০২:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণার কারণেই সিলেটের ডিসিকে প্রত্যাহার: শিবির সভাপতি

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম দাবি করেছেন, মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা দেয়ার কারণেই সিলেটের জেলা প্রশাসককে (ডিসি) প্রত্যাহার করা হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, সরকারের একটি ‘সিন্ডিকেট’ মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং এ ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে।

সোমবার (২২ জুন) দুপুরে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সাতক্ষীরা শহর শাখার উদ্যোগে ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নূরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, সিলেটের ডিসিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। কী কারণে? তিনি মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছিলেন এবং বলেছিলেন, মাজারে কোনো মাদক চলবে না। সরকারের পুরো সিন্ডিকেট এই মাদকের সঙ্গে জড়িত। লক্ষ লক্ষ কোটি কোটি টাকার ব্যবসা তারা নিয়ন্ত্রণ করে। সমাজকে তারা স্থিতিশীল থাকতে দেয় না। কারণ, মাদক যারা গ্রহণ করে তারাই তাদের চ্যালাবেলা।

তিনি বলেন, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সঙ্গে লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থী রয়েছে। এই সংগঠন থেকে বিদায় নেওয়া কোটি কোটি শিক্ষার্থী আছে। বুক ফুলিয়ে ইসলামী ছাত্রশিবির বলতে পারে, এই সমাজব্যবস্থায় সবচেয়ে আদর্শবান, সবচেয়ে সুশৃঙ্খল ও সুষম বিকশিত মানুষ উপহার দিতে সক্ষম হয়েছে। এজন্যই ইসলামী ছাত্রশিবিরের ওপর তাদের এত রাগ।

ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি অভিযোগ করে বলেন, কোটি কোটি টাকার ব্যবসা ও ডিলারশিপ শিবির ধ্বংস দিচ্ছে। যেসব ক্যাম্পাসে ছাত্রসংসদ হয়েছে, সেখানে আমরা মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর কথা বলেছি। এরপর একটি কমিউনিটি আমাদের বিরুদ্ধে লেগে গেছে। এখন ক্যাম্পাসে তারা মাদক ব্যবসা করতে পারে না, মাদক সেবনও করতে পারে না; দূরে গিয়ে করতে হয়। এতে তাদের গায়ে লেগেছে।

 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সাতক্ষীরা শহর শাখার সভাপতি মো. মেহেদী হাসান। সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির শহর শাখার সেক্রেটারি মো. নুরুন্নবী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কলেজ কার্যক্রম সম্পাদক হাফেজ ইউসুফ ইসলাহী, সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতর আমীর উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, শহর ছাত্রশিবিরের সভাপতি মেহেদী হাসান, সাতক্ষীরা শহর ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মো. নুরুন্নবী।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান, সাতক্ষীরা শহর জামায়াতের আমীর জাহিদুল ইসলাম বকুল, সদর উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা হাবিবুর রহমান, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় এইচ আর ডি সম্পাদক আব্দুর রহিম, জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি জুবায়ের রহমান। সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের অফিস সেক্রেটারি মাওলানা রুহুল আমিন।

জনপ্রিয় সংবাদ

পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণার কারণেই সিলেটের ডিসিকে প্রত্যাহার: শিবির সভাপতি

আপডেট টাইম : ০১:২৩:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম দাবি করেছেন, মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা দেয়ার কারণেই সিলেটের জেলা প্রশাসককে (ডিসি) প্রত্যাহার করা হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, সরকারের একটি ‘সিন্ডিকেট’ মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং এ ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে।

সোমবার (২২ জুন) দুপুরে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সাতক্ষীরা শহর শাখার উদ্যোগে ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নূরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, সিলেটের ডিসিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। কী কারণে? তিনি মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছিলেন এবং বলেছিলেন, মাজারে কোনো মাদক চলবে না। সরকারের পুরো সিন্ডিকেট এই মাদকের সঙ্গে জড়িত। লক্ষ লক্ষ কোটি কোটি টাকার ব্যবসা তারা নিয়ন্ত্রণ করে। সমাজকে তারা স্থিতিশীল থাকতে দেয় না। কারণ, মাদক যারা গ্রহণ করে তারাই তাদের চ্যালাবেলা।

তিনি বলেন, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সঙ্গে লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থী রয়েছে। এই সংগঠন থেকে বিদায় নেওয়া কোটি কোটি শিক্ষার্থী আছে। বুক ফুলিয়ে ইসলামী ছাত্রশিবির বলতে পারে, এই সমাজব্যবস্থায় সবচেয়ে আদর্শবান, সবচেয়ে সুশৃঙ্খল ও সুষম বিকশিত মানুষ উপহার দিতে সক্ষম হয়েছে। এজন্যই ইসলামী ছাত্রশিবিরের ওপর তাদের এত রাগ।

ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি অভিযোগ করে বলেন, কোটি কোটি টাকার ব্যবসা ও ডিলারশিপ শিবির ধ্বংস দিচ্ছে। যেসব ক্যাম্পাসে ছাত্রসংসদ হয়েছে, সেখানে আমরা মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর কথা বলেছি। এরপর একটি কমিউনিটি আমাদের বিরুদ্ধে লেগে গেছে। এখন ক্যাম্পাসে তারা মাদক ব্যবসা করতে পারে না, মাদক সেবনও করতে পারে না; দূরে গিয়ে করতে হয়। এতে তাদের গায়ে লেগেছে।

 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সাতক্ষীরা শহর শাখার সভাপতি মো. মেহেদী হাসান। সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির শহর শাখার সেক্রেটারি মো. নুরুন্নবী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কলেজ কার্যক্রম সম্পাদক হাফেজ ইউসুফ ইসলাহী, সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতর আমীর উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, শহর ছাত্রশিবিরের সভাপতি মেহেদী হাসান, সাতক্ষীরা শহর ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মো. নুরুন্নবী।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান, সাতক্ষীরা শহর জামায়াতের আমীর জাহিদুল ইসলাম বকুল, সদর উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা হাবিবুর রহমান, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় এইচ আর ডি সম্পাদক আব্দুর রহিম, জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি জুবায়ের রহমান। সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের অফিস সেক্রেটারি মাওলানা রুহুল আমিন।