০৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দিঘলিয়ায় তীব্র লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত, দ্রুত সমাধানের দাবি এলাকাবাসীর

খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবন চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছে। দিন-রাতের দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্যুৎ না থাকায় শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ রোগীরা সবচেয়ে বেশি কষ্টের শিকার হচ্ছেন। তীব্র গরম ও ভ্যাপসা আবহাওয়ায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, একবার বিদ্যুৎ চলে গেলে দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা পর তা ফিরে আসে। কিছুক্ষণ বিদ্যুৎ থাকার পর আবারও চলে যায়। এভাবে দিনের পাশাপাশি রাতেও বারবার লোডশেডিং হওয়ায় ঘুম, পড়াশোনা, অফিসের কাজ এবং দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড ব্যাহত হচ্ছে।
এলাকাবাসী জানান, হাসপাতালে চিকিৎসা কার্যক্রমেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। বিশেষ করে বয়স্ক ব্যক্তি, নারী, ছোট শিশু এবং অসুস্থ রোগীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে বিদ্যুৎ না থাকায় অনেকেই শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।
স্থানীয়দের দাবি, দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের পরও দিঘলিয়ায় কেন এত বেশি লোডশেডিং হচ্ছে, তা তাদের বোধগম্য নয়। তাদের অভিযোগ, অন্যান্য উপজেলার তুলনায় দিঘলিয়ায় লোডশেডিংয়ের মাত্রা বেশি এবং এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না।
দিঘলিয়াবাসী দ্রুত লোডশেডিং কমিয়ে স্বাভাবিক বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের প্রত্যাশা, জনদুর্ভোগ লাঘবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

দিঘলিয়ায় তীব্র লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত, দ্রুত সমাধানের দাবি এলাকাবাসীর

আপডেট টাইম : ০৪:২৩:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবন চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছে। দিন-রাতের দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্যুৎ না থাকায় শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ রোগীরা সবচেয়ে বেশি কষ্টের শিকার হচ্ছেন। তীব্র গরম ও ভ্যাপসা আবহাওয়ায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, একবার বিদ্যুৎ চলে গেলে দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা পর তা ফিরে আসে। কিছুক্ষণ বিদ্যুৎ থাকার পর আবারও চলে যায়। এভাবে দিনের পাশাপাশি রাতেও বারবার লোডশেডিং হওয়ায় ঘুম, পড়াশোনা, অফিসের কাজ এবং দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড ব্যাহত হচ্ছে।
এলাকাবাসী জানান, হাসপাতালে চিকিৎসা কার্যক্রমেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। বিশেষ করে বয়স্ক ব্যক্তি, নারী, ছোট শিশু এবং অসুস্থ রোগীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে বিদ্যুৎ না থাকায় অনেকেই শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।
স্থানীয়দের দাবি, দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের পরও দিঘলিয়ায় কেন এত বেশি লোডশেডিং হচ্ছে, তা তাদের বোধগম্য নয়। তাদের অভিযোগ, অন্যান্য উপজেলার তুলনায় দিঘলিয়ায় লোডশেডিংয়ের মাত্রা বেশি এবং এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না।
দিঘলিয়াবাসী দ্রুত লোডশেডিং কমিয়ে স্বাভাবিক বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের প্রত্যাশা, জনদুর্ভোগ লাঘবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।