সড়কে চাঁদাবাজি নিয়ে সারাদেশে নানা আলোচনা চললেও লক্ষ্মীপুরে এ ধরনের কোনো সুযোগ নেই বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে লক্ষ্মীপুর সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
এ্যানি চৌধুরী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতিমধ্যে মন্ত্রী পরিষদের সভা করেছেন। আইনশৃঙ্খলা যেন সুন্দরভাবে থাকে সেদিকে বিশেষ নজর দিয়েছেন। রমজান মাসে যেন দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে থাকে, পাশাপাশি এলাকার উন্নয়ন আমরা কিভাবে অব্যাহত রাখবো, সেটা যে কোন অবস্থান থেকে যেকোন ডিপার্টমেন্টে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ক্ষ্মীপুরের দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানে বৃহত্তর নোয়াখালীর মধ্যে একটি নতুন প্রকল্প নেওয়ার চিন্তা রয়েছে। ভুলুয়া নদী খনন এবং রহমতখালী খাল পুনঃখনন করা গেলে জলাবদ্ধতার যে দীর্ঘস্থায়ী কষ্ট, সেখান থেকে মানুষ মুক্তি পাবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রকল্প গ্রহণের ইচ্ছা রয়েছে এবং সে দিকেই নজর দেওয়া হচ্ছে।
এ্যানি চৌধুরী বলেন, দীর্ঘদিনের বঞ্চিত ও অবহেলিত এলাকা লক্ষ্মীপুর। লক্ষ্মীপুরকে নতুনভাবে সাজাতে হব। দীর্ঘদিনের মানুষের প্রত্যাশা একটি সুন্দর লক্ষ্মীপুর গড়ে তোলা। নির্বাচনে গণসংযোগে যখন গিয়েছি, সবার আবদার ছিল রাস্তা, এলাকায় জলাবদ্ধতা, বঞ্চিত অবস্থা, অবহেলার শিকার হওয়া, আমরা এখন যেন নতুন করে লক্ষ্মীপুর গড়ে তুলতে পারি সেদিকে নজর থাকবে।
এর আগে সকালে সার্কিট হাউসে জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা করেন। সার্কিট হাউসে মন্ত্রী এ্যানি চৌধুরীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান জেলা প্রশাসক এসএম মেহেদী হাসান, জেলা পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাহাবুদ্দিন সাবু, যুগ্ম-আহবায়ক হাছিবুর রহমান, বাফুফে সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপী, লক্ষ্মীপুর পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান হাছানুজ্জামান চৌধুরী মিন্টু প্রমুখ। এসময় তাকে ‘গার্ড অব অনার’ দেওয়া হয়।
নিজস্ব প্রতিবেদক 




















