০৭:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পুঠিয়ায় মুসা খাঁ নদী থেকে নারীর লাশ উদ্ধার

রাজশাহীর পুঠিয়া পৌরসভার ঝলমলিয়া মুসা খাঁ নদী থেকে এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) পৌরসভার এলাকার ঝলমলিয়ার মূসাখাঁ নদী হতে পুঠিয়া থানা পুলিশ ওই মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহত ওই নারীর নাম রমনী (৬৫), সে ঝলমলিয়া এলাকার পাহাড়িয়া গোত্রের শুম্ভু’র স্ত্রী।

গত ২১ তারিখ মঙ্গলবার হতে রমনী নিখোঁজ হয়ে পড়েন। পরে চার দিন খোঁজাখুঁজি করেও কথাও পাওয়া যাচ্ছিল না। এরপর ৪ দিন পর আজ পুঠিয়া ঝলমলিয়া মুসা খাঁ নদীতে রমনীর লাশ ভেসে উঠলে স্থানীয়রা দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দিলে,পুলিশ এসে ওই লাশ উদ্ধার করেন।

এবিষয়ে নিহতের স্বামী শুম্ভু বলেন, গত মঙ্গলবার কালী পূজার দিনে আনন্দ উল্লাস করে দুজনে মিলে ভরপুর নেশা করেছিলাম। নেশা অবস্থায় আমার স্ত্রীকে বাসায় রেখে আমি পেয়ারার বাগান পাহারা দিতে চলে যায়। তারপর বাসায় ফিরে এসে আমার স্ত্রীকে আর আমি খুঁজে পাইনি। তখন থেকে সে নিখোঁজ ছিল।

এ বিষয়ে নিহতের ছেলে সুজন বলেন, কালী পূজার দিন আমার মা ও বাবা নেশা করে আসার সময় পড়ে যায় সেখান থেকে তাদের দুজনকে তুলে এনে বাসায় রাখি এরপর আমার বাবা পেয়ারা বাগান পাহারা দিতে চলে যায় তারপর থেকে আমার মা নিখোঁজ হয়। এরপর চারদিন পরে আমার এক দিদি আমার মায়ের লাশ নদীতে ভাসতে দেখতে পায়।

এ বিষয়ে পঠিয়া থানার (ওসি) কবির হোসেন বলেন, একটি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

পুঠিয়ায় মুসা খাঁ নদী থেকে নারীর লাশ উদ্ধার

আপডেট টাইম : ০৮:৪২:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫

রাজশাহীর পুঠিয়া পৌরসভার ঝলমলিয়া মুসা খাঁ নদী থেকে এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) পৌরসভার এলাকার ঝলমলিয়ার মূসাখাঁ নদী হতে পুঠিয়া থানা পুলিশ ওই মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহত ওই নারীর নাম রমনী (৬৫), সে ঝলমলিয়া এলাকার পাহাড়িয়া গোত্রের শুম্ভু’র স্ত্রী।

গত ২১ তারিখ মঙ্গলবার হতে রমনী নিখোঁজ হয়ে পড়েন। পরে চার দিন খোঁজাখুঁজি করেও কথাও পাওয়া যাচ্ছিল না। এরপর ৪ দিন পর আজ পুঠিয়া ঝলমলিয়া মুসা খাঁ নদীতে রমনীর লাশ ভেসে উঠলে স্থানীয়রা দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দিলে,পুলিশ এসে ওই লাশ উদ্ধার করেন।

এবিষয়ে নিহতের স্বামী শুম্ভু বলেন, গত মঙ্গলবার কালী পূজার দিনে আনন্দ উল্লাস করে দুজনে মিলে ভরপুর নেশা করেছিলাম। নেশা অবস্থায় আমার স্ত্রীকে বাসায় রেখে আমি পেয়ারার বাগান পাহারা দিতে চলে যায়। তারপর বাসায় ফিরে এসে আমার স্ত্রীকে আর আমি খুঁজে পাইনি। তখন থেকে সে নিখোঁজ ছিল।

এ বিষয়ে নিহতের ছেলে সুজন বলেন, কালী পূজার দিন আমার মা ও বাবা নেশা করে আসার সময় পড়ে যায় সেখান থেকে তাদের দুজনকে তুলে এনে বাসায় রাখি এরপর আমার বাবা পেয়ারা বাগান পাহারা দিতে চলে যায় তারপর থেকে আমার মা নিখোঁজ হয়। এরপর চারদিন পরে আমার এক দিদি আমার মায়ের লাশ নদীতে ভাসতে দেখতে পায়।

এ বিষয়ে পঠিয়া থানার (ওসি) কবির হোসেন বলেন, একটি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।