১১:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেরপুরে ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন হয়েছে পরকীয়ার কারণে

হাতে শেরপুর সদর উপজেলার কুসুমহাটি কান্দা শেরী এলাকায় পরকীয়া সন্দেহকে কেন্দ্র করে ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সকালেই এই ঘটনা ঘটে। নিহত একাব্বর (২৮) ওই এলাকার মৃত হায়দার আলীর দ্বিতীয় স্ত্রীর ছেলে।

নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফারুক মিয়া নিজের স্ত্রী মাকসুদা বেগমের সঙ্গে বড় ভাই একাব্বরের পরকীয়া সম্পর্ক আছে-এমন সন্দেহে প্রায়ই ঝগড়া করতেন। মঙ্গলবার সকালেও ওই বিষয় নিয়ে স্ত্রীর সাথে ঝগড়ার পর ফারুক তার বড় ভাই একাব্বরকে ঘরের ভেতরেই ধারালো রামদা দিয়ে কয়েকটি কোপ দেয়। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় একাব্বরকে উদ্ধার করে প্রথমে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়।

এব্যাপারে ফারুকের স্ত্রী মাকসুদা বেগম পরকীয়া সম্পর্কের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ফারুক নেশাগ্রস্ত হয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।

শেরপুর সদর হাসপাতালের ইমারজেন্সি মেডিকেল অফিসার ডা. প্রমা জানিয়েছেন, একাব্বরের শরীরের বিভিন্ন স্থানে কোপের চিহ্ন ও প্রচুর রক্তক্ষরণ ছিল।

এদিকে একাব্বরের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নাসরিন আক্তার বলেন, এটি মূলত পারিবারিক দ্বন্দ্বে ভাইয়ের হাতে ভাই খুনের ঘটনা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ। তবে এখনও কেউ আটক হয়নি। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

শেরপুরে ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন হয়েছে পরকীয়ার কারণে

আপডেট টাইম : ০২:১৫:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫

হাতে শেরপুর সদর উপজেলার কুসুমহাটি কান্দা শেরী এলাকায় পরকীয়া সন্দেহকে কেন্দ্র করে ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সকালেই এই ঘটনা ঘটে। নিহত একাব্বর (২৮) ওই এলাকার মৃত হায়দার আলীর দ্বিতীয় স্ত্রীর ছেলে।

নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফারুক মিয়া নিজের স্ত্রী মাকসুদা বেগমের সঙ্গে বড় ভাই একাব্বরের পরকীয়া সম্পর্ক আছে-এমন সন্দেহে প্রায়ই ঝগড়া করতেন। মঙ্গলবার সকালেও ওই বিষয় নিয়ে স্ত্রীর সাথে ঝগড়ার পর ফারুক তার বড় ভাই একাব্বরকে ঘরের ভেতরেই ধারালো রামদা দিয়ে কয়েকটি কোপ দেয়। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় একাব্বরকে উদ্ধার করে প্রথমে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়।

এব্যাপারে ফারুকের স্ত্রী মাকসুদা বেগম পরকীয়া সম্পর্কের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ফারুক নেশাগ্রস্ত হয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।

শেরপুর সদর হাসপাতালের ইমারজেন্সি মেডিকেল অফিসার ডা. প্রমা জানিয়েছেন, একাব্বরের শরীরের বিভিন্ন স্থানে কোপের চিহ্ন ও প্রচুর রক্তক্ষরণ ছিল।

এদিকে একাব্বরের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নাসরিন আক্তার বলেন, এটি মূলত পারিবারিক দ্বন্দ্বে ভাইয়ের হাতে ভাই খুনের ঘটনা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ। তবে এখনও কেউ আটক হয়নি। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।