০৪:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লক্ষ্মীপুরে চুরি হওয়া মহিষ উদ্ধার ধরাছোঁয়ার বাইরে চোর

লক্ষ্মীপুরে চুরি হওয়া মহিষ উদ্ধার হলেও ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে চোর চক্র। ঘটনা টি ঘটেছে সদর উপজেলার চর রমনী মোহন ইউনিয়নের চর কানিবগার দক্ষিণ পাশে মনির হোসেন এর খামারে। বিভিন্ন স্থানে খুঁজাখুঁজির পর চুরি হওয়া ৪টি মহিষের মধ্যে আজ ০৪ নভেম্বর মঙ্গলবার একটি মহিষ শনাক্তের পর ভুক্তভোগী মনির হোসেন সদর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। পরবর্তীতে পুলিশের সহযোগিতায় চুরি হওয়া একটি মহিষ উদ্ধার করেন। মহিষটি বর্তমানে অভিযুক্ত ইউছুফ এর জিম্মায় রয়েছে।

থেকে ৪টি মহিষ চুরির ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ সূত্রে ও সরেজমিনে অনুসন্ধান করে জানা যায়, চর রমনী মোহন ইউনিয়নের চর কানিবগার দক্ষিণ পাশে শাকচর ইউনিয়নের সহিদ উল্যাহ বেপারীর ছেলে মনির হোসেন এর একটি খামার রয়েছে। খামারে তার ২০০ টি মহিষ আছে। সেগুলো তার তিন ভাই, মোহাম্মদ উল্যা, মোঃ শরীফ ও নোমন দেখা শুনা করে। গত ০২/১০/২৫ ইং তারিখ সন্ধ্যা অনুমান ০৬ ঘটিকার সময় তারা মহিষ গুলো খামারে রাখে। ০৩/১০/২৫ সকাল অনুমান ৬.০০ ঘটিকার সময় দেখে ৪ টি মহিষ খামারে নাই। পরবর্তীতে অনেক খোঁজা খুঁজির পরে ৪ টি মহিষের মধ্যে ১ টি মহিষ পাশ্ববর্তী চর বংসী ইউনিয়নের মোঃ ইউছুফ এর কাছে পাওয়া যায়।
তখন ইউছুফ দাবী করে সে মহিষটি খালেক মাঝির কাছ থেকে ক্রয় করেছে।
পরবর্তীতে খালেক মাঝির কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, করাতির হাটের সফি মোল্লার ছেলে কামাল হোসেন মহিষটি তার মামা বাহার আলী সর্দার এর বলে আমার কাছে বিক্রি করে।
আমি তাকে ৯হাজার টাকা দিয়ে বায়না করি। বাকী টাকার জন্য তার মামা বাহার আলী সর্দার কে নিয়ে আসতে বলি। পরবর্তীতে কামাল বাহার আলী সর্দার কে নিয়ে আমার বাড়িতে আসে। তখন বাহার আলী সর্দার মহিষটি তার দাবী করে। এবং মহিষটি আমার কাছে ৩৭ হাজার টাকায় বিক্রি করে। এসময় আমি চর রুহিতার গরু বেপারী আরিফ ও বাহার আলী সর্দার এর চাচাতো ভাই চর রমনী মোহন ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল হাকিম আলী সর্দার কে ফোন দেয়। তারা মহিষটি বাহার আলী সর্দার এর বলে জানান এবং মহিষটি আমি কিনতে পারি বলে নিশ্চিত করেন।
এখন আজকে মনির হোসেন এসে মহিষটি তার বলে দাবী করেন। এবং আমাদের নামে থানায় অভিযোগ দিয়েছে। পুলিশ মহিষটি ইউছুফ এর কাছেই জিম্মায় রেখেছে।

ভুক্তভোগী মনির হোসেন বলেন, গত ১মাস আগে আমার খামার থেকে ৪টি মহিষ চুরি হয়। বিভিন্ন স্থানে খুঁজাখুঁজির পর একটি মহিষ অভিযুক্ত ইউছুফ এর কাছে পেয়েছি। থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। পুলিশ এসে মহিষটি উদ্ধার করে আবার ইউছুফ এর কাছে জিম্মা রেখেছে। আমি বাকি মহিষগুলো উদ্ধার ও এ ঘটনার সঠিক তদন্ত করে প্রকৃত চোরকে শনাক্ত করে বিচারের দাবী করছি।

অভিযুক্ত বাহার আলী সর্দার বলেন, কামাল প্রথমে মহিষটি আমার কাছে বিক্রি করে। এবং ২০ হাজার টাকা বায়না নিয়েছে। পরবর্তীতে আমাকে না জানিয়ে মহিষটি খালেক মাঝির কাছে বিক্রি করে দেয়। আমি জানতে পেরে তার কাছে মহিষ অথবা টাকা ফেরত চাই। সে খালেক মাঝি টাকা দিচ্ছেনা বলে আমাকে নিয়ে যায়। এবং খালেক মাঝির কাছ থেকে টাকা নিয়ে আমার টাকা আমাকে ফেরত দেয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

