০৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লক্ষ্মীপুরে ৩ চক্ষু হাসপাতাল সিলগালা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০২:২৪:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৩৪ বার

মাহমুদুর রহমান মনজু , লক্ষ্মীপুর:

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে বিষয়ভিত্তিক (চক্ষু) বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ছাড়াই রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা এবং প্রয়োজনীয় লাইসেন্স না থাকায় তিনটি চক্ষু হাসপাতাল সিলগালা করেছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো – ভিশন সেন্টার, রায়পুর চক্ষু হাসপাতাল এবং রায়পুর অন্ধ কল্যাণ চক্ষু হাসপাতাল। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে রায়পুর বাস টার্মিনাল এলাকায় অবস্থিত প্রতিষ্ঠান তিনটিতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। লক্ষ্মীপুর জেলার সিভিল সার্জন মোহাম্মদ আবু হাসান শাহীন এই অভিযানের নেতৃত্ব দেন।

অভিযান চলাকালীন সময়ে রায়পুর সরকারি হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. মো. মামুনুর রশীদ পলাশ এবং পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানগুলোর কোনো দায়িত্বশীল ব্যক্তিকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি।

সিভিল সার্জন মোহাম্মদ আবু হাসান শাহীন জানান, লাইসেন্সবিহীন এবং স্বাস্থ্য বিভাগের অনুমতি ছাড়া ব্যবসা পরিচালনা করছিল এই প্রতিষ্ঠানগুলো। এছাড়াও ওইসব প্রতিষ্ঠানগুলোতে চিকিৎসকের সহকারী হয়েও অনেকে ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করে রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা করছিল। এসব অভিযোগে হাসপাতাল তিনটি সিলগালা করা হয়েছে এবং এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

লক্ষ্মীপুরে ৩ চক্ষু হাসপাতাল সিলগালা

আপডেট টাইম : ০২:২৪:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

মাহমুদুর রহমান মনজু , লক্ষ্মীপুর:

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে বিষয়ভিত্তিক (চক্ষু) বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ছাড়াই রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা এবং প্রয়োজনীয় লাইসেন্স না থাকায় তিনটি চক্ষু হাসপাতাল সিলগালা করেছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো – ভিশন সেন্টার, রায়পুর চক্ষু হাসপাতাল এবং রায়পুর অন্ধ কল্যাণ চক্ষু হাসপাতাল। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে রায়পুর বাস টার্মিনাল এলাকায় অবস্থিত প্রতিষ্ঠান তিনটিতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। লক্ষ্মীপুর জেলার সিভিল সার্জন মোহাম্মদ আবু হাসান শাহীন এই অভিযানের নেতৃত্ব দেন।

অভিযান চলাকালীন সময়ে রায়পুর সরকারি হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. মো. মামুনুর রশীদ পলাশ এবং পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানগুলোর কোনো দায়িত্বশীল ব্যক্তিকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি।

সিভিল সার্জন মোহাম্মদ আবু হাসান শাহীন জানান, লাইসেন্সবিহীন এবং স্বাস্থ্য বিভাগের অনুমতি ছাড়া ব্যবসা পরিচালনা করছিল এই প্রতিষ্ঠানগুলো। এছাড়াও ওইসব প্রতিষ্ঠানগুলোতে চিকিৎসকের সহকারী হয়েও অনেকে ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করে রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা করছিল। এসব অভিযোগে হাসপাতাল তিনটি সিলগালা করা হয়েছে এবং এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।