০৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নওগাঁ জেলা পুলিশের মধ্যরাতে অভিযান : ৯০ কেজি গাজা সহ দুইজন বড় মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৩:৩১:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
  • ৩৯ বার

সুকুমার ঋষি নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি

গত ০৬ জুন পুলিশ সুপারের কাছে সংবাদ আসে যে পাড়ইল ইউনিয়নে ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি তদন্ত করার জন্য অফিসার ইনচার্জ নিয়ামতপুর থানা কে নির্দেশনা প্রদান করা হয় । তদন্তের ধারাবাহিকতায় গতকাল ৭ জুন রাতে সাসপেক্ট হামেদুল নামে ব্যক্তিকে আটক করা হয়। হামিদুল কে জিজ্ঞাসাবাদে তার কথাবার্তা সন্দেহ হলে তার বিষয়ে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে তাকে ব্যাপকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সে নিজেকে মাদক ব্যবসায়ের সাথে জড়িত মর্মে স্বীকার করেন।

অতঃপর গতকাল মধ্যরাতের পর অদ্য ইং ০৮/০৬/২৬ খ্রিঃ তারিখ পুলিশ সুপার, নওগাঁর দিক নির্দেশনায়, অফিসার ইনচার্জ নিয়ামতপুর থানার নেতৃত্বে নিয়ামতপুর থানার একটি বিশেষ টিম থানা এলাকার ৬নং পাড়ইল ইউনিয়নের তুলার বাঐল গ্রামের একটি বসতবাড়ীতে রাত্রী ০০.০৫ ঘটিকা হইতে ভোর ০৫ ঘটিকা পর্য়ন্ত রাত্রীব্যাপী অভিযান চালিয়ে ৯০(নব্বই) কেজি শুকনা গাঁজা চমৎকার প্যাকেট সহ সহ ০২ জন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃত আসামীদ্বয়ের নাম ১। মোঃ হামেদুল ইসলাম(৩৫), পিতা- মোঃ এজামুল, মাতা- মোছাঃ হামেদা বেগম, , ২। মোঃ রশিদ(৪৪), পিতা- মৃত আজমুদ্দিন, মাতা- মৃত সফুরা বিবি, উভয় সাং- তুলার বাঐল, ইউপি- পাড়ইল, থানা- নিয়ামতপুর, জেলা- নওগাঁ বলিয়া জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়।

ধৃত আসামীদ্বয়কে পুলিশ সুপার নিজেও জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় তাদের সাথে আরো কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ী জড়িত আছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে তারা এই মাদক এখানে কখনো ট্রাকে কখনো হাইস মাইক্রোতে করে নিয়ে আসে। দোতালায় মাটির ভবনটি মাদকের গোডাউন হিসেবে ব্যবহার হয়। এছাড়াও অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজা সীমান্ত দিয়ে এবং অন্যান্য স্থান থেকে হায়েস গাড়ি যোগে আরো কয়েকবার সংগ্রহ করে মজুদ রাখিয়া বিক্রয় করার কথা গ্রেফতারকৃত আসামিরা স্বীকার করে। এই গোডাউন থেকে নওগাঁ জেলার বিভিন্ন স্থানে এবং পার্শ্ববর্তী জেলায় পাইকারি ও খুচরা গাজার বিক্রি করা হয়। মাদক ব্যবসার টাকা ছাড়াও প্রতি ৩০ কেজি গাঁজাতে বাড়ির মালিক হিসেবে হামিদুল ৫০০০ টাকা করে পেয়ে থাকে।
এ সংক্রান্তে নিয়ামতপুর থানা, নওগাঁয় ০১ টি মামলা রুজু করা হয়েছে। সেই সাথে এই বিপুল পরিমাণ মাদক গাজা ব্যবসার স সাথে আরো কারা কারা জড়িত সে বিষয়ে গভীরভাবে পুলিশ তদন্ত করছে। এ প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার, নওগাঁ মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন নওগাঁ জেলা পুলিশ মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। মাদক প্রতিরোধে নওগাঁ জেলা পুলিশ আগামী দিনগুলিতে অভিযান আরো জোরদার করবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