লক্ষ্মীপুরে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ৪ জন গ্রেপ্তার

লক্ষ্মীপুরে চুরি হওয়া মহিষ উদ্ধার ধরাছোঁয়ার বাইরে চোর

আপডেট টাইম : ০৪:৩৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫

লক্ষ্মীপুরে চুরি হওয়া মহিষ উদ্ধার হলেও ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে চোর চক্র। ঘটনা টি ঘটেছে সদর উপজেলার চর রমনী মোহন ইউনিয়নের চর কানিবগার দক্ষিণ পাশে মনির হোসেন এর খামারে। বিভিন্ন স্থানে খুঁজাখুঁজির পর চুরি হওয়া ৪টি মহিষের মধ্যে আজ ০৪ নভেম্বর মঙ্গলবার একটি মহিষ শনাক্তের পর ভুক্তভোগী মনির হোসেন সদর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। পরবর্তীতে পুলিশের সহযোগিতায় চুরি হওয়া একটি মহিষ উদ্ধার করেন। মহিষটি বর্তমানে অভিযুক্ত ইউছুফ এর জিম্মায় রয়েছে।

থেকে ৪টি মহিষ চুরির ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ সূত্রে ও সরেজমিনে অনুসন্ধান করে জানা যায়, চর রমনী মোহন ইউনিয়নের চর কানিবগার দক্ষিণ পাশে শাকচর ইউনিয়নের সহিদ উল্যাহ বেপারীর ছেলে মনির হোসেন এর একটি খামার রয়েছে। খামারে তার ২০০ টি মহিষ আছে। সেগুলো তার তিন ভাই, মোহাম্মদ উল্যা, মোঃ শরীফ ও নোমন দেখা শুনা করে। গত ০২/১০/২৫ ইং তারিখ সন্ধ্যা অনুমান ০৬ ঘটিকার সময় তারা মহিষ গুলো খামারে রাখে। ০৩/১০/২৫ সকাল অনুমান ৬.০০ ঘটিকার সময় দেখে ৪ টি মহিষ খামারে নাই। পরবর্তীতে অনেক খোঁজা খুঁজির পরে ৪ টি মহিষের মধ্যে ১ টি মহিষ পাশ্ববর্তী চর বংসী ইউনিয়নের মোঃ ইউছুফ এর কাছে পাওয়া যায়।
তখন ইউছুফ দাবী করে সে মহিষটি খালেক মাঝির কাছ থেকে ক্রয় করেছে।
পরবর্তীতে খালেক মাঝির কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, করাতির হাটের সফি মোল্লার ছেলে কামাল হোসেন মহিষটি তার মামা বাহার আলী সর্দার এর বলে আমার কাছে বিক্রি করে।
আমি তাকে ৯হাজার টাকা দিয়ে বায়না করি। বাকী টাকার জন্য তার মামা বাহার আলী সর্দার কে নিয়ে আসতে বলি। পরবর্তীতে কামাল বাহার আলী সর্দার কে নিয়ে আমার বাড়িতে আসে। তখন বাহার আলী সর্দার মহিষটি তার দাবী করে। এবং মহিষটি আমার কাছে ৩৭ হাজার টাকায় বিক্রি করে। এসময় আমি চর রুহিতার গরু বেপারী আরিফ ও বাহার আলী সর্দার এর চাচাতো ভাই চর রমনী মোহন ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল হাকিম আলী সর্দার কে ফোন দেয়। তারা মহিষটি বাহার আলী সর্দার এর বলে জানান এবং মহিষটি আমি কিনতে পারি বলে নিশ্চিত করেন।
এখন আজকে মনির হোসেন এসে মহিষটি তার বলে দাবী করেন। এবং আমাদের নামে থানায় অভিযোগ দিয়েছে। পুলিশ মহিষটি ইউছুফ এর কাছেই জিম্মায় রেখেছে।

ভুক্তভোগী মনির হোসেন বলেন, গত ১মাস আগে আমার খামার থেকে ৪টি মহিষ চুরি হয়। বিভিন্ন স্থানে খুঁজাখুঁজির পর একটি মহিষ অভিযুক্ত ইউছুফ এর কাছে পেয়েছি। থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। পুলিশ এসে মহিষটি উদ্ধার করে আবার ইউছুফ এর কাছে জিম্মা রেখেছে। আমি বাকি মহিষগুলো উদ্ধার ও এ ঘটনার সঠিক তদন্ত করে প্রকৃত চোরকে শনাক্ত করে বিচারের দাবী করছি।

অভিযুক্ত বাহার আলী সর্দার বলেন, কামাল প্রথমে মহিষটি আমার কাছে বিক্রি করে। এবং ২০ হাজার টাকা বায়না নিয়েছে। পরবর্তীতে আমাকে না জানিয়ে মহিষটি খালেক মাঝির কাছে বিক্রি করে দেয়। আমি জানতে পেরে তার কাছে মহিষ অথবা টাকা ফেরত চাই। সে খালেক মাঝি টাকা দিচ্ছেনা বলে আমাকে নিয়ে যায়। এবং খালেক মাঝির কাছ থেকে টাকা নিয়ে আমার টাকা আমাকে ফেরত দেয়।