০৭:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রামগতি হাজীগঞ্জ বাজারের, গল্লির মুখ দখল করে দোকানঘর নির্মাণ করেছেন আব্দুল মতিন

লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে ৫০ বছরের বাজারের গলি দখল করে দোকানঘর নির্মাণ করার অভিযোগ উঠেছে স্হানীয় আবদুল মতিনের বিরুদ্ধে।

সাম্প্রতিক উপজেলার চরপোড়াগাছা ইউনিয়নের
হাজীগঞ্জ বাজারে এমন দখলকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। অবৈধ দখলকান্ডের এমন প্রভাবে অন্যান্যরাও প্রভাবি হওয়ার আশঙ্কাসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। অতিদ্রুত এ অবৈধ দখলকান্ড বন্ধে জরুরী হস্তক্ষেপ বলে দাবি স্হানীয়দের।
বাজারের ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, স্হানীয় আবদুল মতিনগংরা জোরপূর্বক অবৈধভাবে বাজারের গুরুত্বপূর্ণ গলি দখল করে দোকান ঘর নির্মাণ করেন।
এতে সরকারী লাখ লাখ টাকার জায়গা দখল করা হয়।
অন্যদিকে বাজারের প্রবেশমুখ বন্ধ করায় অন্যান্য ব্যবসায়ীরা পড়েছেন হিসব- নিকাশের বাহিরে। এদিকে আবদুল মতিনকে সামনে রেখে পুতুল খেলেছে পেছনের বড় খেলোয়াড়েরা। পরে তাকে নামমাত্র নয়ছয় টাকা দিয়ে সরকারি জায়গায় মার্কেট নির্মানে মালামাল প্রস্তুত রেখেছেন দখলবাজরা। যে কোন সময়ে বড় আকারে আশপাশের জায়গা দখলকান্ড চালাবে।
স্হানীয়দের দাবি অতিদ্রুত আবদুল মতিনগংদের দোকানঘর নির্মাণ কার্যক্রম বন্ধে জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকার সচেতন মহল।
অভিযোগ অস্বীকার করে আবদুল মতিন জানান, এটি আমার মালিকানা জমি। তাদের জায়গা গলিয়ে নিয়ে গেছে। বরং তারা অন্য জায়গায় বসে আছে।এই জমি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা সহকারী কমিশনার পরিদর্শন করেছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

রামগতি হাজীগঞ্জ বাজারের, গল্লির মুখ দখল করে দোকানঘর নির্মাণ করেছেন আব্দুল মতিন

আপডেট টাইম : ১২:৪১:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫

লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে ৫০ বছরের বাজারের গলি দখল করে দোকানঘর নির্মাণ করার অভিযোগ উঠেছে স্হানীয় আবদুল মতিনের বিরুদ্ধে।

সাম্প্রতিক উপজেলার চরপোড়াগাছা ইউনিয়নের
হাজীগঞ্জ বাজারে এমন দখলকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। অবৈধ দখলকান্ডের এমন প্রভাবে অন্যান্যরাও প্রভাবি হওয়ার আশঙ্কাসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। অতিদ্রুত এ অবৈধ দখলকান্ড বন্ধে জরুরী হস্তক্ষেপ বলে দাবি স্হানীয়দের।
বাজারের ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, স্হানীয় আবদুল মতিনগংরা জোরপূর্বক অবৈধভাবে বাজারের গুরুত্বপূর্ণ গলি দখল করে দোকান ঘর নির্মাণ করেন।
এতে সরকারী লাখ লাখ টাকার জায়গা দখল করা হয়।
অন্যদিকে বাজারের প্রবেশমুখ বন্ধ করায় অন্যান্য ব্যবসায়ীরা পড়েছেন হিসব- নিকাশের বাহিরে। এদিকে আবদুল মতিনকে সামনে রেখে পুতুল খেলেছে পেছনের বড় খেলোয়াড়েরা। পরে তাকে নামমাত্র নয়ছয় টাকা দিয়ে সরকারি জায়গায় মার্কেট নির্মানে মালামাল প্রস্তুত রেখেছেন দখলবাজরা। যে কোন সময়ে বড় আকারে আশপাশের জায়গা দখলকান্ড চালাবে।
স্হানীয়দের দাবি অতিদ্রুত আবদুল মতিনগংদের দোকানঘর নির্মাণ কার্যক্রম বন্ধে জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকার সচেতন মহল।
অভিযোগ অস্বীকার করে আবদুল মতিন জানান, এটি আমার মালিকানা জমি। তাদের জায়গা গলিয়ে নিয়ে গেছে। বরং তারা অন্য জায়গায় বসে আছে।এই জমি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা সহকারী কমিশনার পরিদর্শন করেছেন।