নওগাঁ জেলা পুলিশের মধ্যরাতে অভিযান : ৯০ কেজি গাজা সহ দুইজন বড় মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

আপডেট টাইম : ০৩:৩১:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

সুকুমার ঋষি নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি

গত ০৬ জুন পুলিশ সুপারের কাছে সংবাদ আসে যে পাড়ইল ইউনিয়নে ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি তদন্ত করার জন্য অফিসার ইনচার্জ নিয়ামতপুর থানা কে নির্দেশনা প্রদান করা হয় । তদন্তের ধারাবাহিকতায় গতকাল ৭ জুন রাতে সাসপেক্ট হামেদুল নামে ব্যক্তিকে আটক করা হয়। হামিদুল কে জিজ্ঞাসাবাদে তার কথাবার্তা সন্দেহ হলে তার বিষয়ে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে তাকে ব্যাপকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সে নিজেকে মাদক ব্যবসায়ের সাথে জড়িত মর্মে স্বীকার করেন।

অতঃপর গতকাল মধ্যরাতের পর অদ্য ইং ০৮/০৬/২৬ খ্রিঃ তারিখ পুলিশ সুপার, নওগাঁর দিক নির্দেশনায়, অফিসার ইনচার্জ নিয়ামতপুর থানার নেতৃত্বে নিয়ামতপুর থানার একটি বিশেষ টিম থানা এলাকার ৬নং পাড়ইল ইউনিয়নের তুলার বাঐল গ্রামের একটি বসতবাড়ীতে রাত্রী ০০.০৫ ঘটিকা হইতে ভোর ০৫ ঘটিকা পর্য়ন্ত রাত্রীব্যাপী অভিযান চালিয়ে ৯০(নব্বই) কেজি শুকনা গাঁজা চমৎকার প্যাকেট সহ সহ ০২ জন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃত আসামীদ্বয়ের নাম ১। মোঃ হামেদুল ইসলাম(৩৫), পিতা- মোঃ এজামুল, মাতা- মোছাঃ হামেদা বেগম, , ২। মোঃ রশিদ(৪৪), পিতা- মৃত আজমুদ্দিন, মাতা- মৃত সফুরা বিবি, উভয় সাং- তুলার বাঐল, ইউপি- পাড়ইল, থানা- নিয়ামতপুর, জেলা- নওগাঁ বলিয়া জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়।

ধৃত আসামীদ্বয়কে পুলিশ সুপার নিজেও জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় তাদের সাথে আরো কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ী জড়িত আছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে তারা এই মাদক এখানে কখনো ট্রাকে কখনো হাইস মাইক্রোতে করে নিয়ে আসে। দোতালায় মাটির ভবনটি মাদকের গোডাউন হিসেবে ব্যবহার হয়। এছাড়াও অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজা সীমান্ত দিয়ে এবং অন্যান্য স্থান থেকে হায়েস গাড়ি যোগে আরো কয়েকবার সংগ্রহ করে মজুদ রাখিয়া বিক্রয় করার কথা গ্রেফতারকৃত আসামিরা স্বীকার করে। এই গোডাউন থেকে নওগাঁ জেলার বিভিন্ন স্থানে এবং পার্শ্ববর্তী জেলায় পাইকারি ও খুচরা গাজার বিক্রি করা হয়। মাদক ব্যবসার টাকা ছাড়াও প্রতি ৩০ কেজি গাঁজাতে বাড়ির মালিক হিসেবে হামিদুল ৫০০০ টাকা করে পেয়ে থাকে।
এ সংক্রান্তে নিয়ামতপুর থানা, নওগাঁয় ০১ টি মামলা রুজু করা হয়েছে। সেই সাথে এই বিপুল পরিমাণ মাদক গাজা ব্যবসার স সাথে আরো কারা কারা জড়িত সে বিষয়ে গভীরভাবে পুলিশ তদন্ত করছে। এ প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার, নওগাঁ মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন নওগাঁ জেলা পুলিশ মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। মাদক প্রতিরোধে নওগাঁ জেলা পুলিশ আগামী দিনগুলিতে অভিযান আরো জোরদার করবে।