রোগীদের চিকিৎসা সহায়তা প্রদান,

বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন।

তরুণদের এই মানবিক কর্মকাণ্ড ইতোমধ্যে স্থানীয়ভাবে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। মাঠপর্যায়ে কাজ করতে গিয়ে সাধারণ মানুষের নানা সমস্যা, কষ্ট ও প্রত্যাশার বিষয়গুলো তারা সরাসরি উপলব্ধি করেছেন। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর বাস্তব চিত্র প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরতে চান তারা।

আবেদনপত্র গ্রহণ করে আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ জাফর আরিফ চৌধুরী সংগঠনের মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন—

> “তরুণদের এই মানবিক ও ব্যতিক্রমী উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখা হবে এবং আবেদনটি যথাযথ মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌঁছানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

 

সংগঠনের সদস্যরা আশাবাদ ব্যক্ত করে জানান, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলে আমতলীর পিছিয়ে পড়া মানুষের সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে এই উদ্যোগ স্থানীয় তরুণ সমাজকে আরও বেশি মানবিক কাজে উদ্বুদ্ধ করবে বলেও তারা মনে করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ চান আমতলীর ‘স্বপ্নছোঁয়া’ সংগঠনের তরুণরা ইউএনও’র কাছে লিখিত আবেদন, মানবিক কাজের প্রশংসা

আপডেট টাইম : ১১:৫০:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

বরগুনার আমতলী উপজেলার মানবিক ও সামাজিক সংগঠন ‘স্বপ্নছোঁয়া স্বেচ্ছাসেবী যুব সংগঠন’ এবার দেশের সর্বোচ্চ পর্যায়ে সাধারণ মানুষের কথা পৌঁছে দিতে ব্যতিক্রমী এক উদ্যোগ নিয়েছে। দীর্ঘ তিন বছরের মানবিক কর্মকাণ্ডের অভিজ্ঞতা এবং প্রান্তিক মানুষের সুখ-দুঃখের বাস্তব চিত্র সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরতে সরকারের প্রধানের সাথে সাক্ষাতের অনুমতি চেয়ে আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ জাফর আরিফ চৌধুরীর কাছে লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন সংগঠনটির তরুণ সদস্যরা।

রবিবার দুপুরে ইউএনও কার্যালয়ে আবেদনপত্র জমা দেওয়ার সময় সংগঠনের কেন্দ্রীয় ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দসহ সাধারণ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, ‘স্বপ্নছোঁয়া স্বেচ্ছাসেবী যুব সংগঠন’-এর সদস্যরা নিজেদের হাত খরচের টাকা বাঁচিয়ে গত তিন বছর ধরে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করে আসছেন।

সংগঠনটির উল্লেখযোগ্য কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে—

অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের সহযোগিতা,

শীতার্তদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ,

অর্থাভাবে চিকিৎসাবঞ্চিত রোগীদের চিকিৎসা সহায়তা প্রদান,

বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন।

তরুণদের এই মানবিক কর্মকাণ্ড ইতোমধ্যে স্থানীয়ভাবে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। মাঠপর্যায়ে কাজ করতে গিয়ে সাধারণ মানুষের নানা সমস্যা, কষ্ট ও প্রত্যাশার বিষয়গুলো তারা সরাসরি উপলব্ধি করেছেন। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর বাস্তব চিত্র প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরতে চান তারা।

আবেদনপত্র গ্রহণ করে আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ জাফর আরিফ চৌধুরী সংগঠনের মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন—

> “তরুণদের এই মানবিক ও ব্যতিক্রমী উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখা হবে এবং আবেদনটি যথাযথ মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌঁছানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

 

সংগঠনের সদস্যরা আশাবাদ ব্যক্ত করে জানান, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলে আমতলীর পিছিয়ে পড়া মানুষের সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে এই উদ্যোগ স্থানীয় তরুণ সমাজকে আরও বেশি মানবিক কাজে উদ্বুদ্ধ করবে বলেও তারা মনে করেন।