০৬:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জৈব কৃষিতে নতুন সম্ভাবনা, গোবিন্দগঞ্জে কৃষকদের পাশে ব্র্যাক মাইক্রোফাইন্যান্স”

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০১:৫৫:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
  • ৪৪ বার

সাইফুল ইসলাম তুহিন, স্টাফ রিপোর্টার ঃ

টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলা, মাটির উর্বরতা রক্ষা এবং রাসায়নিক সারের ওপর নির্ভরতা কমাতে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে ব্র্যাক মাইক্রোফাইন্যান্স, গাইবান্ধা-২ অঞ্চল। কৃষকদের পরিবেশবান্ধব জৈব সার উৎপাদনে উদ্বুদ্ধ করতে বিনামূল্যে ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদন প্রশিক্ষণ এবং পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।

গত ১০ জুন ২০২৬ গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ২০ জন কৃষক ও কৃষাণিকে নিয়ে এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। প্রশিক্ষণে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসের কৃষি কর্মকর্তা অংশগ্রহণকারীদের ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদনের বিভিন্ন ধাপ, কেঁচোর সঠিক পরিচর্যা ও ব্যবস্থাপনা, জৈব সার তৈরির আধুনিক কৌশল, সংরক্ষণ এবং মাঠপর্যায়ে এর কার্যকর ব্যবহার সম্পর্কে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন। পাশাপাশি বাস্তবভিত্তিক প্রদর্শনীর মাধ্যমে বিষয়গুলো সহজভাবে তুলে ধরা হয়।
প্রশিক্ষণের ধারাবাহিকতায় গত ২৮ জুন ২০২৬ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রত্যেক কৃষক-কৃষাণির হাতে বিনামূল্যে ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কেঁচো এবং অন্যান্য উপকরণ তুলে দেয় ব্র্যাক মাইক্রোফাইন্যান্স। এর ফলে অংশগ্রহণকারীরা নিজ নিজ বাড়িতেই জৈব সার উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করতে পারবেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, ভার্মি কম্পোস্ট ব্যবহারে জমির জৈব গুণাগুণ বৃদ্ধি পায়, মাটির স্বাস্থ্য উন্নত হয় এবং ফসলের উৎপাদনশীলতা বাড়ে। একই সঙ্গে রাসায়নিক সারের ব্যবহার ও উৎপাদন ব্যয় কমানো সম্ভব হয়। কৃষকরা নিজেদের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি উদ্বৃত্ত জৈব সার বিক্রি করে অতিরিক্ত আয়ও করতে পারবেন, যা তাদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

ব্র্যাক মাইক্রোফাইন্যান্সের কর্মকর্তারা জানান, কৃষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন এবং পরিবেশবান্ধব কৃষি প্রযুক্তির সম্প্রসারণে প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও কৃষকদের আধুনিক ও টেকসই কৃষি ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ ও সহায়তামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয় কৃষকদের প্রত্যাশা, এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে গোবিন্দগঞ্জে জৈব কৃষির প্রসার ঘটবে, উৎপাদন খরচ কমবে এবং নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতিও আরও শক্তিশালী হবে

জনপ্রিয় সংবাদ

পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

জৈব কৃষিতে নতুন সম্ভাবনা, গোবিন্দগঞ্জে কৃষকদের পাশে ব্র্যাক মাইক্রোফাইন্যান্স”

আপডেট টাইম : ০১:৫৫:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

সাইফুল ইসলাম তুহিন, স্টাফ রিপোর্টার ঃ

টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলা, মাটির উর্বরতা রক্ষা এবং রাসায়নিক সারের ওপর নির্ভরতা কমাতে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে ব্র্যাক মাইক্রোফাইন্যান্স, গাইবান্ধা-২ অঞ্চল। কৃষকদের পরিবেশবান্ধব জৈব সার উৎপাদনে উদ্বুদ্ধ করতে বিনামূল্যে ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদন প্রশিক্ষণ এবং পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।

গত ১০ জুন ২০২৬ গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ২০ জন কৃষক ও কৃষাণিকে নিয়ে এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। প্রশিক্ষণে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসের কৃষি কর্মকর্তা অংশগ্রহণকারীদের ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদনের বিভিন্ন ধাপ, কেঁচোর সঠিক পরিচর্যা ও ব্যবস্থাপনা, জৈব সার তৈরির আধুনিক কৌশল, সংরক্ষণ এবং মাঠপর্যায়ে এর কার্যকর ব্যবহার সম্পর্কে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন। পাশাপাশি বাস্তবভিত্তিক প্রদর্শনীর মাধ্যমে বিষয়গুলো সহজভাবে তুলে ধরা হয়।
প্রশিক্ষণের ধারাবাহিকতায় গত ২৮ জুন ২০২৬ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রত্যেক কৃষক-কৃষাণির হাতে বিনামূল্যে ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কেঁচো এবং অন্যান্য উপকরণ তুলে দেয় ব্র্যাক মাইক্রোফাইন্যান্স। এর ফলে অংশগ্রহণকারীরা নিজ নিজ বাড়িতেই জৈব সার উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করতে পারবেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, ভার্মি কম্পোস্ট ব্যবহারে জমির জৈব গুণাগুণ বৃদ্ধি পায়, মাটির স্বাস্থ্য উন্নত হয় এবং ফসলের উৎপাদনশীলতা বাড়ে। একই সঙ্গে রাসায়নিক সারের ব্যবহার ও উৎপাদন ব্যয় কমানো সম্ভব হয়। কৃষকরা নিজেদের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি উদ্বৃত্ত জৈব সার বিক্রি করে অতিরিক্ত আয়ও করতে পারবেন, যা তাদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

ব্র্যাক মাইক্রোফাইন্যান্সের কর্মকর্তারা জানান, কৃষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন এবং পরিবেশবান্ধব কৃষি প্রযুক্তির সম্প্রসারণে প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও কৃষকদের আধুনিক ও টেকসই কৃষি ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ ও সহায়তামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয় কৃষকদের প্রত্যাশা, এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে গোবিন্দগঞ্জে জৈব কৃষির প্রসার ঘটবে, উৎপাদন খরচ কমবে এবং নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতিও আরও শক্তিশালী হবে