০৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাদক সেবন ও ব্যবসার প্রতিবাদ করায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের মারপিট।

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০২:১৩:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫৬ বার

কালিয়া ( নড়াইল) প্রতিনিধিঃ

নড়াইলের কালিয়ায ভূমিহীনদের জন্য দেয়া আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকায় মাদক সেবন ও ব্যবসার প্রতিবাদ করায় আশ্রয়ন প্রকল্পের বাসিন্দা শিরিন বেগম ও তার স্বামী জুয়েল সিকদারকে মারপিট করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় নড়াগাতি থানায় ৪ জনের নাম উল্লেখ করে  একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে ভুক্তভোগী নারী শিরিন বেগম।

উপজেলার চর বল্লাহাটি গ্রামে দুইটি পর্যায়ে মোট ৪৩টি পরিবারকে জমিসহ ঘর দেয় সরকার। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে এখানে মাদক মাদক সেবন ও ব্যবসা চালিয়ে আসছে আশ্রয়ণ প্রকল্পের পাশে বসবাস করা ইউসুফ মোল্লা,তার ছেলে সিপন মোল্লা,আব্দুল্লা সিকদার, আরিফ সিকদার,মাসুম সিকদার । আর তাদের এসব অবৈধ কাজের বাধা দিতে গেলে আশ্রয়ন প্রকল্পের বসবাসরত পরিবারের ওপর নানারকম ভয়ভীতি ও হয়রানি করছে তারা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত রবিবার (১ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় চর বল্লাহাটি গ্রামের ইউসুফ মোল্লার ছেলে সিপন মোল্লা,রেসুদ সিকদারের ছেলে আব্দুল্লা সিকদার,মাসুম সিকদার, আরিফ সিকদার,আশ্রয়ন প্রকল্পে এসে মাদক সেবন সহ বিভিন্ন ধরনের অনৈতিক কর্মকান্ড করে।তখন বাসিন্দা শিরিন বেগম তাদের চলে যাওয়ার কথা বললে তারা গালিগালাজ শুরু করে।গালিগালাজ করতে নিষেধ করলে তারা সকলে শিরিন বেগমকে মারপিট করিতে থাকে। তার স্বামী জুয়েল সিকদার ও তার দুই মেয়ে ঠেকাতে আসলে জুয়েলকে মারপিট করে ধরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে এবং শিরিন বেগমের দুই মেয়ের পরনের কাপড় টানা হেচড়া করে শ্লীলতা হানি করে।এসময় ভুক্তভোগী নারীর গলায় থাকা স্বর্নের চেইন ও জুয়েল সিকদারের পকেট থেকে ১০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে কাউকে কিছু বললে বা পুলিশকে জানালে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে চলে যায়।

পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় পল্লী চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসা গ্রহন করে।

এই ঘটনা নিয়ে আশ্রয় প্রকল্পে বসবাসকারী বাসিন্দাদের ভিতরে ভয়ভীতি কাজ করছে।তারা প্রশাসনের কাছে আশ্রয়ের প্রকল্পের ভেতর মাদক বিক্রি ও সেবনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেওয়ার দাবী জানিয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে নড়াগাতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহিমের মুঠোফনে কল দিলে তিনি বলেন,আমার হাতে এখনো কোনো অভিযোগের  কপি আসেনি।অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

মাদক সেবন ও ব্যবসার প্রতিবাদ করায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের মারপিট।

আপডেট টাইম : ০২:১৩:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কালিয়া ( নড়াইল) প্রতিনিধিঃ

নড়াইলের কালিয়ায ভূমিহীনদের জন্য দেয়া আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকায় মাদক সেবন ও ব্যবসার প্রতিবাদ করায় আশ্রয়ন প্রকল্পের বাসিন্দা শিরিন বেগম ও তার স্বামী জুয়েল সিকদারকে মারপিট করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় নড়াগাতি থানায় ৪ জনের নাম উল্লেখ করে  একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে ভুক্তভোগী নারী শিরিন বেগম।

উপজেলার চর বল্লাহাটি গ্রামে দুইটি পর্যায়ে মোট ৪৩টি পরিবারকে জমিসহ ঘর দেয় সরকার। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে এখানে মাদক মাদক সেবন ও ব্যবসা চালিয়ে আসছে আশ্রয়ণ প্রকল্পের পাশে বসবাস করা ইউসুফ মোল্লা,তার ছেলে সিপন মোল্লা,আব্দুল্লা সিকদার, আরিফ সিকদার,মাসুম সিকদার । আর তাদের এসব অবৈধ কাজের বাধা দিতে গেলে আশ্রয়ন প্রকল্পের বসবাসরত পরিবারের ওপর নানারকম ভয়ভীতি ও হয়রানি করছে তারা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত রবিবার (১ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় চর বল্লাহাটি গ্রামের ইউসুফ মোল্লার ছেলে সিপন মোল্লা,রেসুদ সিকদারের ছেলে আব্দুল্লা সিকদার,মাসুম সিকদার, আরিফ সিকদার,আশ্রয়ন প্রকল্পে এসে মাদক সেবন সহ বিভিন্ন ধরনের অনৈতিক কর্মকান্ড করে।তখন বাসিন্দা শিরিন বেগম তাদের চলে যাওয়ার কথা বললে তারা গালিগালাজ শুরু করে।গালিগালাজ করতে নিষেধ করলে তারা সকলে শিরিন বেগমকে মারপিট করিতে থাকে। তার স্বামী জুয়েল সিকদার ও তার দুই মেয়ে ঠেকাতে আসলে জুয়েলকে মারপিট করে ধরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে এবং শিরিন বেগমের দুই মেয়ের পরনের কাপড় টানা হেচড়া করে শ্লীলতা হানি করে।এসময় ভুক্তভোগী নারীর গলায় থাকা স্বর্নের চেইন ও জুয়েল সিকদারের পকেট থেকে ১০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে কাউকে কিছু বললে বা পুলিশকে জানালে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে চলে যায়।

পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় পল্লী চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসা গ্রহন করে।

এই ঘটনা নিয়ে আশ্রয় প্রকল্পে বসবাসকারী বাসিন্দাদের ভিতরে ভয়ভীতি কাজ করছে।তারা প্রশাসনের কাছে আশ্রয়ের প্রকল্পের ভেতর মাদক বিক্রি ও সেবনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেওয়ার দাবী জানিয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে নড়াগাতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহিমের মুঠোফনে কল দিলে তিনি বলেন,আমার হাতে এখনো কোনো অভিযোগের  কপি আসেনি।অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।