০৭:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেরপুরের দুই আসনে মনোনয়নবঞ্চিতরা শক্ত অবস্থানে, ভোটের মাঠে উত্তাপ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০১:৩৯:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১২৬ বার

মাহফুজুর রহমান সাইমন শেরপুর প্রতিনিধি

শেরপুর জেলার তিনটি সংসদীয় আসনের মধ্যে দুটি আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে মনোনয়ন না পাওয়া দুই নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে নেমে শক্ত অবস্থান গড়ে তুলেছেন। মনোনয়ন না পেলেও তৃণমূল পর্যায়ে তাদের ব্যাপক জনসমর্থন রয়েছে বলে দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শেরপুর সদর–১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপির অঙ্গসংগঠন যুবদলের সাবেক সভাপতি শফিকুল ইসলাম মাসুদ। দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ার পর তিনি মটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেন। এই কারণে দল তাকে বহিষ্কার করলেও মাঠপর্যায়ে তার জনপ্রিয়তা এখনও স্পষ্ট।

শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, আমি জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থনেই নির্বাচনে দাঁড়িয়েছি। জনগণ আমার সঙ্গে আছে, ইনশাআল্লাহ তাদের ভোটেই আমি বিজয়ী হবো।

অন্যদিকে, শেরপুর–৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনে বিএনপির মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন সাবেক তিনবারের উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বাদশা। তিনিও মটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে ভোটের মাঠে রয়েছেন।

আমিনুল ইসলাম বাদশা বলেন, জনগণের প্রত্যাশা ও চাওয়ায় আমি নির্বাচন করছি। ইনশাআল্লাহ জনগণ আমার পাশে আছে এবং আমি বিজয়ী হবো।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে মনোনয়নবঞ্চিত হলেও এই দুই প্রার্থীর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও তৃণমূল পর্যায়ে গ্রহণযোগ্যতা নির্বাচনী সমীকরণে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে শেরপুরের এই দুটি আসনে ভোটের লড়াই নিয়ে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে কৌতূহল ও আগ্রহ ক্রমেই বেড়েই চলেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

শেরপুরের দুই আসনে মনোনয়নবঞ্চিতরা শক্ত অবস্থানে, ভোটের মাঠে উত্তাপ

আপডেট টাইম : ০১:৩৯:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

মাহফুজুর রহমান সাইমন শেরপুর প্রতিনিধি

শেরপুর জেলার তিনটি সংসদীয় আসনের মধ্যে দুটি আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে মনোনয়ন না পাওয়া দুই নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে নেমে শক্ত অবস্থান গড়ে তুলেছেন। মনোনয়ন না পেলেও তৃণমূল পর্যায়ে তাদের ব্যাপক জনসমর্থন রয়েছে বলে দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শেরপুর সদর–১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপির অঙ্গসংগঠন যুবদলের সাবেক সভাপতি শফিকুল ইসলাম মাসুদ। দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ার পর তিনি মটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেন। এই কারণে দল তাকে বহিষ্কার করলেও মাঠপর্যায়ে তার জনপ্রিয়তা এখনও স্পষ্ট।

শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, আমি জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থনেই নির্বাচনে দাঁড়িয়েছি। জনগণ আমার সঙ্গে আছে, ইনশাআল্লাহ তাদের ভোটেই আমি বিজয়ী হবো।

অন্যদিকে, শেরপুর–৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনে বিএনপির মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন সাবেক তিনবারের উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বাদশা। তিনিও মটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে ভোটের মাঠে রয়েছেন।

আমিনুল ইসলাম বাদশা বলেন, জনগণের প্রত্যাশা ও চাওয়ায় আমি নির্বাচন করছি। ইনশাআল্লাহ জনগণ আমার পাশে আছে এবং আমি বিজয়ী হবো।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে মনোনয়নবঞ্চিত হলেও এই দুই প্রার্থীর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও তৃণমূল পর্যায়ে গ্রহণযোগ্যতা নির্বাচনী সমীকরণে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে শেরপুরের এই দুটি আসনে ভোটের লড়াই নিয়ে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে কৌতূহল ও আগ্রহ ক্রমেই বেড়েই চলেছে।