০৬:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বন বিভাগের চোখ ফাঁকি দিয়ে,অভয়ারণ্যে থাকা কাকড়া শিকারের নৌকাগুলো,লোকালয়ে আসার প্রহর গুনছে।

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৩:২৬:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২৮ বার

ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি

সুন্দরবন থেকে ফিরে

জানুয়ারি ফেব্রুয়ারি দুই মাস সুন্দরবনে কাকড়া শিকার সম্পন্ন রূপে নিষিদ্ধ করেছে বন বিভাগ। আজ একমাস ১৮ দিন গত হল।এরই মধ্যে গোপন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে প্রকাশ, সাতক্ষীরা রেঞ্জ অভ্যন্তরে কয়রার লুৎফর কোম্পানি,মোজাফফর কোম্পানি সহ সাধুবেশী,
সকল কোম্পানির অবৈধ কাঁকড়ার নৌকা-
সুন্দরবন তথা অভয়ারণ্য এলাকায় রয়েছে।
বন বিভাগ সহ প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি-
সুন্দরবনের অভয়ারণ্য হতে লোকালয় উঠে আসার পথে- খালের মুখে-কলাগাছিয়া কপোতাক্ষ অভিমুখে অন্যদিকে কদমতলা স্টেশন সংলগ্ন চুনকুড়ি মীরগান এবং গোপন পথে বের হওয়া খালের মুখে নদীতে অতিরিক্ত টহল এর ব্যবস্থা করা হলে,ঘটনার সত্যতা মিলবে আশাবাদী নিরীহ জেলে বাওয়ালিরা।
বন বিভাগ তথা সম্পৃক্ত বেসরকারি সংস্থা গুলোকে সুন্দরবন সুরক্ষায় সতর্ক নজরদারি বজায় রাখার আহ্বান জানানো যাচ্ছে।এতটুকু বলি,লুৎফর কোম্পানির নিজের মুখের স্বীকারোক্তি ৬০ থেকে ৭০ টি নৌকা সুন্দরবনে ব্যবসা করে।বর্তমানে প্রায় ৩০ টির মত নৌকা সুন্দরবন অভ্যন্তরে রয়েছে।লোকালয়ে ফেরার দিন গুনছে।কঠোর টহল ব্যবস্থা ও সতর্ক নজরদারি বজায় রাখলে,কোম্পানিদের কাছে জিম্মি হওয়া অভয়ারণ্যে থাকা অবৈধ নৌকা গুলো আটক করা সম্ভব হবে ধারণা করছেন উপকূলীয় জনগোষ্ঠী। সুন্দরবন রক্ষার্থে সাতক্ষীরা রেঞ্জ কর্মকর্তা ও খুলনা পশ্চিমবণ বিভাগীয় কর্মকর্তা মহোদয়ের কঠোর পদক্ষেপ প্রত্যাশা করেছেন উপজেলাবাসী।

জনপ্রিয় সংবাদ

পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

বন বিভাগের চোখ ফাঁকি দিয়ে,অভয়ারণ্যে থাকা কাকড়া শিকারের নৌকাগুলো,লোকালয়ে আসার প্রহর গুনছে।

আপডেট টাইম : ০৩:২৬:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি

সুন্দরবন থেকে ফিরে

জানুয়ারি ফেব্রুয়ারি দুই মাস সুন্দরবনে কাকড়া শিকার সম্পন্ন রূপে নিষিদ্ধ করেছে বন বিভাগ। আজ একমাস ১৮ দিন গত হল।এরই মধ্যে গোপন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে প্রকাশ, সাতক্ষীরা রেঞ্জ অভ্যন্তরে কয়রার লুৎফর কোম্পানি,মোজাফফর কোম্পানি সহ সাধুবেশী,
সকল কোম্পানির অবৈধ কাঁকড়ার নৌকা-
সুন্দরবন তথা অভয়ারণ্য এলাকায় রয়েছে।
বন বিভাগ সহ প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি-
সুন্দরবনের অভয়ারণ্য হতে লোকালয় উঠে আসার পথে- খালের মুখে-কলাগাছিয়া কপোতাক্ষ অভিমুখে অন্যদিকে কদমতলা স্টেশন সংলগ্ন চুনকুড়ি মীরগান এবং গোপন পথে বের হওয়া খালের মুখে নদীতে অতিরিক্ত টহল এর ব্যবস্থা করা হলে,ঘটনার সত্যতা মিলবে আশাবাদী নিরীহ জেলে বাওয়ালিরা।
বন বিভাগ তথা সম্পৃক্ত বেসরকারি সংস্থা গুলোকে সুন্দরবন সুরক্ষায় সতর্ক নজরদারি বজায় রাখার আহ্বান জানানো যাচ্ছে।এতটুকু বলি,লুৎফর কোম্পানির নিজের মুখের স্বীকারোক্তি ৬০ থেকে ৭০ টি নৌকা সুন্দরবনে ব্যবসা করে।বর্তমানে প্রায় ৩০ টির মত নৌকা সুন্দরবন অভ্যন্তরে রয়েছে।লোকালয়ে ফেরার দিন গুনছে।কঠোর টহল ব্যবস্থা ও সতর্ক নজরদারি বজায় রাখলে,কোম্পানিদের কাছে জিম্মি হওয়া অভয়ারণ্যে থাকা অবৈধ নৌকা গুলো আটক করা সম্ভব হবে ধারণা করছেন উপকূলীয় জনগোষ্ঠী। সুন্দরবন রক্ষার্থে সাতক্ষীরা রেঞ্জ কর্মকর্তা ও খুলনা পশ্চিমবণ বিভাগীয় কর্মকর্তা মহোদয়ের কঠোর পদক্ষেপ প্রত্যাশা করেছেন উপজেলাবাসী।